আজঃ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ১শ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ১শ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রাম জোনের অধীনে ১৫০ কিলোমিটার জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক রয়েছে। চট্টগ্রাম জোনের মধ্যে ফেনী থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত ৩১২ কিলোমিটারসহ পুরো চট্টগ্রাম জেলা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ এবং ৩ পার্বত্য জেলা। সওজে সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের অধীনে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়ক গুলোর মধ্যে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সড়ক জরুরি ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক গুলো জরুরি ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী সময়ে মেরামতে ৫০ কোটি টাকা ঢাকাস্থ সড়ক ভবন থেকে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। অপরদিকে দীর্ঘমেয়াদী মেরামতের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের সাথে কথা বলে জানা গেছে। প্রকৌশলীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ১৫০ কিলোমিটার সড়ক সবটাই বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটা নয়। কোথাও হালকা কোথা ও মাঝারি আবার কোথা ও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এই ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন আজাদীকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের বন্যায় আমাদের সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনে ফেনী থেকে টেকনাফ এবং তিন পার্বত্যজেলায় ১০০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক স্বল্প মেয়াদী মেরামতের জন্য ৫০ কোটি টাকা এবং দীর্ঘ মেয়াদী মেরামতের জন্য ১০০ কোটি চাওয়া হয়েছে। সড়ক বিভাগ চট্টগ্রাম জোনে মোট ১৫০০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জোনে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক কোথাও হালকা–কোথাও মাঝারি আবার কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ১৫০০ কিলোমিটার সড়কের ঢাকা–চট্টগ্রাম (ফেনী থেকে কঙবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত) ৩১২ কিলোমিটার। চট্টগ্রামে (মীরসরাই ফটিকছড়ি ১২ কিলোমিটার, নোয়াপাড়া রাউজান ১৫ কিলোমিটার, রাঙ্গুনিয়ার গোডাউন ঘাট মুসলিমাবাদ ১৭ কিলোমিটার) এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান সড়ক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন নিজস্ব প্রতিবেদক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা।রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা এ আবেদনপত্র জমা দেন।

আস্থার সংকট দূর করতে প্রশাসন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দায়িত্ব শতভাগ নিরপেক্ষতা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করে রাষ্ট্রকে একটি ফ্রি, ফেয়ার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার কথা জানালেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, অতীতে মানুষ সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে বেতন নেওয়া সত্ত্বেও প্রত্যাশিত নির্বাচন দিতে না পারার অভিযোগ উঠেছে।তবে এবার সেই আস্থার সংকট দূর করতে প্রশাসন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীরা পক্ষপাতদুষ্ট-এমন অভিযোগে তারা বারবার আহত হয়েছেন। এবার মাঠপর্যায়ে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চান যে প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে, সেটির আলোকে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই এই নিরপেক্ষতা প্রমাণ করা হবে।

বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু এই মুহূর্তে সেগুলো দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্ব যেভাবে বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে, সেখানে দেশের ও প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি এলাকা ঘুরে মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।মাঠে থাকা কর্মকর্তাদের জনগণের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ রেখে ভয় ও আতঙ্ক দূর করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার শামিম, এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক মো. সফিকুর রহমানসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রশাসনের দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা কর্মকর্তারা একটি প্রিভিলেজড অবস্থানে রয়েছেন। অতীতে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না থাকলেও এখন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তাঁদের সামনে এসেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন—কেউ জয়ী হবেন, কেউ পরাজিত হবেন। তবে প্রশাসনের লক্ষ্য কোনো ব্যক্তি বা দল নয়; লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও জনগণের জয় নিশ্চিত করা।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, এই নির্বাচনকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিক নির্বাচন হিসেবে দেখলে চলবে না। পর্যাপ্ত ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে নির্বাচন আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এত আয়োজন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

চট্টগ্রামের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জেলার বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

আলোচিত খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান – ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সরকারের হাতে এখন মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেই বিষয়টি এ পর্যায়ে এগোচ্ছে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ