আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান, আমরা খণ্ডিত মানুষ নয়

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

ফারুক ই আজম,, বীর প্রতীক উপদেষ্টা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রাম, ২৬ আশ্বিন, (১০ অক্টোবর):

আইন প্রণীত হয় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান, আমরা কেউ খণ্ডিত মানুষ নয়। আইন কেবলমাত্র মানুষের জন্যই আইন প্রনয়ণ করা হয়। সুতরাং প্রত্যেক মানুষ আইনের সম অধিকার পাচ্ছে কিনা সেটি নিশ্চিত করতে কাজ করছি।

আজ দুর্গাপূজা ২০২৪ এবং বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন বিষয়ে নগরীর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক এসব কথা বলেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা বলেন, অসাধারণ সুন্দর ও সমৃদ্ধ আমাদের এই বাংলাদেশ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে নানা ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে আমাদেরকে বিপর্যস্ত পর্যায়ে পড়তে হয়েছে। ২০২৪ এর ছাত্রজনতার বিজয় অতীতের সকল অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং পরিবর্তনের সুযোগ। আমি বিশ্বাস করি যদি সকলে এক সুরে গাইতে পারি, সকলকে এক সুতোই গাঁথতে পারি তবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

উপদেষ্টা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্থ করে বলেন, এবারের দুর্গাপুজায় নির্বাহী আদেশে এক (১) দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এটি যেন সাধারণ ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয় সে জন্য সকল মহলের সাথে আলোচনা করবো।

এসময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় কোন ঘটনা ঘটার সাথে সাথে যাচাই বাছাই না করে সিদ্ধান্ত না নিতে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া (বিপিএম সেবা), র‌্যাব, এনএসআই, আনসার ও ভিডিপিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ