পূর্বাচল উপশহর এখন অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য ॥ আট বছরে ২১ লাশ উদ্ধার

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজউকের পূর্বাচল উপশহর এখন অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য। এলাকাটি লাশের ডাম্পিং স্পটে পরিণত হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপদ স্থান হিসেবে অন্যত্র হত্যা করে পূর্বাচলে লাশ ফেলে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। গত আট বছরে এখানে ২১টি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া পূর্বাচলে হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ ও মারামারিসহ নানা অপরাধ বেড়েই চলছে। পূর্বাচলে এখনো সময়উপযোগী জনবসতি গড়ে না ওঠায় অপরাধীরা নির্বিঘেœ অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আশানুরূপ না হওয়ায় অপরাধীরা অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে নিরাপদে চলে যাচ্ছে। সন্ধ্যার পরেই অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা এখানে বাড়তে থাকে। পূর্বাচলের প্রত্যেকটি এলাকাই দুর্গম। পূর্বাচল উপশহরে ঘটে চলছে একের পর এক অপরাধ। পূর্বাচল উপশহর যেন এখন অপরাধীদের ‘স্বর্গরাজ্য’।
পূর্বাচলের পলখান, গোবিন্দপুর, বাগলা, চাপড়ি, ধামছি, মাঝিপাড়া, রঘুরামপুর, গুতিয়াবো, পশি, হাড়ারবাড়ী, আলমপুরা, খাইলসা, পিংনাল, কালনি, সুলপিনাসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা ডাকাত আতঙ্কে থাকেন। চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় গবাদী পশুর মালিকরা থাকেন আতঙ্কে।
রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে গড়ে উঠা পূর্বাচল উপশহর এখন নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে । শহরের ব্যস্ততা থেকে একটুখানি অবসরে ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসে পূর্বাচলে। দৃষ্টিনন্দন ৩০০ ফুট সড়ক এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। পূর্বাচলকে ঘিরে গড়ে উঠেছে হরেক রকমের কয়েক হাজার দোকানপাট। গড়ে ওঠেছে শতাধিক নার্সারী। স্থান পেয়েছে দেশী-বিদেশী নানা রকমের খাবারের দোকান। নৌ-ভ্রমন আর সামুদ্রিক মাছ খেতে ছুটেচ আসেন রসনাবিলাসিরা। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই পূর্বাচলে নেমে আসে ঘুটঘুটে অন্ধকার। সন্ধার পর সময় ভাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে নীরবতা। রীতিমতো গা ছমছমে পরিবেশ।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৩ নভেম্বর সকালে নারায়ণগঞ্জের শিল্পপতি জসিম উদ্দিনের সাত টুকরো লাশ পূর্বাচলের ৫নং সেক্টরের একটি লেক থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরকীয়ার জের ধরে তাকে ঢাকার কোনো এক স্থানে হত্যা করা হয়। তারপর নিরাপদ স্থান হিসাবে পূর্বাচলে লাশ ফেলে রাখে। একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সেতুর নিচ থেকে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের বেশ কিছু কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
২০২৩ সালের ৭ জুলাই পূর্বাচলের ১৯নম্বর সেক্টর থেকে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একই বছরের ২৪ আগস্ট পূর্বাচলের ২০নম্বর সেক্টর এলাকার একটি সবজি ক্ষেত থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
২০২২ সালের ১৯মে পূর্বাচলের ২৫ নম্বর সেক্টর এলাকা থেকে মজিবুর রহমানের নামের এক ব্যাক্তির লাশ ও একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টর থেকে মিলন মিয়ার লাশ, একই বছরের ২৩ আগস্ট ৪ নম্বর সেক্টর থেকে ৭ মাসের নবজাতকের লাশ, ৮ অক্টোবর পূর্বাচলের ৭ নম্বর সেক্টর থেকে হৃদয় হাসানের লাশ উদ্ধার করা হয়। ২০২১ সালের ১৬ অক্টোবর পূর্বাচলের ২৬ নম্বর সেক্টর থেকে সাইফুল ইসলাম নামের এক ইজিবাইক চালকের লাশ ও অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি পূর্বাচলের ৮ নম্বর সেক্টর থেকে মজুর উদ্দিন নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়।
২০১৯ সালে পূর্বাচলের ভোলানাথপুর এলাকার কাশফুলের ঝোপ থেকে এক ধর্ষিতা তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। একই বছরের ১৬ নভেম্বর নিখোঁজের ৪ দিন পর মাওলা নামের অটোচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
২০১৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পূর্বাচলের ১১ নম্বর সেতুর নিচ থেকে গুলিবিদ্ধ সোহাগ, শিমুল ও আজাদ নামের তিন যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। ৭ নভেম্বর পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টর থেকে অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
২০১৭ সালের ২জুন পূর্বাচলের গুতিয়াবো এলাকা থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মারাত্মক ধরণের বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল পূর্বাচলের ১৩ নম্বর সেক্টরে ব্রিফকেসের ভেতর থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর হযরত শহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে সাজ্জাদ হোসেন নামের এক সৌদী প্রবাসীকে গাড়ি করে পূর্বাচলে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে জিম্মি করের তার সঙ্গে থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকাসহ ১৫লক্ষাধিক টাকা লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা।
পূর্বাচলে ছিনতাইয়ে সক্রিয় রয়েছে ৮টি সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটে ৪৫ জন সদস্য রয়েছে। ২০১৯ সালের ১০মে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট রোডের ছমু মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাইফুল ইসলাম, মাহাবুর রহমান, ওবায়দুর রহমান এবং বেলায়েত হোসেনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এছাড়া ২০১৭ সালের ৩ জুন পূর্বাচল উপ-শহরের ৫নং সেক্টরের একটি খাল থেকে ৬১টি চায়না মেশিনগান, সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বোরের ৫টি পিস্তল, ২টি রকেট লঞ্চার, ৪২টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ৪৯টি মর্টারশেল, ২টি ওয়্যারলেস সেট, ১৫২৭ রাউন্ড গুলি, ৪৪টি ম্যাগাজিন ও ৪৯টি রকেট লঞ্চার প্রজেক্টর উদ্ধার করা হয়। পূর্বাচল সুনসান হওয়ায় এখানে ডাকাতির ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত।
মানুষ হত্যার পর নিরাপদ স্থান হিসেবে পূর্বাচলের বিভিন্ন স্থানে নির্বিঘেœ লাশ ফেলে রেখে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। পূর্বাচল দুপুরের পর থেকে রাত ৯/১০টা পর্যন্ত পর্যটকে মুখোরিত থাকে। এর পর সময় ভাড়ার সাথে সাথে নিরব হতে থাকে পুরো এলাকা। ৩০০ ফুট সড়কে সড়কবাতি থাকলেও পূর্বাচলের ভেতরে শাখা-উপশাখা রাস্তাগুলোতে কোনো সড়কবাতির ব্যবস্থা নেই। এ কারণে পূর্বাচলের ভেতরের রাস্তাগুলো থাকে অন্ধকার, নির্জন, নীরব ও সুনসান। সুযোগ পেয়ে অপরাধীরাও অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। কেউ চুরি, ছিনতাই কিংবা ডাকাতি করে। কেউবা সঙ্গীয় পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে নারীদের উপর নির্যাতন চালায়। কেউবা অন্যত্র হত্যা করে এখানে লাশ ফেলে দেয়।
পূর্বাচলের বাঘবের গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাজউকের অধীনে পূর্বাচলের জমি অধিগ্রহণ করার পর আদিবাসিন্দাদের অনেকেই অন্যত্র বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। পূর্বাচলের কোন কোন স্থানে প্লট প্রাপ্তরা ভবন নির্মাণ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ফাঁকা জমি পড়ে আছে। সুযোগ পেয়ে রাতে এখানে বেশিরভাগ সময় ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটছে।
পূর্বাচলের মধুখালী গ্রামের জিন্নাত আলী বলেন, সন্ধ্যার পরেই অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বাড়তে থাকে। পূর্বাচলের প্রত্যেকটি এলাকাই দুর্গম। পূর্বাচল উপশহরে ঘটে চলছে একের পর এক অপরাধ। পূর্বাচল উপশহর যেন এখন অপরাধীদের ‘স্বর্গরাজ্য’।
পূর্বাচলের কাদিরাটেক গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া বলেন, পূর্বাচলে পুলিশের নিয়মিত টহল থাকলে অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে। অবিলম্বে পুলিশের টহল এখানে বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
রূপগঞ্জ থানা ওসি লিয়াকত আলী বলেন, জনবল সংকট থাকায় আমাদের টহল কার্যক্রমে কিছুটা বিঘœ ঘটছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, পূর্বাচলের পুলিশ ক্যাম্প পুণরায় চালু করা হবে। পুর্বাচলে শিগগিরি পুলিশের টহল বাড়ানো হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পদ্মার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ দুর্যোগের সময়ে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলা বাজার-উদয়নগর এলাকায় বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) উদ্যোগে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী (চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণ) বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

দুর্যোগের এই সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদয়নগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারদিকে পানি উঠায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি। না ছিল খাওয়ার ব্যবস্থা, না ছিল চলাচলের উপায়। এই কঠিন সময়ে বিজিবির কর্মকর্তারা নিজ হাতে আমাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বানভাসি মানুষদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আমাদের এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। দুর্গম ও প্লাবিত এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল ও পর্যবেক্ষণ জোরদার রয়েছে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেষে বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অর্পিত দায়িত্বের অংশ। পদ্মার পানি বাড়ায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমরা সাধ্যমতো খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং বন্যাকবলিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ