আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চবিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাইকোথেরাপি সেন্টার স্থাপনের গুরুত্বারোপ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তাগণ গুরুত্বারোপ করেন ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক একটি এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি সেন্টার স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের।
মানসিক স্বাস্থ্য ইস্যুতে কর্মরত নেটওয়ার্ক মেন্টাল হেলথ অ্যাডভোকেসি অ্যাসোসিয়েশন (মা), উন্নয়ন সংস্থা ইউনাইট থিয়েটার ফর সোশাল অ্যাকশন (উৎস) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর যৌথ উদ্যোগে ডিয়াকোনিয়া’র সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মজুমদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উৎস’র নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল যাত্রা। দিবসের প্রতিপাদ্য নিয়ে ধারণা পত্র উপস্থাপন করেন উৎস’র প্রোগ্রাম অফিসার রীপা পালিত ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎস’র কর্মসূচি সমন্বয়কারী মুহাম্মদ শাহ্ আলম।
প্রধান অতিথি জনাব ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন: ‘কর্মস্থল হিসাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যতবেশি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব হবে ততবেশি গুনগতমানের শিক্ষা নিশ্চিত হবে। কারণ মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব পরিবেশ না থাকলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত হতে পারবে না’।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন:‘করোনাকালীন সময়ে কেন্দ্রিয় চিকিৎসা কেন্দ্রে যেই মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা শুরু করা হয়েছিল তাকে আরো সুসংগঠিত করার মাধ্যমে আমরা একটি স্বতন্ত্র মনোস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করবো। এক্ষত্রে দাতা সংস্থাদের সহায়তা প্রত্যাশা করছি’। বিশেষ অতিথি ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন: ‘মানসিক সমস্যার ঔষধী চিকিৎসার পাশাপাশি ঔষধবিহীন পদ্ধতিতে চিকিৎসা পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি বিকল্প ধারার সৃজনশীল কলা পদ্ধতিভিত্তিক একটি এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয় তবে তা মনোস্বাস্থ্যসেবার সুযোগকে আরো প্রসারিত করবে। ওয়ান টু ওয়ান পদ্ধতিতে ২৮০০০ শিক্ষার্থী, ২০০০ শিক্ষক এবং ৩০০০ কর্মি, কর্মকর্তা মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গুনগত মান রক্ষা করে প্রদান করা কঠিন। সেক্ষেত্রে গ্রুপ সাইকোথেরাপি পদ্ধতিতে মনোস্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপির বিকল্প নেই’।
মুক্ত আলোচনায় নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরাফাতুল আলম বলেন: ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষাকর্মি হিসাবে আমার উপলব্ধি হলো; শরীরের পাশাপাশি মনের স্বাস্থ্যের গুরুত্বও অপরিসীম। বিগত ১২ বছরে আমাদের এই প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসিক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে ১৮জন শিক্ষার্থী তাদের নিজেদের প্রাণ বিষর্জন দিয়েছে। যদি আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব অনুকুল পরিবেশ থাকতো তাহলে হয়তো এত প্রাণহানী হতো না। আমাদের প্রতিটা ফ্যাকাল্টিতেই একটি করে মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব কর্ণার থাকা প্রয়োজন যেখানে থিয়েটার থেরাপি, কাউন্সেলিং, সাইকোথেরাপি, এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপির প্রয়োগের মাধ্যমে মানসিকভাবে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের সেবা প্রদান করা যেতে পারে’।
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন: ‘ভর্তির শুরুতেই ক্যাম্পাসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। কিছুদিন যাওয়ার পরই হলে সিট পাওয়া নিয়ে চাপ, র‌্যাগিং, রাজনীতি, ক্যারিয়ার ভাবনার মারপ্যাচে আমাদের ভিতর হতাশা ভর করে। এই হতাশার ফলে আমাদের ভিতর যে চাপ তৈরী হয় তা প্রশমনের জন্য আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোন মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহায়তা কেন্দ্র। ফলে অকালে অনেক মেধাবী চাপে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ঝড়ে যায়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহায়তা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত থাকতো তবে আমাদের ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক জীবন অনেক সুন্দর ও আনন্দঘন হতো বলে আমি বিশ্বাস করি’।
উক্ত আলোচনা সভার সভাপ্রধান সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মজুমদার তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন: ‘আজকের সেমিনার পত্রে যে সুপারিশগুলো করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে বর্তমান প্রশাসন কার্যকরীভাবে উদ্যোগ নিলে শুধু শিক্ষার্থী নয়; শিক্ষক, কর্মচারী ও কর্মকর্তারাও একটি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব কর্ম পরিবেশ পাবে। যা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গুনগত শিক্ষার মানকে আরো উন্নত করবে’।
উল্লেখ্য যে আলোচনার শুরুতে যে সেমিনার পত্রটি উপস্থাপন করা হয় তাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মানসিক স্বাস্থ্য বান্ধব শিক্ষালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিম্নের শুপারিশগুলো উপস্থাপন করা হয়েছিল: ক) আবাসিক হলগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্যবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কার্যকর উদ্যোগ নেয়া ও মেন্টাল হেলথ সুপারভাইজার নিয়োগ করা;খ) অনুষদভিত্তিক ছাত্র পরামর্শক নিযুক্ত আছেন। একজন সম্মানিত অধ্যাপক অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এই পদায়নগুলো পূর্ণকালীন করে একজন সাইকোথেরাপিস্ট/ক্লিনিক্যাল সাইকোথেরাপিস্ট ও একজন এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপিস্ট নিয়োগ দেয়া হলে শিক্ষার্থীগণ সাবক্ষণিকভাবে পেশাদার কাউন্সিলিং সেবা পাবে।
গ) প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে একটি এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি সেন্টার স্থাপন করা, যাতে করে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের গ্রুপভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায়। ঘ) পর্যায়ক্রমে অনুষদভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা চালু করে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা সহজলভ্য করা। ঙ) বিভাগভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়ত ও সেবা গ্রহণ বিষয়ক অরিয়েন্টেশন। চ) মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় প্রফেশনাল গড়ে তুলতে এক্সপ্রেসিভ সাইকোথরাপি বিষয়ক উচ্চতর ডিগ্রি চালু করা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ