আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

দুই বোনকে রাসায়নিক পদার্থ খাওয়ানোর অভিযোগ

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে দুই শিশুকে ‘ড্যামফিক্স’ নামের একটি রাসায়নিক পদার্থ পান করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘরের টাইলস পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত অত্যন্ত ক্ষতিকর এই রাসায়নিক পানের কারণে দুই শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজন আছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)।

শিশু দুটি সম্পর্কে বোন। একজনের বয়স চার বছর, অন্যজনের বয়স তিন। শিশু দুটির বাবা পেশায় গাড়িচালক। বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানা এলাকায়।মানসিক ভারসাম্যহীন’ মা শিশু দুটিকে ড্যামফিক্স পান করিয়েছেন বলে স্বজনরা পুলিশ ও চিকিৎসককে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শিশু দুটিকে হাসপাতালে আনেন স্বজনরা। তারা জরুরি বিভাগে জানান, শিশু দুটির মা তাদেরকে ড্যামফিক্স নামের একটি রাসায়নিক খাইয়ে দিয়েছেন।

তিনি জানান, ছোট বাচ্চাদের পাকস্থলি ওয়াশ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সেটা না করে অন্য উপায়ে চিকিৎসা চলছে। তাদের পর্যবেক্ষণেই রাখা হয়েছে। ভর্তির পর দুজনকে একই ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। সন্ধ্যার পর ছোট বাচ্চাটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। শিশু দুটির ব্যাপারে চিকিৎসকরা খুবই সতর্ক আছেন।

নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, শিশু দুটির মা সুস্থ নন বলে শুনছি। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। এ নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। মানসিক ভারসাম্যহীন হলে অভিযোগ করলেও কোনো লাভ হবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ