আওয়ামীলীগ দেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে- আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী ভাইরাস রাষ্ট্রেও প্রতিটি স্তম্ভকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ভোটের অধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে তারা মানুষকে প্রজায় পরিণত করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিল। আর আমরা দেশের মালিকানাসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অবৈধ লুটেরা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আওয়ামী সরকারের তথাকথিত উন্নয়নের মূল লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি আর লুটপাট। তারা এদেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। আমরা হামলা-মামলা উপেক্ষা করে তাদের দুর্নীতি ও দু:শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিলাম। এখন তাদের দুর্নীতর শ্বেতপত্র জনসম্মুখে উন্মোচিত হচ্ছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও খুনী হাসিনা এখনো বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জনগণের বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য খুনী হাসিনা ও দোসররা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে, ভাংচুর-ডাকাতি-লুটপাট, সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘরে হামলা সহ একের পর এক ইস্যু তৈরি করে বিরোধী মতের ওপর দায় চাপিয়ে বহিঃর্বিশ্বের কাছে দেশকে এবং অস্থায়ী সরকারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই আওয়ামী ভাইরাস যেন আমাদের সংক্রমিত করে কোন কূটকৌশল বাস্তবায়ন করতে না পারে প্রতিটি নেতাকর্মীকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি আরোও বলেন, আওয়ামী সরকারের আমলে সবচাইতে বেশী নির্যাতিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন আপোসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বিশ্বের সব চাইতে নির্যাতিত নেত্রী। যিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বার বার জেল কেটেছেন। কোন অপরাধ না করেও মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে ৭ বছর তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে। তিনি বলেছিলেন,‘ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জীর আর আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা’। ওরা ক্ষমতায় টিকে থাকতে দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়ে দিল্লির দাসত্ব করেছে। আমাদের ১৭ বছরের সংগ্রাম ছিল স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখা, গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠা করা, সাম্য ও সমতার ভিত্তিতে একটি মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা। তাই একটি শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সংগ্রাম চলবে ।

২৯ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডস্থ খালাসী পুকুর পাড় ইউনিট বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ হাসান লিটন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু।

৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইসকান্দর হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মো. বকতেয়ার, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ, চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য জসিম উদ্দিন, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী নিজামুল ইসলাম, হাজী আইয়ুব, হাজী হারুন সও:। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি ম.হামিদ, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসেন, বিএনপি নেতা আকতার হোসেন, এম. আবু বক্কর রাজু, হাজী সিরাজুল ইসলাম, মাহবুব আলম, আব্দুল মতিন কোম্পানী, ফরিদউদ্দিন, মো. আলম, সাইদুল ইসলাম, নুরনবী, সাজিদ হাসান রনি, মোরশেদ কামাল, দিদারুল আলম, আলমগীর টিটু, হারুনুর রশিদ, সিরাজুল ইসলাম ইকবাল, বেলাল আমিন, আব্দুর রশিদ, আবু তাহের, শহীদুল ইসলাম, সামশুল আলম, মো. ফারুক, আজমল, আব্দুল আজিজ, জালাল উদ্দিন, মো.মুরাদ, সাঈদ ইসলাম বাপ্পী, মো. হোসেন, মো.রহিম, মো. বাদশা, আলাউদ্দিন, মো. হারুন, মো. মনছুর, মো. রুবেল, নাঈম, মিজানুর রহমান, জানে আলম কুশল, মোক্তার হোসেন, আব্দুল মান্নান, আবু কাইছার, মো. মুন্না, মো. শাহালম, মো. রবি, মো. রাশেদ, মো. সরোয়ার, ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা সাফায়াত হোসেন সোহান, আলাউদ্দিন সাকিব প্রমুখ।

ক্যাপশন: ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডস্থ খালাসী পুকুর পাড় ইউনিট বিএনপির দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আবু সুফিয়ান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন বাতিলে ল’ফার্ম নিয়োগ হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিল এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । দুবাইয়ে একটি আন্তর্জাতিক ল’ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করার জন্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।রোববার ২ আগস্ট রাজশাহীতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন-সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন—বিষয়টি আমরা জেনেছি। তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে শেষ রাতে গোলাগুলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিংড়ি প্রকল্পের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তাজুরঘোনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এর মধ্যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি থাকলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয়ভাবে তৈরি একনলা বন্দুক দিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় নতুন করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুরঘোনা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পের মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে একপক্ষ অন্যপক্ষকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে কয়েকজন পথচারীসহ সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অভিযানে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. ইব্রাহীম, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকসহ জেলা পুলিশের একটি বড় দল অংশ নেয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ