আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ফটিকছড়িতে জামায়াতের প্রীতি সমাবেশে আলহাজ্ব শাহাজাহান চৌধুরী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

ফটিকছড়ির মানুষ হৃদয় দিয়ে জামায়াতকে বরণ করেছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহাজাহান চৌধুরী বলেছেন, ফটিকছড়ির মানুষ হৃদয় দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে বরণ করে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। আগামীতে এই ফটিকছড়ির মাটিতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী জনগণের ভূলুণ্ঠিত অধিকার ফিরিয়ে দিতে গণতান্ত্রিক পন্থায় ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় জামায়াতের দক্ষিণ ফটিকছড়ি শাখার উদ্যোগে আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উপজেলার ধর্মপুর আজাদী বাজার ঈদগাহ ময়দানে ৩৬ বছর পর এ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সম্মেলন ঘিরে বড় জমায়েত করে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

ফটিকছড়ি দক্ষিণ জামায়াতের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আ. ন. ম আবদুশ শাকুর এর সভাপতিত্বে প্রীতি সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর মুহাম্মদ আলাউদ্দিন সিকদার, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উত্তর জেলা আমীর ও অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক নুরুল আমীন চৌধুরী,খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমীর সৈয়দ আবদুল মোমেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, ফটিকছড়ি উপজেলা আমীর মাস্টার নাজিম উদ্দিন সিকদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ফটিকছড়ির মাটি ইসলামী আন্দোলনের উর্বর ময়দান। এ মাটির সন্তানেরা ইসলামী আন্দোলনের জন্য জীবন দিয়েছে। শহীদের রক্তস্নাত ফটিকছড়িতে আজ ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের পথ সুগম হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে এই ফটিকছড়ির জনপদে কোনো হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, রাহাজানি, মাদক চলবে না। এই ফটিকছড়িতে কোনো নাগরিকের অধিকার আর লুট করার সুযোগ কেউ পাবে না। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী আজকের এই প্রীতি সম্মেলন থেকে এই ঘোষণা দিতে চায়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী আজকের এই বাংলাদেশে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে প্রস্তুত রয়েছে। এই দেশের জনগণ মানব রচিত মতবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্ব দেখে বারবার হতাশ হয়েছে। এই মতবাদগুলো মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বদলে অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী আল্লাহ’র আইন ও সৎ লোকের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের সার্বিক কল্যাণের যে ঘোষণা দিয়েছে, তা আজকে বাস্তবে তা প্রমাণ দিতেও প্রস্তুত রয়েছে। দেশের জনগণ বিগত ১৬ বছর ধরে যে হত্যা, বঞ্চনা, নির্যাতন, নিষ্পেষণ, লুটপাট, প্রত্যক্ষ করেছে, তার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকেই ভ্যানগার্ডের ভূমিকায় দেখতে চায়। আগামীতে এই ফটিকছড়ির মাটিতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী জনগণের ভূলুণ্ঠিত অধিকার ফিরিয়ে দিতে গণতান্ত্রিক পন্থায় ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ। আজকের এই বিশাল জমায়েতের মাধ্যমে ফটিকছড়ির মানুষ হৃদয় দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে বরণ করে নিয়েছে। এখন শুধু গণতান্ত্রিক আনুষ্ঠানিকতা বাকি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমীন বলেন, ‘ফটিকছড়ির জনপদকে ইসলামী আন্দোলনের জন্য আল্লাহ কবুল করেছেন। এ মাটিতে আমাদের শহীদেরা জীবন দিয়ে গেছেন। ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হিসেবে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা আমাদের উপর অবধারিত কর্তব্য। ফটিকছড়িতে বিগত সরকারের নেতৃত্বগুলো শুধুমাত্র হত্যা, লুটপাট, সন্ত্রাস ও রাহাজানির নিদর্শন স্থাপন করে গেছে। এ জনপদের সামাজিক বন্ধনকে ভেঙে গুড়ো গুড়ো করেছে। এ জনপদকে ভয়ের জনপদে পরিণত করেছে।

তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনপদ ফটিকছড়ির শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ খাততে পরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে তুলতে আমরা আজকে শপথ বদ্ধ হলাম৷ হাজার হাজার জনতাকে সাক্ষী রেখে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, এ জনপদের মানুষ যদি আমাদের সুযোগ প্রদান করে এ জনপদে কোনো সন্ত্রাস আর থাকবে না। এ জনপদের সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত থাকবে। ফটিকছড়ির আপামর জনতার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের মাধ্যমে আমরা এ জনপদকে একটি মডেল জনপদে রূপান্তর করবো।’

ফটিকছড়ি পেশাজীবি ইউনিটের থানা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইমামুল হক ও ফটিকছড়ি দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক সেলিম উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় প্রীতি সম্মেলনে আরও বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি অধ্যাপক ফজলুল করিম,জেলা শুরার সদস্য আব্দুল জব্বার, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এডভোকেট ইসমাইল গণি,
ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইউসুফ বিন সিরাজ,
হাটহাজারী উপজেলার সেক্রেটারি অধ্যাপক শোয়াইব চৌধুরী, উপজেলার ওলামা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, এজহারুল ইসলাম, নাজিরহাট পৌরসভার সভাপতি বায়েজিদ হাসান মুরাদ, সেক্রেটারি শামসুল আরেফিন আরিফ, ছাত্রশিবিরের জেলা পূর্বের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, শফিউল আলম নূরী।

প্রীতি সম্মেলন আয়োজন করেন দক্ষিণ ফটিকছড়ি জামায়াতের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, সেক্রেটারি অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন, সহ সভাপতি মাওলানা তৈয়ব আলী নুরী, উপদেষ্টা মাস্টার নজরুল ইসলাম, খোরশেদুল আলম ফিরোজ, সহকারী সেক্রেটারি আবু জাফর মোহাম্মদ আলম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ