আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

ডিসি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আফিয়া আকতার

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী জেলায় প্রথমবারের মতো নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে পদায়ন হয়েছেন আফিয়া আখতার। শনিবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর নিজ কার্যালয়ে জেলার প্রথম নারী ডিসি আফিয়া আখতারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আজ রোববার (৩ নভেম্বর) রাজশাহীর ১২৭তম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করবেন।

রাজশাহী জেলা গঠিত হওয়ার সময় ১৭৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই জেলার প্রথম ডিসি নিয়োগ পান মিস্টার সি. ডাব্লিউ বাউটন রাউস। এরপর দীর্ঘ ২৫৪ বছরের মধ্যে বিদায়ীসহ রাজশাহীর ১২৬জন ডিসির মধ্যে কোনো নারী নিয়োগ পাননি।

এই তথ্যানুসারে এ জেলায় প্রথম নারী ডিসি হিসেবে যোগদান করেছেন আফিয়া আখতার। গত বুধবার (৩০ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রামের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার আফিয়া আখতারকে রাজশাহী জেলার ডিসি পদে পদায়ন করা হয়েছে। রাজশাহী জেলা গঠিত হওয়ার পর ২৫৪ বছরের মধ্যে তিনিই হবেন এই জেলার প্রথম নারী ডিসি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আফিয়া আখতার যশোর জেলার কোতয়ালী থানায় জন্ম গ্ৰহণ করেন। তিনি যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে এসএসসি পাস করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ভর্তি হন।

সেখানে ১৯৯৮ সালে অনার্স ও ১৯৯৯ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
এরপর ২৫তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদানের পর তার প্রথম কর্মস্থল ছিল রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। ২০০৬ সালের জুলাই মাসে সহকারী কমিশনার পদে যোগদান করেন তিনি।

আফিয়া আখতার ২০১১ সালের মে মাস থেকে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে তিনি নওগাঁর বদলগাছী ও নওগাঁ সদর উপজেলায় সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৪ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত উপজেলার নির্বাহী অফিসার হিসেবে রাঙামাটির কাউখালী ও চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে তিনি সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিভাগের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের কুথালিপাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক চলাকালে রানিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় সাবেক মেম্বার চান্দুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোজাফফর নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ