এনায়েত বাজার ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিলে আবুল হাশেম বক্কর

প্রেস রিলিজ

শেখ হাসিনা দেশে গুম খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কামিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, আওয়ামী লীগ একটি খুনি, ক্ষমতা লোভী দল। ক্ষমতায় টিকে থাকতে বার বার শেখ হাসিনা তার হাতকে রক্তাক্ত করেছে। দেশের গুম খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিল। হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। দলীয় সন্ত্রাস ও প্রশাসনকে সর্বচ্ছ অপব্যবহার করে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার অপচেষ্টা করেছিল। ইতিহাস বড় নির্মম, আল্লাহ তাআলার বিচার বড় নির্মম। আল্লাহতালা তাদের চোখের সামনে দেখিয়ে দিল ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। বেগম জিয়া সবসময় গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। তিনি সাহসে অবিচল ছিলেন। বিশ্বের কোনো নারী নেত্রী গণতন্ত্রের জন্য এমনভাবে লড়াই-সংগ্রাম করেননি। স্বৈরাচারের হাত থেকে দলকে রক্ষা করেছেন, স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় খুনি ফ্যাসিষ্ট হাসিনার বিরুদ্ধে লাড়াই করেছে, আপোষ করেনি।

তিনি আজ (১৬ আগষ্ট) ২০২৪ইং শুক্রবার বাদ জুমা এনায়েত বাজার শাহী জামে মসজিদে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র (৮০ তম) জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ২২ নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা কামনার পাশাপশি ছাত্র জনতার আন্দোলনে নিহত সবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সারা দেশে অসুস্থ বিএনপি নেতাকর্মী ও আহত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতাকর্মী ও দেশের জনগণকে ভালবাসেন। শেখ হাসিনার দোসর ১/১১ সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে জোর করে বিদেশে পাঠাতে চেয়েছিল। তিনি বলেছেন মরলে বাংলার মাটিতে মরবো তবুও তিনি দেশের জনগনকে রেখে বিদেশে যাবেন না। ১/১১ সরকারের মিথ্যা মামলায় নিশ্চিৎ সাজা হবে জেনেও দেশের জনগন ও নেতাকর্মীর রেখে বিদেশে পালিয়ে যাননি। খুনি হাসিনা সরকার বেগম জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েছে, দীর্ঘদিন পরিত্যাক্ত কারাগারে বন্দি রেখেছে। অসুস্থ হয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে থাকা বেগম জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগও দেয়নি। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ও তার দলের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায় না। খুনি হাসিনা গর্ব করে বলেছে শেখ হাসিনারা পালায় না। আওয়ামী লীগসহ শেখ হাসিনারা একটি পালানো দল। আজ তিনি দলের নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে রেখে এদেশের সম্পদ লুটপাট করে পালিয়েছে।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিলর আবুল মালেক, আলমগীর আলী, ওয়ার্ড বিএনপির সভপিতি আলী আব্বাস খান, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিঃ যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান,চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদাক মো. সেলিম, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মাহাবুব আলম রানা, এনামুল হক এনায়েত, মুছা আলম, এনামুল হক রাজু, মো. দুলাল, মো. সেন্টু, কামাল উদ্দিন,ওয়াহেদুল আলম রাহেত, আবদুল কাদের, মো. আজিম, সো. মুক্তার,অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাবেক আহমেদ, মোহাম্মদ হাসান, মো জহির আহমেদ, মো. সমশের, আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুল্লাহ আল সোনা মানিক, আবু সালেহ আবিদ, আলি আক্কাস খান, ইমরান শরিফ, সাইদুল ইসলাম ফয়সাল, মো. সাইফুল, আনিসুল ইসলাম রুবেল প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ