আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম-নাজিরহাট ট্রেন নিয়মিত।। দোহাজারী রুটে বন্ধ

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইনে ডেমু ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকা ‘রহস্যজনক’ মনে করছেন ওই রুটের যাত্রীরা। তাদের প্রশ্ন নাজিরহাট লাইনে ট্রেন নিয়মিত চালু থাকলে দোহাজারী লাইনে কেন বন্ধ? অথচ এই রুটে ট্রেন চললে সড়কপথের তুলনায় যাত্রীদের যাতায়াত ও পণ্যপরিবহন খরচ কমে যাবে কয়েকগুণ। এছাড়া এলাকায় উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে উন্মোচিত হবে নতুন দিগন্ত। এদিকে ওই রুটে ডেমু-ট্রেন পুনরায় চালুর দাবি জানিয়ে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ নাজমুল ইসলামের কাছে সম্প্রতি স্মারকলিপি দিয়েছেন সমাজসেবক ও মানবাধিকারকর্মী ডা. শাখাওয়াত হোসাইন হিরু। এ সময় সঙ্গে ছিলেন নজরুল ইসলাম আলমদার, আবুল হোসেন ছাবের, ফিরোজুল আলম চৌধুরী পলাশ প্রমুখ।
ডা. শাখাওয়াত বলেন, ‘আমি পটিয়ার খানমোহনা স্টেশনের বাসিন্দা। শৈশব থেকে দেখে আসছি, চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইনে চার জোড়া ট্রেন চলাচল করত। একটি ডেমু ট্রেনও চলতো। সর্বশেষ ডেমুটিও বন্ধ হয়ে গেছে। চাকরি, ব্যবসা ও শিক্ষার জন্য দোহাজারী থেকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়মিত আসা যাওয়া করেন হাজারো লোক। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ডেমু ট্রেন চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইতোপূর্বে রেলওয়ের বিভিন্ন সভায় আমি ডেমু ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে আসছি। জানা গেছে, পাহাড়তলী লোকোশেড থেকে একটি ডেমু ট্রেন মেরামত শেষে শিগগিরই রেলপথে যুক্ত হবে। এটি চট্টগ্রাম-দোহাজারী রুটে চালু করলে ওই রুটের যাত্রীরা উপকৃত হতেন। শাখাওয়াত বলেন, ‘নাজিরহাট লাইনে ট্রেন নিয়মিত চালু থাকলে আমাদের চট্টগ্রাম-দোহাজারী লাইনে কেন বন্ধ থাকবে? অভিযোগ রয়েছে, দোহাজারী লাইনের অনেক যাত্রী বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ করেন। এতে সরকার রাজস্ব হারায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেলওয়ে। যাত্রীদের টিকিট ছাড়া ট্রেনে না চড়ার অনুরোধ জানিয়ে শাখাওয়াত বলেন, ‘আপনারা একটি শক্তিশালী যাত্রী কল্যাণ সমিতি গঠন করুন। যা নাজিরহাট যাত্রী সমিতির মতো কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ‘নাজিরহাট লাইনের যাত্রীরা দোহাজারী লাইন থেকে রেলওয়েতে আয় (রাজস্ব) অনেক বেশি দিচ্ছে। সেজন্য কারিগরি ত্রুটি ছাড়া কখনও নাজিরহাট লাইনে ট্রেন বন্ধ থাকে না কিংবা এ যাবত বন্ধ হয়নি। যাত্রীদের প্রতি শাখাওয়াতের অনুরোধ, ‘যদি তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে উঠে পড়েন তাহলে পরবর্তী স্টেশনে নেমে হলেও টিকিট করবেন কিংবা নিজ নিজ গন্তব্যে নেমে টিকিট করে নিবেন। এদিকে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ভিআইপি লাউঞ্জে সম্প্রতি একটি অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছালেহ আহম্মদ-হাসান বানু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডা. মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন হিরু ছাড়াও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কমিশনার আনজুমান আরা বেগম। এতে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ডা. শাখাওয়াত বলেন, ‘পটিয়া দোহাজারীর বুকের ওপর দিয়ে ট্রেন যদি কক্সবাজারে চলাচল করতে পারে; তাহলে দোহাজারী লাইনে কেন ট্রেন চলবে না ।
তিনি অবিলম্বে দোহাজারী লাইনে ডেমু ট্রেন এবং নাজিরহাট লাইনের মত সাধারণ ট্রেনও চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ