আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৮৯৮ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর কক্সবাজার প্রতিনিধি: ৫০৫ জন নতুন রোহিঙ্গা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়াতে আসা ৩৯৩ জনসহ মোট ৮৯৮ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতে উখিয়া কলেজে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্ট হতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন এ-সব রোহিঙ্গারা। পরদিন নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় জাহাজ যোগে ভাসানচর পৌঁছাবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন। তিনি জানান, দীর্ঘ ৭ মাস বিরতির পর ২৫ তম ধাপে ৫০৫ জন নতুন রোহিঙ্গা ও আগে স্থানান্তর হওয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়াতে আসা ৩৯৩ জন রোহিঙ্গাকে ও পাঠানো হয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তর করা হবে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , সকাল থেকেই ভাসানচর যেতে আগ্রহী বিভিন্ন ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা উখিয়া কলেজ মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্টে জড়ো হতে থাকে। পরে ভাসানচর যেতে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রাতেই ২০টির অধিক বাস ও ট্রাক যোগে তাদের চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে নোয়াখালী ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। স্বইচ্ছায় ভাসানচরে যাওয়া একাধিক রোহিঙ্গা জানান, সন্ত্রাসীদের কারণে ক্যাম্পে আতংকে সাথে জীবনযাপন করতে হয়। নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তা নাই। তাই নিরাপদের জন্য আমরা ভাসানচরে চলে যাচ্ছি। আমাদের অনেক পরিচিত গেছে তারা ভালোই আছে। উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত ১ মার্চ, চারটি জাহাজে করে ২৪ তম ধাপে ১ হাজার ২৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হয়। ২৪ ধাপে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৫০৫ জন নতুন রোহিঙ্গা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়াতে আসা ৩৯৩ জনসহ মোট ৮৯৮ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতে উখিয়া কলেজে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্ট হতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন এ-সব রোহিঙ্গারা। পরদিন নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় জাহাজ যোগে ভাসানচর পৌঁছাবে।বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন।
তিনি জানান, দীর্ঘ ৭ মাস বিরতির পর ২৫ তম ধাপে ৫০৫ জন নতুন রোহিঙ্গা ও আগে স্থানান্তর হওয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়াতে আসা ৩৯৩ জন রোহিঙ্গাকে ও পাঠানো হয়েছে।এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তর করা হবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , সকাল থেকেই ভাসানচর যেতে আগ্রহী বিভিন্ন ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা উখিয়া কলেজ মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্টে জড়ো হতে থাকে। পরে ভাসানচর যেতে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রাতেই ২০টির অধিক বাস ও ট্রাক যোগে তাদের চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
সেখান থেকে নোয়াখালী ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

স্বইচ্ছায় ভাসানচরে যাওয়া একাধিক রোহিঙ্গা জানান,
সন্ত্রাসীদের কারণে ক্যাম্পে আতংকে সাথে জীবনযাপন করতে হয়। নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তা নাই। তাই নিরাপদের জন্য আমরা ভাসানচরে চলে যাচ্ছি। আমাদের অনেক পরিচিত গেছে তারা ভালোই আছে।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত ১ মার্চ, চারটি জাহাজে করে ২৪ তম ধাপে ১ হাজার ২৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হয়। ২৪ ধাপে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ