আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

সম্পাদক মুন্না খান ৫ মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসীদের গডফাদার খ্যাত শামীম ওসমানের দোসর হিসেবে পরিচিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানীমূলক ৫টি মামলা থেকে অবশেষে অব্যাহতি পেয়েছেন প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে থাকা জনপ্রিয় দৈনিক সংবাদচর্চা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মো. মুন্না খান। গত ১৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সম্পাদক মুন্না খানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৫টি মামলা অব্যাহতি প্রদান করেন।

এর আগে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংবাদ প্রকাশের জেরে বিগত ২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এমপি গডফাদার খ্যাত শামীম ওসমানের পরামর্শে ও সহযোগিতায় তার একনিষ্ট কর্মী হিসেবে পরিচিত ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান ফাইজুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল, ছাত্রলীগ নেতা হাসনাত রহমান বিন্দু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি শাহরিয়া রেজা হিমেল, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রাফেল দৈনিক সংবাদচর্চার সম্পাদক মুন্না খানের বিরুদ্ধে পৃথক ভাবে একে একে ৫টি মামলা দায়ের করেন।

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলেও তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শামীম ওসমানের পরামর্শ ও সহযোগিতায় ওই মামলাগুলো দায়ের করে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত সম্পাদক মুন্না খানকে হেনস্থা করে গেছেন। আদালতেও তাদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ থাকায় মামলা ঝুলে ছিলো দীর্ঘ ৫ বছর।

সম্পাদক মুন্না খানের পক্ষে কোন উকিল যেনো আদালতে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য তৎপর ছিলেন শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমানের নিয়ন্ত্রিত আইনজীবী সমিতির তৎকালিন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। কেউ সম্পাদক মুন্না খানের পক্ষে আইনী মোকাবেলা করতে গেলে তাকে প্রকাশ্যে দেখে নেওয়ার মত হুমকিও প্রদান করতেন ওসমানদের মদদপুষ্ট আইনজীবী নেতারা। এমনকি একাধিকবার ওকালতনামা ছিড়ে ফেলে দেয়ার ঘটনাও ঘটিয়েছিল তারা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে একাধিকবার ওয়ারেন্ট ইস্যুর মতো কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল নির্লজ্জ ভাবে। তবে, দেশের পটপরিবতর্নের মধ্য দিয়ে এসকল মামলার বেড়াজাল থেকে মুক্ত হন সম্পাদক মুন্না খান। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ওসমানীয় দোসরদের প্রতিটি মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

মুন্না খান দৈনিক সংবাদচর্চার সম্পাদক ও প্রকাশকের পাশাপাশি তিনি বেসরকারী টেলিভিশন গাজী টিভিতেও অত্যন্ত সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সন্ত্রাসীদের গডফাদার শামীম ওসমানের কর্মীদের মামলা থেকে মুন্না খান অব্যাহতি পাওয়ায় সাংবাদিক মহলেও সস্তি দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের কুথালিপাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক চলাকালে রানিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় সাবেক মেম্বার চান্দুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোজাফফর নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদ-ঈদগাহ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত -৪।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের কলকতির ঝবঝবিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-মোঃ কামিল ইসলাম (৩০), মোঃ হাসমত আলী (৩৬), মোঃ বাকি বিল্লাহ এবং মোঃ আব্দুল হাকিম (৩৫)। আহতরা সকলেই জামায়াতের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও সেটি বহাল ছিল। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে পূর্বের কমিটির সভাপতি পুনরায় একই পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এতে অন্য পক্ষ আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এদিকে এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ এস এম আরাফাত ফয়সাল জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের আঘাত গুরুতর নয় এবং চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ