আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

সাঘাটায় বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান

সাঘাটা গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ১০নং বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান নাছিরুল আলম স্বপনের পদ শুন্য প্রজ্ঞাপন  ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়  বিভাগের উপসচিব ড. মাসুরা বেগম   স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন, পত্রের সূত্রে জানা যায়, সাঘাটা  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও  বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছিরুল আলম স্বপনের বিরুদ্ধে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য অভিযোগ করেন ২০২২—২৩ অর্থ  বছরে ১% এর উত্তোলনকৃত অর্থ ভুয়া কাজকর্ম দেখিয়ে আত্মসাৎ, ইউনিয়ন পরিচালনায় সরকার নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত অর্থ আদায়,আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর প্রকৃত ভূমিহীনদের  না দিয়ে অর্থের বিনিময়ে সচ্ছল পরিবারকে দেওয়া, হাট বাজারের ১৫% রাজস্ব টাকা কোন প্রকার রেজুলেশন না করে পূর্বের রেজুলেশন ফটোকপি করে সদস্যগণকে না জানিয়ে উত্তোলন করা, পবিত্র ঈদুল আজহার ভিজিএফ এর চাল বিক্রয়ের সময় জনগণের হাতে ধরা পড়া, বাড়ির প্রতি হোল্ডিং নম্বর প্লেট এর ফি বাবদ আদায়কৃত ১০০ টাকা ব্যাংক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করে আত্মসাৎ  সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ।  ইউনিয়ন পরিষদের  সদস্যদের মূল্যায়ন না করার অভিযোগ  আনেন ৯জন ইউপি সদস্য।    সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনোরঞ্জন বর্মন অভিযোগের তদন্ত করেন। তদন্তে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হয়। চেয়ারম্যান নাছিরুল আলম স্বপনের অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ইউপি সদস্যরা তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব  আনেন।সম্প্রতি,  সাঘাটা  উপজেলা সহকারী কমিশনার মনোরঞ্জন বর্মন ওই অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে গোপন ভোটের আয়োজন করে। এতে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ৯টি ও বিপক্ষে ৩টি ভোট পড়ে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং অনাস্থা প্রস্তাবের ফলাফল গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ করা হলে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে গত ২১ অক্টোবর সোমবার  বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এ ব্যাপারে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার  ইসাহাক আলী  প্রতিবেদককে  এ সংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন – আমীরুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পথশিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের ডিসি আমীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পথশিশুরা আমাদেরই সন্তান। অযত্ন ও অবহেলায় বেড়ে উঠলেও এদের মধ্যেও রয়েছে অসীম মেধা ও সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে “আমরা চাটগাঁবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পথশিশু ও কিশোরদের জন্য ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পথশিশুদের কাছে টানতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবিএম ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মওলা মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, পাঁচলাইশ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম এবং প্রোগ্রামের স্পন্সর ওয়াহিদ ইলেক্ট্রিশিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন।

আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাঁচলাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুল আবসার, স্বর্ণলতা স্কুলের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, আরটিআর তারেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠক তাহসান হাবিব, অধরা মেঘ কলি ও মোঃ আলীসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে ডিসি মহোদয় বাছাইকৃত শিশু-কিশোরদের নিজ কার্যালয়ে তুলে এনে ঈদের জামা উপহার দেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ