আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সাধারণ মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় সমন্বয় পরিষদের আহবানে গাড়ী বন্ধ রেখে অধিকার আদায়ের ডাক’

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্মানিত সিএনজি অটোরিক্সার মালিক ভাইয়েরা, আপনারা ইতিমধ্যে অবগত আছেন যে গত ১৯ শে আগষ্ট কতিপয় শ্রমিক সংগঠনের নামধারী ব্যক্তি বিশেষ কোন পূর্ব ঘোষণা ছাড়া হঠাৎ করে রাস্তায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অনেক সিএনজি ভাংচুর চালায় এবং মিছিল মিটিং করে সিএনজি বন্ধ করে দেয়। যে সমস্ত ড্রাইভার তাদের কথা অমান্য করে গাড়ী চালিয়েছে সেই ড্রাইভার ভাইদেরকে রাস্তায় হেনস্তা করেছেন ও গাড়ীর ক্ষতি সাধন করেছেন। তার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম সিএনজি অটোরিক্সা মালিকদের সংগঠন সমূহ সমন্বয় পরিষদের জরুরী বৈঠকে মিলিত হয় এবং উক্ত মিটিং এর পরে নেতৃবৃন্দ পুলিশ প্রশাসনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মহোদয়ের সাথে সাক্ষাত করি এবং আমাদের নিম্নলিখিত দাবী সমূহের ব্যাপারে অবহিত করি। তার পরিপ্রেক্ষিতে সমন্বয় পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রো এলাকায় সমস্ত সিএনজি বন্ধ থাকিবে।

এই দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত সিএনজি অটোরিক্সা মালিক ভাইদের গাড়ী বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। সিএনজি অটোরিক্সা বন্ধের কারণে যাত্রী সাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

দাবীসমূহ নিম্নরূপ:

১। ১৯ শে আগষ্ট কতিপয় ব্যক্তি ও শ্রমিক সংগঠনের নামধারী ব্যক্তিদের দ্বারা নগরীতে যে সমস্ত সিএনজি অটোরিক্সা ভাংচুর ও ক্ষতি সাধন এবং সাধারণ ড্রাইভার ভাইদেরকে শারীরিক ভাবে আঘাত করেছেন তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।

২। নগরীতে পারমিট বিহীন সিএনজি এবং জেলা এলাকায় সিএনজি বন্ধ করতে হবে। প্রাইভেট নম্বরে সিএনজি ও কোর্ট থেকে নিলামকৃত সিএনজি ভাড়ায় চালানো বন্ধ করতে হবে।

৩। নগরীতে ব্যাটারি চালিত রিক্সা চলাচল বন্ধ করতে হবে।

৪। নগরীতে মোটর সাইকেল এর নামে পাঠাও এর সিলিং সংখ্যা নির্ধারণ ও ইউনিফর্ম নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত পাঠাও বন্ধ রাখতে হবে।

৫। মালিকের দৈনিক জমা পূর্ববর্তী গ্যাজেটের পরিবর্তে বর্তমান বাজারের খুচরা যন্ত্রাংশ লুব্রিক্যান্ট এবং ডকুমেন্ট নবায়নের

বর্ধিত ফি সমূহ বিবেচনা পূর্বক দৈনিক জমা বৃদ্ধি করে নতুনভাবে গ্যাজেট প্রকাশ করতে হবে।

৬। নগরীতে পার্কিং এর স্থান নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত নো পার্কিং মামলা বন্ধ করতে হবে।

৭। ড্রাইভারের লাইসেন্স ও গাড়ীর ডকুমেন্টের মামলার জরিমানা সহনীয় পর্যায়ে করতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ