আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

প্রত্যেক দপ্তরকে সংস্কারের আওতায় এনে কার্যক্রমগুলো সুনিশ্চিত করবো-জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখছেন -জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম বলেছেন, অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সকলে মিলে জেলার সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সরকারী প্রত্যেক দপ্তরকে সংস্কারের আওতায় এনে মেধা, দক্ষতা ও সততা দিয়ে আমাদের কার্যক্রমগুলো সুনিশ্চিত করবো। আমরা একটি পরিবার। যতদিন পর্যন্ত চট্টগ্রামে থাকবো, একটি পরিবার হিসেবে কাজ করতে চাই। এজন্য আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে যাদেরকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদেরকে পরিষদের কার্যক্রমগুলো সুচারুভাবে করতে হবে। জণগণের কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্থা ও বন্যা পুর্নবাসন কমিটি করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তালিকা জমা দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
আনোয়ারা-বাশঁখালী প্রান্তে তৈলারদ্বীপ সেতু প্রসঙ্গে সওজ’র দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, এ সেতু দিয়ে গাড়ি পারাপারে টোল আদায় করা হতো। এ সেতু থেকে সরকার বছরে ১০ থেকে ১১ কোটি টাকা রাজস্ব পায়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ছাত্র সমন্বয়কদের আন্দোলনের কারণে এ সেতু পারাপারে আপাততঃ টোল আদায় বন্ধ রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন-এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ডিসি বলেন, এ সেতুতে এক সময় টোল নেয়া হতো। সরকারের রাজস্ব বাড়াতে গিয়ে দেশের যাতে ক্ষতি না হয় সে বিষয়টি দেখা জরুরী। এ জন্য ছাত্র সমন্বয়কদের সাথে উপজেলা প্রশাসন আলোচনা করবে এবং তৈলারদ্বীপ সেতুতে টোল আদায়ের বিষয়ে সড়ক যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়ের কাছে চিঠি দিয়ে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চাওয়া হবে। জানমাল রক্ষায় কর্ণফুলী ও অন্যান্য স্থানে বন্য হাতির উপদ্রব রোধে বন বিভাগ, আইওসিআর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সভায় জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দিদারুল আলম বলেন, জেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছে। কোন প্রকল্পে যাতে অনিয়ম না হয় সে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
সভায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ নতুনভাবে কাজ শুরু করেছে। সকলের সহযোগিতা পেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতায় সর্বত্র লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুর হট স্পট ভাগ করে রেড ও ইয়েলো জোন চিহ্নিত করে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। চট্টগ্রামে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪৮১ জন, মৃত্যুবরণ করেছে ৭ জন ও গত আগস্ট মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০২ জন, মৃত্যুবরণ করেছে ২ জন। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।
সভায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ তাজবিল্লাহ বলেন, কোন ধরণের ভোগান্তি ও হয়রানি ছাড়াই গ্রাহকেরা পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে। তবে কোন রোহিঙ্গা নাগরিক যাতে এখানে এসে ভোটার হতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক রয়েছি।
সভায় পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, জেলার ১৫ উপজেলা ও নগরীর পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের কর্মস্থলে আগমন ও দায়িত্ব থেকে প্রস্থানের বিষয়টি মোবাইল অ্যাপ্সের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি করা হয়।
সমন্বয় সভায় জেলা খাদ্য অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, পরিসংখ্যান অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, রাবার বিভাগ, বন বিভাগ, সওজ, এলজিইডি ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাদি-উর রহিম জাদিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দিদারুল আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম গোলাম মোরশেদ খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ তাজবিল্লাহ, পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইনামুল হাছান (লোহাগাড়া), মাসুমা জান্নাত (কর্ণফুলি), জেসমিন আক্তার (বাঁশখালী), অংগ্যজাই মারমা (রাউজান), দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান আলী, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অয়ন কুমার ত্রিপুরা, জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ ফখরুল আলম, উত্তর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস.এম কায়চার, দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মামুন, উপকুলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, বীজ পিনন ও সিডিসি’র উপপরিচালক মোহাম্মদ নাইমুম আরিফ, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মুহাম্মদ মুনতাসির মাহমুদ, রাবার বিভাগের মহা ব্যবস্থাপক হাসান মোঃ আবদুল ওয়াজিদ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক রিংকু শর্মা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক, প্রতিবন্ধী বিসয়ক কর্মকর্তা সিতারাই ফেরদৌস প্রমূখ। বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক, জেলার সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ