আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

নিষিদ্ধ পলিথিন এর ছড়াছড়ি প্রশাসন নিরব

রাজশাহী সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর পুঠিয়া কাঁচাবাজারে গত ১ নভেম্বর থেকে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলেও বাজারে তার কোন প্রভাব পড়েনি। এক মাস আগেই সরকার এই ঘোষণা দিয়েছিল। নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও উপজেলার কাঁচাবাজারগুলোয় চলছে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার।উপজেলার বাজার, বানেশ্বর, ঝলমলিয়া ও মোল্লা পাড়া হাট সহ উপজেলার বিভিন্ন ছোট – বড় বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। সবজি দোকান, ফল দোকান ,কসমেটিক দোকান,ঔষধের ফার্মেসি , কীটনাশক দোকান এ ছাড়াও মুদিখানা দোকানে ও প্রকাশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন ।

সাধারণ ক্রেতারা জানান, পলিথিন পরিবেশের জন্য খুবই বিপর্যয় ডেকে আনছে এটা সত্যি। কিন্তু পলিথিনের বিকল্প হিসেবে বাজারে পর্যাপ্ত কিছু না থাকার কারণ সাধারণত এই সমস্যা থেকে কোন প্রকার প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।পলিথিনের বিকল্প হিসেবে অন্য কোন টিসু ব্যাগগুলো বাজারে আসবে ঠিক তখন এমনিতেই পলিথিন বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে আমরা মনে করি।
নিষিদ্ধ পলিথিন এর বিষয়ে একাধিক দোকানি জানান, সরকার এক মাস আগে বাজারে নিষিদ্ধ করলেও বাজারে এই নির্দেশনা তেমন কোন প্রভাব পড়েছে বলে মনে হয় না। দুঃখ জনক ব্যাপার হলো সত্য যে আগের থেকে অনেক দাম বৃদ্ধি পেয়েছে পলিথিনের। তবে আমরাও চাই পলিথিন এর ব্যবহার বন্ধ করা হোক। আর এর বিকল্প হিসেবে পচনশীল দ্রব্যের তৈরি ব্যাগ বাজারে আসুক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পলিথিন বিক্রেতা বলেন, পলিথিন নিষিদ্ধের খবর আসার পরে থেকেই বাজারে একটু সংকর দেখা দিয়েছে কিন্তু দাম একটু বেশি দিলে পাওয়া যায় সবখানেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ,কে,এম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিনের বিষয়ে বাজার মনিটরিং চলমান রয়েছে। এছাড়াও যেহেতু বাজারে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে যে পণ্যটি ব্যবহার করা হবে তা এখনো বাজারে ব্যাপক আকারে প্রভাব ফেলতে পারেনি সেজন্য সকল ছোট বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের আপাতত কঠোরভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ