আজঃ মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

মানুষের দোরগোড়ায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে উখিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল

আবু বক্কর সিদ্দিক উখিয়া কক্সবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় সম্প্রতি উদ্বোধন হলো সম্পূর্ণ আধুনিক বিশেষায়িত উখিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল। এর আগে ২০২২ সালের জুলাই মাসে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পথচলা শুরু করেছিলো হাসপাতালটি। সম্প্রতি গণস্বাস্থ্যের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় হাসপাতালটির পাশে আর একটি ভবন নির্মাণ করে আরো উন্নত ও বড় পরিসরে পরিচালনার দায়িত্ব নেয় ফ্রেন্ডশিপ। উখিয়ার বিশাল স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিতে অভিজ্ঞ ডাক্তার ও এক ঝাঁক তরুণ স্বাস্থ্যকর্মীর সমন্বয়ে যাত্রা শুরু করেছে হাসপাতালটি।

আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউ এন এইচ সি আর এর অর্থায়নে নির্মিত স্পেশালাইজড হাসপাতালটির বর্তমানে সার্বিক পরিচালনায় রয়েছেন এনজিও সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ। গত (২০ অক্টোবর,২০২৪) রবিবার হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইওয়ামা কিমিনরি। উদ্বোধনী দিনে হাসপাতালটিতে দিনব্যাপী চোখের ছানি অপারেশন ক্যাম্পের আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ।

যেখানে ১৬ জন চক্ষুরোগীর ছানি অপারেশন করা হয়। এছাড়া ২০ ও ২১ অক্টোবর,২০২৪ রবিবার এবং সোমবার দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত মাইনর সার্জারী ক্যাম্পে ৮৩ জন উপকারভোগীর অপারেশন সম্পন্ন করা হয়, যেখানে খৎনা ও টিউমার অপারেশন করেন ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ সার্জন টিম।

এছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮-৩০ মিনিট থেকে ৪-৩০ মিনিট পর্যন্ত বহির্বিভাগে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের তত্বাবধানে মাতৃস্বাস্থ্য বিষয়ক চিকিৎসা সহ দন্তরোগ, চক্ষুরোগ, ফিজিওথেরাপি, এক্স রে, আল্ট্রাসনোগ্রাফিসহ আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ল্যাবরেটরি টেষ্ট সেবা দিয়ে যাচ্ছেন হাসপাতালে নিয়োজিত চিকিৎসক ও ল্যাব টেকনিশিয়ানগণ।

জরুরী বিভাগে ২৪ ঘন্টা ৭ দিন ফ্রি চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে হাসপাতালটিতে। ইতোমধ্যে ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ নানাবিধ বার্ধক্যজনিত রোগের চিকিৎসা সহ ঔষধ প্রদানও শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বেশ ক’জন উপকারভোগী জানান, স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে তারা বেশ সন্তুষ্ট, তারা এই হাসপাতালটিকে গরীবের প্রাইভেট হাসপাতাল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম যেনো চলমান থাকে।

উখিয়ার কুতুপালং নিবাসী ছমিউদ্দীন জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ কোমর ব্যথায় ভুগছিলেন, তার চলা ফেরা উঠতে বসতে খুবই কষ্টকর হয়ে পড়লে কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও কোন ভালো ফল না পেয়ে অবশেষে স্পেশালাইজড হাসপাতালে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে তিনি স্বাভাবিক চলাফেরা করছেন।

হাসপাতালের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে,ফ্রেন্ডশিপের স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক ডাক্তার রাফি আবুল হাসনাত সিদ্দিক জানান, কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলায় অবস্থিত একমাত্র বিশেষায়িত আধুনিক হাসপাতাল এটি।

উখিয়া টেকনাফের সাধারণ জনগোষ্ঠীসহ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদেশ্য। তিনি আরো বলেন, সামনের দিনে আমরা এই সেবার পরিধি আরো বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি, এ ব্যপারে তিনি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চমেক হাসপাতালে পানির প্ল্যান্টে দৈনিক মেটাবে ১ লাখ মানুষের তৃষ্ণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা চালু করেছে দুর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন। রোগী, স্বজন ও দর্শনার্থীদের জন্য রোববার এ ব্যাবস্থা চালু করেছে। মানবিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ মানুষ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করার সুযোগ পাবেন।

জানা গেছে, প্ল্যান্টটি থেকে হাসপাতাল ভবনে মোট ৪০টি পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে, যাতে রোগী ও স্বজনদের পানির জন্য আর বাইরে যেতে না হয় বা অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে না হয়। এ বিশুদ্ধ খাবার পানি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। পুরো প্রজেক্টটি সচল রাখার জন্য একজন মানুষকে মাসিক বেতনভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্ল্যান্টটি প্রতিদিন ১ লাখ মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে সক্ষম। পানযোগ্য বিশুদ্ধ পানির অভাবে অনেক সময় তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এছাড়াও হাসপাতালের আশেপাশের দোকানগুলোর বিরুদ্ধে পানির বোতল বিক্রিতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বহুদিন ধরে।

রোববার হাসপাতালের প্রধান ভবনের নিচতলায় পানির প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবু আবিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শামসুল আলম। ফিতা কেটে ও পানি পান করে প্ল্যান্টটি উদ্বোধন করেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম বলেন, মানুষকে পানি পান করানো অনেক সওয়াবের কাজ। চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই প্রজেক্ট সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেছেন। আমরা সবাই আল্লাহকে খুশি করার জন্য কাজটি করেছি। ভবিষ্যতেও এমন কাজে আমরা ফাউন্ডেশনের পাশে আছি।হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগে বিশুদ্ধ পানি বাইরে থেকে কিনে আনতে হতো। এখন প্রতিটি ফ্লোরেই সহজে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানি পাওয়া যাবে, যা অনেক স্বস্তির।

প্রজেক্টের মূল উদ্যোক্তা ও দুর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে বিশুদ্ধ পানি অন্যতম। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন লাখো মানুষের যাতায়াত। রোগী, স্বজন ও দর্শনার্থীরা অনেক সময় পানযোগ্য বিশুদ্ধ পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। সেই জায়গা থেকেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
ভবিষ্যতেও দুর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যাণে, মানবতার সেবায় এবং সমাজের প্রয়োজনীয় এমন আরও কার্যক্রম নিয়ে কাজ করে যাবে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক জিনিসই অপ্রতুল। প্রতিদিন এখানে বিপুল সংখ্যক রোগী, স্বজন ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। তাদের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা এতদিন চ্যালেঞ্জের ছিল। দুর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন মানবিক উদ্যোগ নিয়ে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে রোগী ও তাদের স্বজনরা উপকৃত হবেন এবং হাসপাতালের সামগ্রিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।

চট্টগ্রামের দুই হাসপাতাল নির্মাণের ডিপিপি চূড়ান্ত, অনুমোদনের অপেক্ষায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের দুইটি হাসপাতাল নির্মাণের নির্মাণের প্রকল্পের ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। প্রকল্প দুটি এখন একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত। চট্টগ্রামের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার দ্বার খুলতে হাটহাজারী ও কর্ণফুলীতে প্রস্তাবিত দুই বৃহৎ হাসপাতাল প্রকল্প। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে হাটহাজারীর হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জেলা সিভিল সার্জন বরাবর ওই জমি হস্তান্তর করেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই দুই প্রকল্প হল হাটহাজারীতে ৬০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং কর্ণফুলীতে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হাটহাজারী ও কর্ণফুলীর রোগীরা গুরুতর চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নগরে ছুটতে বাধ্য হন। নতুন এই হাসপাতাল দুটি চালু হলে মা ও শিশু স্বাস্থ্য, জরুরি চিকিৎসা, সার্জারি ও বিশেষায়িত সেবাসহ আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা স্থানীয় পর্যায়েই নিশ্চিত হবে। যা উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাটহাজারীর ফটিকা এলাকায় বিটিসিএলের ২০ একর জমিতে ৬০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট, আবাসিক সুবিধা ও আঞ্চলিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে কর্ণফুলী উপজেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের নিজস্ব খালি জমিতে ২৫০ শয্যার একটি আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাটহাজারীর হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমি ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই প্রকল্পের ডিপিপি চূড়ান্ত হয়েছে এবং একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই দুটি হাসপাতাল চালু হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ নগরীর বড় হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং স্থানীয় মানুষ নিজ এলাকায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, এই প্রকল্প দুটি কেবল হাসপাতাল নির্মাণ নয়, বরং আধুনিক ও বিকেন্দ্রীকৃত স্বাস্থ্যসেবার একটি নতুন মডেল হবে বলে আশা করছি।

সূত্র জানায়, জাতীয় উন্নয়ন ও পরিকল্পনা একাডেমির (এনএপিডি) বিশেষজ্ঞ টিম দুই প্রকল্পের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন সম্পন্ন করে। গত ২ ডিসেম্বর হাটহাজারী এবং ৩ ডিসেম্বর কর্ণফুলী উপজেলার নির্ধারিত স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এনএপিডির প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম। পরিদর্শনকালে প্রকল্প এলাকার ভূ-অবস্থান, অবকাঠামোগত উপযোগিতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবেশগত দিক, রোগীর চাহিদা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ডিজিটাল ম্যাপ ও কারিগরি তথ্য সরবরাহ করা হয়।

তারও আগে দুই হাসপাতালের প্রাথমিক ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) বিআরটিসি বিভাগের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি মাঠপর্যায়ের সমীক্ষা পরিচালনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা যাচাই করে।

আলোচিত খবর

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সোমবার ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ