আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহীতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলাপ্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই রাজশাহীর বাঘার পদ্মা নদী এলাকায় চলছে অবাধে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব। সকাল থেকে কয়েকশ’ মাছ ধরার ডিঙ্গি নৌকা ও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুরো নদী। পুরো নদী জুড়ে ইলিশ নিধনের উৎসব চললেও প্রশাসনের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। অভিযোগ রয়েছে, ইলিশ রক্ষা অভিযান দলের মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করেই অবাধে ইলিশ নিধন করছেন জেলেরা। ওই অসাধু ব্যক্তিরা বিশেষ সুবিধা নিয়ে প্রশাসনের অভিযানে নামার খবর জেলেদের কাছে পৌঁছে দেয়। এতে জেলেরা সতর্ক হয়ে যান। অভিযান শেষে পুনরায় নদীতে জাল নিয়ে নামে তারা।

জানা যায়, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা নদীর চকরাজাপুর,মনিগ্রাম ইউনিয়নের চকরাজাপুর, চরকালিদাস খালী, আতারপাড়া,পলাশী ফতেবপুর, সড়কঘাট, খায়েরহাট, মুশিদপুর, সরেরহাট কিশোরপুর, আলাইপুর,মীরগঞ্জ, চর ব্যারেট, শৌলা তারের পোল, পয়েন্টে অবাধে চলে ইলিশ শিকার। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় জেলেরা নদীতে মাছ শিকারে নামেন। অসাধু লোকদের মাধ্যমে প্রশাসনের অভিযানের খবর পৌঁছে যায় জেলেদের কাছে।যার কারণে নিয়মতি অভিযান চললেও ইলিশ শিকার বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট এমন একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, বাঘা পদ্মার উপজেলা মৎস্য বিভাগ একাধিক টিমে ভাগ হয়ে নদীতে অভিযান চালায়। এসব অভিযানে দ্রত গতির ট্রলাার ও স্পিড বোট ব্যবহার করা হয়। এসব ট্রলার ও স্পিড বোটের যারা মাঝি থাকেন তারাই জেলেদের কাছে অভিযানের সংবাদ পৌঁছে দেন। এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধরা মাছ নদীর আশেপাশে গোপনে বিক্রি করা হয়। এ বিক্রির সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালীরা জড়িত থাকেন। জেলেদের কাছ থেকে কম দামে ইলিশ মাছ কিনেন স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের সদস্যরা। তাদের রয়েছে সিন্ডিকেটও। ওই সিন্ডিকেটের বাহিরে জেলেরা অন্যদের কাছে মাছ বিক্রি করতে পারেন না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, অভিযান চলমান রয়েছে। যদি মৎস্য বিভাগ বা নৌ-পুলিশের কোনো সদস্য বিশেষ কোনো সুবিধা নিয়ে জেলেদের কাছে অভিযানের তথ্য ফাঁস করে এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-৯ আসনে এমপি পদপ্রার্থীর গাড়িতে হামলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বৃহত্তর সুন্নি জোট সমর্থিত ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মনোনীত চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রচারণার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার সাবেরিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এতে তার গাড়িবহরের সামনের গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওয়াহেদ মুরাদ বলেন, প্রচারণার প্রথম দিনে আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী মইনুউদ্দিন আশরাফীর বাসায় দোয়া নিতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আন্দরিকল্লা আসার পথে কে বা কারা আমার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে। এতে গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়।


তবে কেউ আহত হয়নি। কারা হামলা করতে পারেন এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই আসনে অনেক জনপ্রিয়। আমার জনপ্রিয়তা দেখে হামলা করতে পারে। তবে কে বা কারা হামলা করছে জানি না। আমাকে ভয় দেখাতে হামলা হতে পারে। আমি বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি।এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন বলেন, গাড়িতে ইটের আঘাত করা হয়েছে, এমন একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টির খোঁজখবর নিচ্ছি।

চট্টগ্রামে হাজী কাচ্চি ঘর সিলগালা জরিমানা গুনল দুই প্রতিষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ‘হাজী কাচ্চি ঘর’ নামে একটি রেস্তোরাঁ সিলগালা করা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।খাবারে নিষিদ্ধ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রঙের ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের অভিযোগে বুধবার নগরের চান্দগাঁও এলাকার মোহরায় এই অভিযানে পরিচালনা করা হয়।

একই অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ কেক ও রসমালাই বিক্রির দায়ে ‘দোহা ফুড’কে ১৫ হাজার টাকা এবং অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার ও মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি বিক্রির অপরাধে ‘খাজা স্টোর’কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ জানান, হাজী কাচ্চি ঘর নামের ওই প্রতিষ্ঠানে রান্নায় প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রঙের ব্যবহার পাওয়া গেছে।

এছাড়া রান্নার জন্য মজুত রাখা হয় বাসি গ্রিল ও চিকেন ফ্রাই। অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করা হয়। এছাড়া আরও দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে অনুমোদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ – ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় এতে অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর প্রেস রিলিজে বলা হয় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এইপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ