আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আওয়ামীলীগ দেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে- আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী ভাইরাস রাষ্ট্রেও প্রতিটি স্তম্ভকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ভোটের অধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে তারা মানুষকে প্রজায় পরিণত করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিল। আর আমরা দেশের মালিকানাসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অবৈধ লুটেরা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আওয়ামী সরকারের তথাকথিত উন্নয়নের মূল লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি আর লুটপাট। তারা এদেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। আমরা হামলা-মামলা উপেক্ষা করে তাদের দুর্নীতি ও দু:শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিলাম। এখন তাদের দুর্নীতর শ্বেতপত্র জনসম্মুখে উন্মোচিত হচ্ছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও খুনী হাসিনা এখনো বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জনগণের বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য খুনী হাসিনা ও দোসররা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে, ভাংচুর-ডাকাতি-লুটপাট, সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘরে হামলা সহ একের পর এক ইস্যু তৈরি করে বিরোধী মতের ওপর দায় চাপিয়ে বহিঃর্বিশ্বের কাছে দেশকে এবং অস্থায়ী সরকারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই আওয়ামী ভাইরাস যেন আমাদের সংক্রমিত করে কোন কূটকৌশল বাস্তবায়ন করতে না পারে প্রতিটি নেতাকর্মীকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি আরোও বলেন, আওয়ামী সরকারের আমলে সবচাইতে বেশী নির্যাতিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন আপোসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বিশ্বের সব চাইতে নির্যাতিত নেত্রী। যিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বার বার জেল কেটেছেন। কোন অপরাধ না করেও মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে ৭ বছর তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে। তিনি বলেছিলেন,‘ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জীর আর আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা’। ওরা ক্ষমতায় টিকে থাকতে দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়ে দিল্লির দাসত্ব করেছে। আমাদের ১৭ বছরের সংগ্রাম ছিল স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখা, গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠা করা, সাম্য ও সমতার ভিত্তিতে একটি মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা। তাই একটি শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সংগ্রাম চলবে ।

২৯ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডস্থ খালাসী পুকুর পাড় ইউনিট বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ হাসান লিটন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু।

৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইসকান্দর হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মো. বকতেয়ার, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ, চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য জসিম উদ্দিন, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী নিজামুল ইসলাম, হাজী আইয়ুব, হাজী হারুন সও:। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি ম.হামিদ, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসেন, বিএনপি নেতা আকতার হোসেন, এম. আবু বক্কর রাজু, হাজী সিরাজুল ইসলাম, মাহবুব আলম, আব্দুল মতিন কোম্পানী, ফরিদউদ্দিন, মো. আলম, সাইদুল ইসলাম, নুরনবী, সাজিদ হাসান রনি, মোরশেদ কামাল, দিদারুল আলম, আলমগীর টিটু, হারুনুর রশিদ, সিরাজুল ইসলাম ইকবাল, বেলাল আমিন, আব্দুর রশিদ, আবু তাহের, শহীদুল ইসলাম, সামশুল আলম, মো. ফারুক, আজমল, আব্দুল আজিজ, জালাল উদ্দিন, মো.মুরাদ, সাঈদ ইসলাম বাপ্পী, মো. হোসেন, মো.রহিম, মো. বাদশা, আলাউদ্দিন, মো. হারুন, মো. মনছুর, মো. রুবেল, নাঈম, মিজানুর রহমান, জানে আলম কুশল, মোক্তার হোসেন, আব্দুল মান্নান, আবু কাইছার, মো. মুন্না, মো. শাহালম, মো. রবি, মো. রাশেদ, মো. সরোয়ার, ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা সাফায়াত হোসেন সোহান, আলাউদ্দিন সাকিব প্রমুখ।

ক্যাপশন: ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডস্থ খালাসী পুকুর পাড় ইউনিট বিএনপির দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আবু সুফিয়ান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ