আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

দশম গ্রেড বাস্তবায়নে সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

দ্রুত বৈষম্য নিরসন না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্যান্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (সার্ভেয়িং) ডিগ্রিধারী সার্ভেয়ার অথবা সমমানের পদে কর্মরতদের দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রামে সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা অবস্থান কর্মসূচি ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।বৈষম্যবিরোধী সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,(ভূমি অধিগ্রহণ) ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম তানভীর আল নাসীফ বরাবর স্মারকলিপি প্রধান করেন স্মারকলিপি প্রধানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন,নাজমুল হাসান, অমিত মজুমদার, মুমিনুল ইসলাম, আলমগীর কবির,মনিরুল ইসলামসহ প্রমুখ।

সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত সার্ভেয়ার ও সমমানের পদে কর্মরত সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা দীর্ঘদিন ধরে চরম বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। একই সমমানের প্রকৌশলীরা ১০ম গ্রেডে কর্মরত থাকলেও ১৪, ১৫ ও ১৬তম গ্রেডে চাকরি করছেন তারা।বৈষম্য নিরসনে উচ্চ আদালত ও বাংলাদেশ কর্ম-কমিশন (পিএসসি) নির্দেশনা দিলেও আগের সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। এ নিয়ে সার্ভে ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দ্রুত বৈষম্য নিরসন না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় চার বছর মেয়াদি (পূর্বে তিন বছর মেয়াদি প্রকৌশল ডিপ্লোমা) সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তর ও সংস্থায় সার্ভেয়ার পদে কর্মরত।

তারা সরকারের সব উন্নয়নমূলক কাজের প্রাথমিক ধাপে সরাসরি ভূমিকা পালন করেন।
কারিগরি অধিদপ্তরের আওতায় যত ডিপ্লোমা টেকনোলজিস্ট আছে, তারা সবাই ১৯৯৪ সালের সম/বিধি-১৬৪নং রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বিতীয় শ্রেণি বর্তমানে ১০ম গ্রেডে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পান। সেখানে অর্থ বিভাগের সুস্পষ্ট সম্মতি রয়েছে এবং সব দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অথচ সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা ১৪তম, ১৫তম ও ১৬তম গ্রেডে চাকরি করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৫ সালে ১৭৮ (১৭) স্মারকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্যান্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের ন্যায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও বেতন স্কেল দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করতে অনুরোধ করেন। এ ছাড়া ২০১৩ ও ২০১৪ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সভাপতিত্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ের, ভূমি মন্ত্রণালয়ের, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি কল্যাণ শাখা থেকে পুনরায় তাদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার সুপারিশ করে অর্থ সচিবকে চিঠি দেয়।

এরপর ভূমি মন্ত্রণালয় ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও সার্ভেয়ার এবং সমমান পদের বেতন স্কেল দ্বিতীয় শ্রেণি (১০ম গ্রেড) বাস্তবায়নে সুপারিশ করে। সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রী সেসব সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন। আদালতের পক্ষ থেকেও সুপারিশ বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু এখনো কোনো সুপারিশই বাস্তবায়ন হয়নি।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের কানুনগো ও উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার পদে দীর্ঘদিন ধরে কোনো পদোন্নতি বা নিয়োগ না থাকায় এক হাজার ৪০০টি পদের মধ্যে এক হাজার ২৫০টি পদ শূন্য থাকায় মাঠ প্রশাসনে সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে। এসব শূন্য পদ পূরণে সুপারিশ চেয়ে পিএসসিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে পিএসসি দ্রুত মন্ত্রণালয়কে পদোন্নতির সুপারিশ করেছে। পিএসসির ১০১৩ জনের মধ্যে জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে পদোন্নতি দিতে বলে হলে ও মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তার খামখেয়ালিপনায় পদোন্নতিতে একটা গা-ছাড়া লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে। অথচ প্রশাসন ক্যাডারের কোনো পদোন্নতিতে জটিলতা তৈরি হয় না।

একজন সার্ভেয়ারের কর্মকাল ১০ হলে কানুনগো পদে পদোন্নতি পাওয়ার বিষয় নিয়োগবিধিতে উল্লেখ থাকলেও দীর্ঘ ২৫-২৬ বছর চাকরি করে একটিও পদোন্নতি নেই। এতে তাদের আর্থিক ও মানুষ কষ্ট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ভূমির আইনের সংস্কার ও ভূমি ক্যাডার হলে জনগণের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব সম্ভব।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সার্ভে ডিপ্লোমা এসোসিয়েশন এর পক্ষে সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন,
সরকারের সব দপ্তরে কর্মরত অন্যান্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ১০ম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু সমমান এবং এক ও অভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়ার পরও সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ১০ম গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়নি।

তিনি বলেন, একই কারিকুলামে ডিগ্রি অর্জন করে কেউ দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা, আবার কেউ তৃতীয় শ্রেণিতে চাকরি করছেন। আমরা এ বৈষম্যের অবসান চাই। বিগত সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও এ সংক্রান্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ