আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর মামলায় সাবেক সাংসদ নদভীসহ আসামি ৭৩ জন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিছিলে গুলি করে হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভীসহ ৭৩ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। সোমবার চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন মো. জাহেদ নামে এক ব্যক্তি। তিনি লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের জঙ্গল পদুয়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।আদালত বাদীর জবানবন্দি নেওয়া শেষে মামলা আমলে নিয়ে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এফআইআর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১ আগস্ট লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নুইরগা ডেবা নামক স্থানে আসামিরা নাচ-গানের আয়োজন করেন। একপর্যায়ে এলাকার সচেতন মহল গিয়ে নাচ-গানের আসর বন্ধ করতে বললে আসামিরা প্রকাশ্যে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেন। গত ৪ আগস্ট উপজেলা সদর বটতলী স্টেশনে চৌধুরী প্লাজার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল শুরু হওয়ার প্রাক্কালে আসামিরা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছাত্র-জনতার মিছিলে উপর্যুপরি গুলি ছুড়ে, আশপাশের দোকান ভাঙচুর, ব্যক্তি মালিকানাধীন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। ওই দিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে ধাওয়া করে হাসনাত নামের এক যুবককে এলোপাতাড়ি মাথা ও পিঠে কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করা হয়।
এছাড়া আর কখনো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে গেলে গুলি করে জানে মেরে ফেলবে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে দিবে এবং এরপরেও বেশি বাড়াবাড়ি করলে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমতিয়াজ রেজা চৌধুরী নিশান বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ