আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

লোডিং ঠিকাদার রীট করে সার সরবরাহের বিঘ্ন করেছেন।

সরবরাহে অসন্তোষ, ডিলারদের  সার উত্তোলন বন্ধের হুমকি 

সার উত্তোলন বন্ধের হুমকি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৮ জেলায় ৮১২ ডিলার একমত পোষণ

সরবরাহে অসন্তোষ, ডিলারদের

  1. সার উত্তোলন বন্ধের হুমক

 ছবি-১

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডের (সিইউএফএল) সার সরবরাহ নিয়ে ডিলারদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করায় তারা সার উত্তোলন বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। ৮ জেলায় ৮১২ ডিলার এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। চলতি মাসের প্রথম থেকে প্রতি ট্রাকে ১৫ টনের স্থলে ১০ টন করে সার সরবরাহ দেওয়ায় এ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুল আলম খান জানিয়েছেন  ১৫ টন সার সরবরাহ দেওয়া না হলে আগামী ১ নভেম্বর থেকে সার উত্তোলন বন্ধ করে দেবে।

তিনি বলেন, ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ করার কারণে ৮ জেলায় ইউরিয়া সারের সংকট সৃষ্টি হলে তার দায়ভার কোনো ডিলার বহন করবে না। এ ব্যাপারে ৮ অক্টোবর সিইউএফএল’এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবর আবেদনও করা হয়। যার অনুলিপি বিসিআইসি চেয়ারম্যানকেও দেওয়া হয়। কিন্তু বিসিআইসি’র চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ করে দিলে কৃষিতে প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কৃষি অধিপ্তরের উপ-পরিচালক মো.আবদুস সোবহান জানান, চলতি আমন মৌসুমে তেমন প্রভাব পড়বে না। তবে বোরো মৌসুমে প্রভাব পড়ার আশংকা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ডিলারদের বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর বিসিএসআইকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডিলারদের আগে থেকেই সিইউএফএল থেকে প্রতি ট্রাকে ১৫ মে. টন করে ইউরিয়া সার সরবরাহ দেওয়া হতো। কিন্তু ১ অক্টোবর থেকে প্রতি ট্রাকে ১০ মে. টন করে ইউরিয়া সার সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। যদি প্রতি ট্রাকে ১০ মে. টন সার দেওয়া হয়, তাহলে বাকি ৫ মে.টন সারের জন্য ডিলারদেরকে আলাদাভাবে সরবরাহ খরচ দিতে হয়। বস্তার মধ্যে বারবার হুক (ছিদ্র হয়ে যায়) মারা হয়। এতে ডিলারদের সার উত্তোলন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে সরকারের নির্ধারিত দামে সার বিক্রি করে ডিলাররা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ কারণে ভবিষ্যতে ডিলাররা সার উত্তোলন করতে অনীহা প্রকাশ করবে। যদি ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ করে দেয় তাহলে চট্টগ্রামসহ নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ইউরিয়া সারের সংকট সৃষ্টি হবে। এ আট জেলায় বছরে আনুমানিক সারের চাহিদা রয়েছে সাড়ে তিন লাখ টন।

জানা গেছে, সিইউএফএলএ দৈনিক ইউরিয়া সার উৎপাদন হয় ১১শ মেট্টিকটন। চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষীপুরে আনুমানিক ২ লাখ টন সার ডিলারদের কাছে সরবরাহ করা হয়। ৮ জেলায় ডিলারের সংখ্যা ৮১২। ডিলাররা প্রতি টন ১২৫০ টাকা সিইউএফএলকে পরিশোধ করে প্রতি টন ১৩৫০ টাকা দরে কৃষকদের কাছে বিক্রি করেন। এদিকে সিইউএফএল থেকে লক্ষীপুর একটি ট্রাকের ভাড়া ২২ হাজার টাকা। অন্যদিকে সিইউএফএল থেকে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পরিবহন ভাড়া প্রতি ট্রাক ৯ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে ১৫ টনের স্থলে ১০ টন সার পরিবহনের একই ভাড়া গুনতে হয় ডিলারদের। ফলে ডিলাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবার কারণে সার উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ব্যাপারে সিইউএফএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, লোডিং ঠিকাদার টেন্ডারের নিয়ম অনুযায়ী ১৫ টন হিসেবে  ১ লক্ষ টন লোডিং করেছে। বাকি আড়াই লক্ষ টন সার ১০ টন হিসেবে লোডিং করার কথা রয়েছে। এ হিসেবে সাড়ে ৩ লক্ষ  টন সার লোডিং করার কথা রয়েছে।  টেন্ডারের নিয়ম অনুযায়ী ঠিকাদারকে লোডিং করতে হবে। রাতারাতি টেন্ডারের নিয়ম পাল্টে দেয়া সম্ভব নয়।লোডিং ঠিকাদার  ও  ডিলাররা ১৫  ও ১০ গাড়ি ভাড়া একই উল্লেখ করে সিইউএফএল কতৃপক্ষের কাছে জানালে, কতৃপক্ষ ১৫ টন করে নতুন একটি টেন্ডার

করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।।লোডিং ঠিকাদার এনিয়ে একটি রীট করে জটিলতা সৃষ্টি করেন।  বর্তমানে ডিলারদের আবেদনের বিষয়টি বিবেচনা করে এ ব্যাপারে অতি সহসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে।

 বর্তমান দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ডিলার-কৃষকদের কথা বিবেচনা করে সিইউএফএল থেকে প্রতি ট্রাকে ১০ মে.টনের পরিবর্তে প্রতি ট্রাকে ১৫ মে.টন করে ইউরিয়া সার দেওয়ার জন্য ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে অবহিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিএনপি’র মহাসমাবেশ রোববার, আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে।


মহাসমাবেশকে ঘিরে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম সাজ সাজ রব শুরু হয়েছে। কাজীর দেউড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো নেতাকর্মীদের ব্যানারে ছেয়ে গেছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা।

এ বিষয়ে নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নজর রাখছে। আমাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন। চেয়ারম্যান সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) টিম এসেছে। উনারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলছেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নগরী। এই মহাসমাবেশকে ঘিরে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও জনদুর্ভোগ এড়ানোর বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন লজিস্টিক সাপোর্ট যেমন বালু না ওড়ার জন্য মাঠে পানি দেওয়া, ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার ইত্যাদি দিয়ে থাকে। অন্য বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে করবে। মেয়র বলেন, এটা বৃহত্তর চট্টগ্রামের সমাবেশ। আমাদের ১৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী সমর্থকদের নিয়ে মহাসমাবেশে আসবেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে, উনার প্ল্যান সম্পর্কে জানতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষও সমাবেশে অংশ নেবেন।মহাসমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মেয়র।

জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।
এদিকে নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য জনসমাগমটি কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং দেশের সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সমাবেশ হবে।তিনি বলেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন পল্টন মাঠে কিংবা চট্টগ্রামে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন, তখন সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। এলাকার অফিসগুলো বন্ধ রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত হয়েছেন, শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছে। রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন বহু মানুষও শুধু এক নজর দেশনেত্রীকে দেখার জন্য সভায় এসেছিলেন। একই ধরনের উৎসাহ ও উদ্দীপনা এখন চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দেশে আসার পর বিভিন্ন কর্মসূচিতে যে জনসমাগম দেখা গেছে, সেটির ধারাবাহিকতা চট্টগ্রামেও দেখা যাবে। এটি শুধু রাজনৈতিক সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তবে কতটা বিশাল জনসমাগম হবে, তা আগাম বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ