আজঃ শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে বিশেষ অভিযান বিশেষ টাস্কফোর্স’র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স। কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, অভিযানে মূলত তারা দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর কারসাজির সঙ্গে জড়িত ‘অদৃশ্য’ সিণ্ডিকেটের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হলেও অদৃশ্য সিন্ডিকেটের হদিস মেলেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে শিথিলতা নিয়ে অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হুঁশিয়ারির পর রোববার দুপুরে দেশের অন্যতম বড় ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রাম নগরীর খাতুনগঞ্জে এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক।
এর আগে গত শনিবার অন্তবর্তীকালীন সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া চট্টগ্রামে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্সের অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চট্টগ্রামে টাস্কফোর্সের অভিযান অন্যান্য জেলার চেয়ে কম উল্লেখ করে উপদেষ্টা সরকারকে অসহযোগিতার চেষ্টার অভিযোগ করেন এবং এ বিষয়ে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দেন।
উপদেষ্টার ক্ষোভ প্রকাশের পরদিনই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন প্রতিনিধি নিয়ে রোববার খাতুনগঞ্জে অভিযানে যান টাস্কফোর্সের সদস্যরা। অভিযানে কৃষিপণ্য বিপণন আইনের সনদ না থাকায় দ্বীন অ্যান্ড কোম্পানি ও দ্বীন অ্যান্ড সিন্ডিকেট নামে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার করে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া পণ্য কেনাবেচার পাকা রশিদ না থাকায় আল আমানত কিশমিস দোকানকে পাঁচ হাজার ও জাহানারা এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক সাংবাদিকদের বলেন, অভিযানে আমরা দুটি দোকানকে ৫০ হাজার টাকা করে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছি। তাদের দুই মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা অর্থদণ্ড পরিশোধ করায় তাদের আর কারাগারে যেতে হয়নি। কৃষিপণ্য বিপণন আইন অনুযায়ী তাদের কাছে যে লাইসেন্স থাকার কথা সেটা তাদের কাছে ছিল না। তারা যে ব্যবসা করছে তার কোনো সরকারি লাইসেন্স নেই। এ ছাড়া এখানে কোনো অদৃশ্য সিন্ডিকেট আমরা খুঁজে পাইনি। আমরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। যদি কোনো সিন্ডিকেট পাই সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।
বিশেষ টাস্কফোর্সে থাকা ছাত্র প্রতিনিধি মো. জুবায়েদ বলেন, প্রশাসনের বাধ্যবাধকতা থাকে। গতানুগতিক কথা বলে থাকেন উনারা। কিন্তু আমরা দেখেছি, অভিযান পরিচালনা করার সময় দোকানগুলোতে কোনো কাগজপত্র নেই। পণ্য কী দামে সংগ্রহ করেছে তার কোনো ডকুমেন্টস তাদের কাছে নেই। ওরা বলেছে কমিশনের ওপর তারা পণ্য রেখেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের ১১ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবহাওয়া অফিস দেশের ১১ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে । এজন্য নদীবন্দরগুলোকে সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রবিবার (৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে – ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ হতে পারে।এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আগামী ৩ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস সোমবার ৪ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের বিস্তৃতি কিছুটা পরিবর্তন হয়ে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসময় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার ৫ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রা পুনরায় সামান্য বাড়তে পারে।বুধবার ৬ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ছবি -সংগৃহীত
www.banglajgaborpatrika.com

৪ মে পর্যন্ত দেশজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের সব বিভাগে ৪ মে পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির অব্যাহত থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে দেশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টিতে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও সারা দেশের সব নদী বন্দরগুলোতে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়েছে। বিগত কয়েকদিনে এমন নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অফিস বলছে, দেশের ছয় বিভাগের কয়েকটি স্থানে শুক্রবার (১ মে) বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। রাজধানীতেও আরও বৃষ্টি হতে পারে। এতে দেশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলার নদীগুলোয় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের সব বিভাগেই ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ