আজঃ মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

রাস্তার কাজের কোন ত্রুটি হলে শাস্তির আওতায় আনা হবে

আহমেদুর রহমান স্মৃতি সংসদের গণসংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় ডা: শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সততার সাথে আমি কাজ করতে চাই। আমি তাই প্রথম দিনেই যত কাজ এখানে অনেক কাজের ধরন দেখেছি। আমাদের এখানে অনেক বাজেট আছে। আড়াই হাজার কোটি টাকার বাজেট রয়ে গেছে। মাত্র ৫শ ৬২ কোটি টাকার ছাড় হয়েছে। আরো প্রায় ১৯ শ কোটি টাকা আছে, কাজ করলে, কাজ করা যাবে। আমি সৎ মানুষের খোঁজ করছি। যারা সত্যিকার অর্থে সুন্দর একটি রাস্তা করতে পারবে। কোন ধরনের চুরি না করে দুর্নীর্তি না করে। তাই আমি ইতোমধ্যে কন্ট্রাক্টর ও ঠিকাদার যারা আছে, ইঞ্জিনিয়ারদের বলে দিয়েছি। যে ৫শ ৬২ কোটি টাকা ইতিমধ্যে ছাড় হয়েছে, ঐ সমস্ত রাস্তার মাপ লেপটেস্ট করে আমাকে জানানোর জন্য যদি কোন ধরনের সেখানের মানের ব্যাপারে কোন ধরনের প্রশ্ন আসে, অবশ্যই আমি বলেছি তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। সমগ্র সিটি কর্পোরেশনে আজকে যে দুর্নীতির সে দুর্নীতি সারা বাংলাদেশের দুর্নীতি থেকে কোন অংশে কম নয়। বাংলাদেশ থেকে আজ আপনারা জানেন ১৫/ ১৬ অনেক বলে ১৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনে অনেক সম্পদ আছে। সততার সাথে যদি আমরা কাজ করতে পারি। এই সিটি কর্পোরেশনকে নিজের সম্পত্তি না বানিয়ে যদি জনগণের সম্পত্তি হিসেবে আমি উপস্থাপন করতে পারি। ৪ শ ৫০ কোটি টাকার যে দেনার কথা বলা হয়েছে ইনশাআল্লাহ আমি সেটা শূন্যতায় নামিয়ে আনতে পারবো। সেটা আমি বিশ^াস করি। আমি বলেছি, অনেক কমর্শিয়াল মার্কেট আসে যেখানে তারা পার স্কোয়ার ফিট ৭ টাকা থেকে ৮ টাকা ভাড়া দিয়েছে সেখান থেকে আসার কথা ছিল ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। এভাবে করে তারা সিটি কর্পোরেশনকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি গতকাল ২৩ নভেম্বর শনিবার রাত ১১ টার সময় নগরীর চকবাজার ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে আহমেদুর রহমান স্মৃতি সংসদের গণসংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি ২০ হাজার ভিনের অর্ডার দিয়েছি। প্রতিটি দোকানে ভিন দেব। যদি কেউ ভিনে ময়লা না ফেলে রাস্তায় ফেললে তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসবো। আমি আরো ভিনের অর্ডার দেব। সিটি কর্পোরেশনের দুই টা গাড়ি স্ট্যান্ড বাই রেখেছি। সেখানে ইট বালি পাথর ও বিটুমিন রাখা আছে। আপনারা রাস্তার কোথাও যদি খানা খন্দক দেখতে পান। তা অবশ্যই জানাবেন। সাথে সাথে লোক প্রস্তুত তারা গিয়ে কাজ করে দেবে। আপনারা নিজ নিজ ওয়ার্ডে নিজ উদ্যোগে মনিটরিং করবেন। প্রতি ওয়ার্ডে ৫০ থেকে ৬০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী আছে, তাদেরকে ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা বেতন দিত, বাকি টাকা তৎকালীন ওয়ার্ড কাউন্সিলদের পকেটে যেত। যার যেটা প্রাপ্য সেটা সে পাবে। কিন্তু কাজ করতে হবে। কাজ না করলে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে।
নগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার সভাপতিত্বে এবং নগর বিএনপির সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম ও ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজি এমরান উদ্দিনের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন। নগর বিএনপির সাবেক সদস্য নাছির উদ্দীন, মো: আরশাদুল আলম সেলিম, বিএনপি নেতা সিরাজুল হক, নগর বিএনপির সদস্য কামরুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: সেকান্দার, সমাজ সেবক একেএম শহিদুল্লাহ শাহজাহান, আবদুর রহিম, আমিন মাহমুদ, ইব্রাহিম বাচ্চু, সালাহ উদ্দিন কায়ছার লাবু, আবদুল হালিম বাবলু, শেখ আলাউদ্দিন, খোরশেদ আলম, আবদুল কাদের, মনসুর সওদাগর, আবদুল হালিম, মো: মুজিব, আরিফুল ইসলাম ডিউক, জিয়াউল হক মিন্টু, শেখ কামাল আলম, মো: ফারুক, মো: সেলিম, ইসমাইল হোসেন লেদু, জাহেদ নূর জিতু, মো: সোহেল, জকির হোসেন, জাবেদুল হক, সাদ্দামুল হক, শফিউল বশর সাজু, মো: জাহেদ, রাকিবুল হাসান সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বাদে ফজর ফালাহ গাজী মসজিদের ডা: শাহাদাত হোসেনের পিতা আহমেদুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

৪০০ কোটি টাকার ষড়যন্ত্র টিকে নাই ৪ মিনিটও চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে। তার প্রার্থী বাতিলের দাবিতে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমীনের আপিল খারিজ করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। রোববার (দুপুরে জামায়াত প্রার্থীর আপিলটি শুনানির জন্য তোলা হলে শুরুতেই তা বাতিল করে দেন কমিশন।

এর আগে বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে সরওয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে ৪০০ কোটি টাকা ঋণখেলাপীর তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের আপিল করেন নুরুল আমীন।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর বলেন, আমি মাঠের মানুষ। মাঠে ছিলাম, মাঠে আছি, মাঠেই থাকবো ফটিকছড়িবাসীর সাথে। সব ষড়যন্ত্র এভাবেই উড়ে যাবে জনগণের ভালোবাসায়। পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা মিথ্যাকে আঁকড়ে ধরেছে’। তিনি বলেন, ৪০০ কোটি টাকার ষড়যন্ত্র টিকে নাই ৪ মিনিটও।

আলোচিত খবর

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সোমবার ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ