আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার্ভেয়ারদের কর্মবিরতি পালন

বদিউজ্জামান রাজাবাবু চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (সার্ভেয়িং) ডিগ্রিধারী সার্ভেয়ার/সমমানের পদে কর্মরতদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে গত ১ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট চলছে। বৈষম্যবিরোধী সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ছাত্র-পেশাজীবী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের ব্যানারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দায় অবস্থান নিয়ে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন।
মঙ্গলবার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসনে কর্মরত সার্ভেয়ার জাহাঙ্গীর হোসেন, গণপূর্ত বিভাগে কর্মরত সার্ভেয়ার নাজমুল হোসেন, সদর উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত সার্ভেয়ার গোলাম সাকলাইন ও মতিউর রহমান, নাচোল উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মাহমুদুল হাসানসহ অন্যরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার্ভেয়ারদের চলছে পূর্ণ কর্মবিরতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে দ্বিতীয় দফায় প্রথম দিনের মতো ডিপ্লোমা সার্ভেয়াররা পূর্ন কর্মবিরতি পালন করেছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিভিন্ন অফিসে কর্মরত সার্ভেয়াররা তাদের অফিসিয়াল (নিয়মিত) কাজ বন্ধ রেখে “বৈষম্য বিরোধী সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ছাত্র-পেশাজীবি অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ” ব্যানারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ফটকের সামনে কর্ম-বিরতি কর্মসূচী পালন করে। সারাদেশের ন্যায় সরকারের সকল মন্ত্রণালয়,অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও সংস্থায় ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারী সার্ভেয়ারগন অন্যান্য সকল ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারীদেরনন্যায় বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন করার দাবিতে এই কর্ম-বিরতি পালন করছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সার্ভেয়াররা।
কর্ম-বিরতিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ গোলাম সাকলায়েন ও মোঃ মতিয়ার রহমান, নাচোল উপজেলা ভূমি অফিসের মোঃ মাহমুদুল হাসান, এল.জি.ইডি অফিসের মোঃ আঃ হাকিম, গোমস্তাপুর উপজেলা ভূমি অফিসের মোঃ মিজানুর রহমান, এল জি ই ডি অফিসের মোঃ শফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের শামিম আখতার, ভোলাহাট উপজেলা ভূমি অফিসের মোঃ লেমন কাউসার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা এল, জি,ইডি অফিসের আব্দুল্লাহ আল মামুন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক বিভাগ মোসাঃ মর্জিনা খাতুন, গোদাগাড়ী উপজেলা এল, জি,ইডি অফিসের মোসাঃ রওশন আরা আখিঁ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মোঃ মাসুদ রানা, গণপূর্ত বিভাগের মোঃ নাজমুল ইসলামসহ জেলার সকল অফিসের ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারী সার্ভেয়ারগন উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচী চলাকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক কর্যালয়ের সার্ভেয়ার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সোমবার এবং মঙ্গলবার পুর্ন দিবস কর্মসূচী পালনের ঘোষনা দিয়ে বলেন, আমাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের নিয়মিত কাজে ফিরবনা।
এদিকে, সার্ভেয়ারদের কর্ম-বিরতির কারনে জেলার সকল অফিসে ভূমি জরিপ সংক্রান্ত কাজে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সাধারন জনগন ভূমি জরিপ সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কর্ম-বিরতি পালনকারী সার্ভেয়ারগন আরো জানান, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ এর প্রতিপাদ্য বিষয় বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে অন্যান্য সকল ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এর ন্যায় ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (সার্ভেয়িং) পাশকৃতদের সার্ভেয়ার/সমমান পদে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে/২য় শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করার জন্য ১৯৯৪ সালের ১৯ নভেম্বর সর্বস্থাপন মন্ত্রণালয়ের ১৬৪ নম্বর প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের তথা পুনরায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে “বৈষম্য বিরোধী সার্ভে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ছাত্র-পেশাজীবি অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ” ১ অক্টোবর থেকে লাগাতার কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্ম-বিরতি পালন করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ