আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের লাইফ লাইন -নৌপরিবহন উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামাম বন্দরে অভিযোগ ছিলো জাহাজ আনলোড করে বন্দর ছেড়ে যেতে ১০ দিনের বেশি সময় লাগে। সেজন্য আজকে আমি একটা জাহাজ পরিদর্শন করেছি এবং ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলেছি। তাদের মতে ম্যানুয়ালি আনলোড করতে ৬ থেকে ৭ দিন সময় লাগে। যদিও এখন আগের তুলনায় লোড আনলোডের সময় অনেক কমে এসেছে। লোড আনলোডে যদি অটোমেশন আনতে পারি তবে এ সমস্যা সমাধান হবে। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।
নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল ও বে-টার্মিনাল এবং লালদিয়ার চর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের লাইফ লাইন। এখানে যে ধরনের অব্যবস্থাপনা ছিল তা দূর করা না গেলে আমাদের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য হুমকির মুখে পড়বে। সে জন্যই আমি চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসেছি। পোর্টের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলেছি।
ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পোর্টের অব্যবস্থাপনার জন্য পোর্ট একা দায়ী নয়। এখানে এখনো ২০ বছরের পুরাতন কন্টেইনার, ১২ থেকে ১৪ বছরের গাড়ি পড়ে আছে। এভাবে চলতে থাকলে পোর্টের কার্যকারিতা বাড়ানো কোনভাবেই সম্ভব নয়। পড়ে থাকা কন্টেইনার বা গাড়ি নিলাম করার কাজ এনবিআরের। আমি নোট নিয়েছি, কিভাবে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায়। এ নিয়ে এনবিআরের চেয়াম্যানের সাথে কথা বলবো।
উপদেষ্টা বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বেড়ে চলেছে। বহু বছর পরে এ কার্যক্রম বহুগুণে বেড়ে যাবে। বর্তমানে প্রতি কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং এর জন্য আমরা প্রায় ১৮ ডলার পাচ্ছি। হ্যান্ডলিং কার্যক্রম বাড়লে আয়ও বহুগুণ বেড়ে যাবে। তাছাড়া বে-টার্মিনালে বিনিয়োগ করার জন্য দেশি-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অপেক্ষা করছে। বে-টার্মিনাল চালু হলে আমাদের আয় আরো বহুগুণে বোড়ে যাবে। তাই কোনভাবেই বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করা যাবে না। এসময় তিনি যে কোন সেক্টরের অনিয়ম, দুর্নীতিসহ সকল অব্যবস্থাপনার কথা তুলে ধরতে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি আমলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি : চসিক মেয়র।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন নিয়ে আজও তেমন কোনো প্রশ্ন ওঠে না, কারণ ওই নির্বাচনগুলো ছিল স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য। একইভাবে ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার নির্বাচন নিয়েও বড় কোনো বিতর্ক নেই। সে সময় সব পক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া সরাসরি দেখেছে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছে।

মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর আয়োজনে, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলার সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ১৯৯৪ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী নির্বাচন করেছিলেন এবং সে নির্বাচন নিয়েও কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। জোট সরকারের আমলেও তিনি আবার মেয়র নির্বাচিত হন, তখনও নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়নি। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিএনপি কখনও নির্বাচনে ‘নগ্ন হস্তক্ষেপ’করেনি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আ জ ম নাছির উদ্দীন ও রেজাউল করিম চৌধুরীর ক্ষেত্রে যে পরিস্থিতি দেখা গেছে, মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় সে রকম চিত্র দেখা যায়নি। এতে নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

মেয়র বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংবাদিকতা কেবল খবর পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গণমাধ্যম নেতৃত্ব গঠন, রাজনৈতিক ইমেজ নির্মাণ এবং গণআন্দোলনের গতিপথ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে আশির ও নব্বইয়ের দশকে ছাত্ররাজনীতি ও জাতীয় রাজনীতির বিকাশে গণমাধ্যম ছিল এক অনিবার্য শক্তি।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পিআইবির পরিচালক (প্রশাসন) কাজী মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উপকমিটির উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলী পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম ও পিআইবি প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। এছাড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোস্তাফিজুর রহমান, মনিরুল ইসলাম পারভেজ, মাইনুদ্দীন, জীবন মুছা ও আজিজা হক পায়েল।

অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহসভাপতি ডেইজি মওদুদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং আরিচ আহমেদ শাহ।
প্রসঙ্গত, পিআইবির আয়োজনে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১০০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে জাহাজ এসেছে ৪৩৯৬টি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছর বিভিন্ন সময়ে দাবি আদায়ের জন্য এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন ও কর্মবিরতি, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের কয়েক দফা ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হলেও কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে। বিশেষ করে শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি, পরিবহন ধর্মঘটসহ নানা প্রতিকূলতার পরও বছর শেষ হওয়ার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বেড়েছে বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যাও।

বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাহাজ এসেছে ৪৩৯৬টি, ২০২৪ সালে বন্দরে মোট জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩৮৫৭টি।২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪১০৩; ২০২২ সালে ৪৩৬১টি, ২০২১ সালে ৪২০৯টি এবং ২০২০ সালে ৩৭২৮টি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। অন্যদিকে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫৭৭ টিইইউএস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের), যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৭ টিইইউএস।তার মানে চলতি বছর শেষ হওয়ার চারদিন আগেই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আগের বছরের চেয়ে ৮৭ হাজার ৯৫০ টিইইএস কন্টেইনার বেশি হ্যান্ডলিং করেছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৩০ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৩ টিইইউএস, ২০২২ সালে ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৫০৪ টিইইউএস, ২০২১ সালে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৫৪৮ টিইইউএস এবং ২০২০ সালে ২৮ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। অন্যদিকে চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্গো (খোলা পণ্য) হ্যান্ডলিং হয়েছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৬ টন। আগের বছরে এই পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৩৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৪ টন। অর্থ্যাৎ, চলতি পঞ্জিকাবর্ষে ১ কোটি ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭২ ক টন বেশি পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানা গেছে, ২০২৩ সালে ১২ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার ২৯৩ টন, ২০২২ সালে ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮২ টন, ২০২১ সালে ১১ কোটি ৬৬ লাখ ১৯ হাজার ১৫৮ টন এবং ২০২০ সালে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৯ হাজার ৭২৪ টন খোলা পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে।

বন্দর কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দরের ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতার কারণে এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চলতি বছর শেষ হতে বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। তার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে এ অগ্রগতি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ার দিকটাই নির্দেশ করে। আগামীতে আরও বেশি হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, এক পঞ্জিকাবর্ষে আমরা আগেরবারের চেয়ে বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছি। বছর শেষ হতে বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। বছর শেষে এ পরিমাণ আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, চলতি বছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বন্দরের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে রেকর্ড পরিমাণে কন্টেইনার এবং কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে।জাহাজের অপেক্ষমান সময় প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা গেছে। এর ফলে জাহাজ সাথে সাথে বার্থিং পাচ্ছে এবং দ্রুত পণ্য খালাস সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “ই-গেট পাস, কন্টেইনার ট্র্যাকিং এবং স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট সিস্টেমের ফলে স্বচ্ছতা এসেছে এবং ভোগন্তিও কমেছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো মার্কি কোস্ট গার্ডের আইএসপিএস অডিটে প্রথমবারের মতো ‘জিরো অবজারভেশন’ পেয়ে নিরাপদ ও আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন বন্দরে পরিণত হয়েছে।

আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ আরো বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সময়োপযোগী নীতিমালা বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অর্জন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বন্দরের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ