চিকিৎসকের অবহেলায় সাংবাদিককন্যার মৃত্যু, বিচার শুরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় সাংবাদিককন্যা রাফিদা খান রাইফার মৃত্যু ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪ জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। সোমবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত প্রথম মহানগর দায়রা জজ মো.কামাল হোসেন শিকদারের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। আসামি চার চিকিৎসক হলেন—ডা.লিয়াকত আলী খান, ডা. বিধান রায় চৌধুরী, ডা. দেবাশীষ সেনগুপ্ত ও ডা.শুভ্র দেব। মামলাটির বাদী সাংবাদিক রুবেল খানের আইনজীবী ইকবাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, দণ্ডবিধির ৩০৪ (এ) ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যু এবং ১০৯ ধারায় অবহেলার প্ররোচনার অভিযোগ গঠন করা হয়েছে চার আসামিদের বিরুদ্ধে। এর আগে চলতি বছরের ১২ মার্চ পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক নগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্রটি জমা দেন। পরে ১২ মে চট্টগ্রামের চতুর্থ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার দেওয়া অভিযোগপত্রটি আমলে নেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ জুন রাতে নগরের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা, অদক্ষতার কারণে সাংবাদিক রুবেল খানের আড়াই বছরের শিশু কন্যা রাফিদা খান রাইফা মারা যায়। রাইফার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাইফার বাবা রুবেল খান বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ২০ জুলাই ৪ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় চার চিকিৎসককে আসামি করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বিশ্ব কলোনির একটি ফ্ল্যাট থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক নারীকে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠাানোর নির্দেশ দেন।

এই দুইজন হল ডিএমপির ওয়ারী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না (৩৮) ও ওই নারী (৩৯)।পরকীয়া, অনৈতিক কাজ, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আকবর শাহ থানায় মামলাটি করেন এক প্রবাসীর ভাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকাল ৪টার দিকে নগরের আকবর শাহ থানার বিশ্ব কলোনির আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে ওই দুজনকে দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ও ওই নারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলাটি হয়েছে। মামলায় দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত।

আকবর শাহ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ওই নারী আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী। আমার বড় ভাই ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ সৌদি আরবে যান। নুরুন্নবী আকবর শাহ থানায় দায়িত্ব পালনকালে ভাবীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের বাসায় যাতায়াত শুরু করেন। পরে তার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নুরুন্নবী ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে ভাবীর সঙ্গে রাতযাপন করেন। বিষয়টি আমার ভাই প্রবাস থেকে জানালে ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে স্থানীয় লোকজন ওই বাসায় গিয়ে দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সামনে নুরুন্নবী আমার ভাবীকে নিজের স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হাতে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে নুরুন্নবীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আমার ভাবী ও নুরুন্নবী আমার ভাইয়ের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার, যার মূল্য ২৬ লাখ টাকা এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা বাসা থেকে সরিয়ে ফেলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান খান বলেন, বৃহস্পতিবার ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সদস্যসহ দুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় গ্রেফতার-২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমদানিকৃত তিন কোটি টাকার কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইইনার গায়েবের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা জালিয়াতির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী কন্টেইনার বের করে নিয়েছিল। তারা হলেন- পটিয়ার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈয়গ্রামের মো. মোর্শেদ আলম (৩১) ও পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)। দুজনই চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার প্যারামাউন্ড ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের জেটি সরকার হিসেবে নিয়োজিত ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে কন্টেইনার গায়েব করে দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের সামনে থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দুজন ঘটনার সময় অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সহায়তায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্যবাহী কন্টেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এফসিএল সেকশনে থাকা অভিযুক্তরা তাদের সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। এ সময় ডকুমেন্ট ও স্বাক্ষর জাল করে অন-ডেট ও অন-চেসিস অ্যাসাইনমেন্টের কপি আসল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এরপর ওই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পণ্যসহ একটি কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ