আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত

নেত্রকোনায়, সুদের টাকায় চলছে চিকিৎসা, খবর নেয়নি কেউ

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় মদন উপজেলায় সুদের টাকায় চলছে আকাশের চিকিৎসা, খবর নেয়নি কেউ
পরিবারের হাল ধরতে কিশোর বয়স থেকেই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি মিষ্টির দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ নেন মো. আকাশ মিয়া।
গত ২০ জুলাই বিকালে কাজ ফেলে সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগদেন তিনি। আন্দোলন দমাতে পুলিশ বেপরোয়াভাবে টিয়ারসেল-সাউন্ড গ্রেনেড ও গুলি শুরু করলে অগণিত আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয় তার চোখের সামনেই। হতাহত হয় অনেকে।
হতাহতদের রিকশা-ভ্যানে করে হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি আন্দোলন চলমান রাখেন আকাশসহ অন্যান্যরা। পুলিশ তখন সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ শুরু করে। এ পর্যায়ে আর টিকতে না পেরে দৌড়ে নিজের কর্মস্থল মিষ্টির দোকানে ঢুকে শার্টার লাগিয়ে দেন। তাতেও রক্ষা হয়নি। শার্টার ভেঙে দোকানে ঢুকে আকাশের বুকে শটগান ঠেকিয়ে গুলি চালাতে উদ্যত হয় পুলিশ।

তবে পরিস্থিতি বুঝে আকাশ শটগানের নল নিচের দিকে টেলে দেয়। এতে তার হাটুর উপরে লাগে গুলিটি। মুহূর্তে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে আকাশ। পুলিশ চলে গেলে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে কাছের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হলেও গ্রেফতার হয়রানির ভয়ে সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

লুকিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে দুইদিন চিকিৎসার পর ২৩ জুলাই রাতের আঁধারে একটি গাড়িতে করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ততদিনে পায়ের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আকাশের বাঁ পা হাঁটুর ওপর থেকে কেটে ফেলতে হয়।

এরমধ্যে খরচ হয়ে গেছে ধার-দেনা আর সুদে আনা প্রায় ৪ লাখ টাকা। এক পা হারিয়ে এখন পঙ্গু ১৯ বছরের টগবগে যুবক আকাশ। যে স্বৈরাচার হটাতে আন্দোলনে গিয়ে পা হারিয়েছেন আকাশ, সেই স্বৈরাচারেরে পতন হয়েছে অনেক গত ৫ আগস্ট। তবে এতদিনেও (১ অক্টোবর পর্যন্ত) পঙ্গু আকাশের খবর নেয়নি কেউ।

একদিকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শঙ্কা, অন্যদিকে ঋণের বোঝা সব মিলিয়ে দিশেহারা আকাশের পরিবার। মো. আকাশ মিয়া (১৯) নেত্রকোনার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বিয়াশি গ্রামের মো. দুলাল মিয়ার ছেলে।

চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার বড় আকাশ। বাবা দুলাল মিয়া দিনমজুর। অভাবের সংসারে জেএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। দুই বছর আগে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি মিষ্টির দোকানে সেলসম্যানের কাজ নেন আকাশ। এতে সংসারে অভাব ঘুছে যাচ্ছিল। এরমধ্যে পরিচিত একজনের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ারও কথা হয়েছিল তার। করেছিল পাসপোর্ট। কিন্তু পুলিশের গুলিতে সব স্বপ্ন শেষ তার।

যে দুপায়ের ওপর ভর করে এত বড় সংসারের বোঝা কাঁধে নিয়েছিলেন আকাশ। পা হারিয়ে তিনি নিজেই পরিবারের বোঝা হয়েছেন। দুলাল মিয়ার বাড়ির জায়গা আর তাতে একটা জীর্ণ ঘর ছাড়া আর কোন জমিজমা নেই।

গত বুধবার (২ অক্টোবর) আকাশ মিয়ার কৃত্রিম পা লাগানো হচ্ছে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে। বিনামূল্যে ব্র্যাক এনজিও কৃত্রিম পা লাগিয়ে দিচ্ছে বলে জানান আকাশ মিয়া।

সেদিনের ঘটনার বর্ণনায় আকাশ বলেন, মা-বাবা ও এতগুলো ছোট ভাই বোনের ভার আমার ওপর। তারপরও সেদিন শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া জুলুম দেখে নিজেকে সামলে রাখতে পারিনি। কাজ ফেলে ছাত্র জনতার আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলাম। ওইদিন বিকেলে পুলিশ চারদিক থেকে ঘিরে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়। চোখের সামনে অনেকে গুলিতে লুটিয়ে পড়ছিল। তাদের তুলে রিকশা ভ্যানে করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। কিন্তু আন্দোলন চলছিল।

তখন পুলিশ আরও সদস্য বৃদ্ধি করে নির্মমভাবে আক্রমণ শুরু করে। এক পর্যায়ে দৌড়ে এসে আমার কর্মস্থল মিষ্টির দোকানে ঢুকে শার্টার লাগিয়ে দেই। কয়েকজন পুলিশ পিছু পিছু দৌড়ে এসে শার্টার ভেঙে দোকানে ঢুকে। আমাকে ধরে বুকে শটগান লাগিয়ে গুলি করার প্রস্তুতি নেয়। পরিস্থিতি বুঝে শটগানের নলটা হাতে ঠেলে নিছের দিকে নামিয়ে দেই। এতে গুলিটা বাম পায়ে লাগে। আমি মেঝেতে পড়ে গেলে পুলিশ চলে যায়। রক্তে সব ভেসে যায়।

তখন আশপাশের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে কাছের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। চিকিৎসক পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যেতে বললেও যাওয়া সম্ভব হয়নি। তখন পুলিশ আহতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছিল। সরকারি হাসপাতালে গেলে গ্রেফতার করবে সেই ভয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই। গুলিতে পায়ের মূল শিরাগুলো ছিঁড়ে গিয়েছিল। ৩ দিন পর রাতের আঁধারে একটি গাড়িতে করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসক পা কেটে ফেলেন।

আকাশ আরও জানায়, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে পা হারিয়েছি। তাতে দুঃখ নেই। স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে। দেশ মুক্ত হয়েছে। এখন যারা ক্ষমতায় আছে তারা অন্তত আমার চিকিৎসার দায়িত্বটুকু নিক। পঙ্গু হয়ে এক হাসাপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছি। বাবা-মা এলাকা থেকে ঋণ করে সুদে টাকা এনে চিকিৎসা করাচ্ছে। দুঃখ হলো প্রায় আড়াই মাসে কেউ খবরও নিতে এলো না। কোন সহায়তাও পেলাম না। নিজের জীবনের কথা না হয় বাদ দিলাম ছোট ভাইবোন ওদের পড়াশোনা খাওয়া দাওয়া ভরণপোষণ কে চালাবে এই চিন্তা করে কষ্ট পাই। এছাড়া চিকিৎসার ঋণই বা কিভাবে শোধ হবে। বেসরকারি একটা সংস্থা থেকে কিছু আর্থিক সহায়তা পেয়েছি। এছাড়া কেউ কোনও সহায়তা দেয়নি। বাড়িতে দীর্ঘদিন থেকেছি কেউ একজন সান্তনা দিতেও আসেনি। এটা আরও বড় দুঃখ।

আকাশের বাবা দুলাল মিয়া বলেন, ৪ লাখ টাকা ধার-দেনা করে সুদে এনে চিকিৎসা করিয়েছি। পা কাটা নিয়ে ছেলেটা গ্রামের বাড়িতে শুয়ে রয়েছে। এই আড়াই মাসে কেউ খবরও নেয়নি। পাইনি কোনো সহায়তা। গরীব মানুষ কোন জমিজমা নেই। ছেলেটার আয় দিয়েই পরিবারের খরচ চলতো। এখন তার পায়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকা সুদে আনতে হয়েছে। ছেলের জীবন তো শেষ। উল্টো ঋণের বোঝা কাঁধে। আল্লাহ জানেন এই ছেলে মেয়েগুলো নিয়ে কিভাবে চলব। দু’চোখে অন্ধকার দেখছি।

দুলাল মিয়া আরও বলেন, এক আত্মীয়ের মাধ্যমে আকাশকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। ইতিমধ্যে তার পাসপোর্টও করেছিলাম। সব স্বপ্নই তো শেষ। দেশের মানুষের মুক্তির জন্য আমার ছেলে পা হারিয়েছে। দেশ মুক্ত হলো কিন্তু কেউ তার চিকিৎসার ভার নেইনি। খোঁজখবর নেয়নি। আর্থিক সহায়তাও করলো না কেউ। ছেলেটাকে দেখে স্বান্তনা দিতেও বাড়িতে এতদিনে কেউ আসেনি। দুঃখ শুধু এটুকুই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ