আজঃ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশ্বে গণতন্ত্রের জন্য এত সংগ্রাম আর কেউ করেনি

প্রেস রিলিজ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন। এই উপমহাদেশে তিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। নারী নেত্রীদের মধ্যে বিশ্বে গণতন্ত্রের জন্য এত লড়াই সংগ্রাম আর কেউ করেনি। আমাদের নেত্রী রাজনীতিতে এত সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, যা অন্য কেউ করেনি। অথচ শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার তাকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে দেশের গণতন্ত্রকে বন্দি করে রেখেছিলো। কিন্তু ছাত্র জনতার গণআন্দোলনের মুখে দেশ আবার নতুন করে স্বাধীন হওয়ার পর দেশের জনগণের কাছে আজ খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্র আজ যেন সমার্থক। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি গণতন্ত্রের মুক্তি। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার সংগ্রামের আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট, তাঁবেদার সরকারকে হটিয়ে জনগণের বাক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম সফল হয়েছে।

তিনি কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, শারীরিক সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ মৃত্যুবরণকারী নেতাকর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জামে মসজিদে খতিব মাওলানা এহসানুল হক।
এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস কে খোদা তোতন, হারুন জামান, শফিকুর রহমান স্বপন, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, চান্দগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি মো. আজম, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি হানিফ সওদাগর, চকবাজার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসাইন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, জাসাসের আহবায়ক এম এ মুছা বাবলু, সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ শিপন, ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব এড. আবদুল আজিজ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাউল সংগীতশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সহিংস ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। উপরিস্থিতে বাউল সংগীতশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। জানা যায়,সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি দরবার শরিফে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পাশাপাশি কথিত পীর আব্দুর রহমান শামীম ওরফে কালান্দার বাবা (৬০) হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে।দৌলতপুর থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকেই শিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর থেকে টানা তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি বিএনপিবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবার স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।


আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, ডিবির একটি বিশেষ দল গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আইনের আওতায় আনা হলো। তিনি রংপুর-৬ সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ