আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

যুব সমাজকে বিভিন্ন অপরাধ থেকে দূরে রাখতে হলে খেলাধুলার কোন বিকল্প নাই

গুণবতী হাইস্কুল মাঠকে স্টেডিয়ামে পরিণত করার ঘোষণা প্রদান করেন – ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকী

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গুনবতী হাইস্কুল মাঠ উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে গুনবতী হাইস্কুল মাঠ সংস্কার শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুনবতী হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উন্নয়ন পরিষদের নব গঠিত কমিটির আহবায়ক ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকির সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল হামিদ নাজিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুনবতী হাই স্কুল মাঠ উন্নয়ন পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, গুণবতী ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আইয়ুব আলী ফরায়জী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুনবতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই , বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মোঃ ইউসুফ মেম্বার, গুনবতী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, গুনবতী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন, গুনবতী বাজার কমিটির সেক্রেটারি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুর রাজ্জাক শাহীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ শহীদ উল্লাহ, গুনবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বাবুল।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গুনবতী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মিলন স্যার, ধোড়করা আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক খোরশেদ আলম, ফেনী ডায়াবেটিস হসপিটালের ডেপুটি চিপ মেডিকেল অফিসার ডা.নুরুন নবী, প্রগতি লাইফ ইন্সুইরেন্স এর টিউলিপ প্রজেক্ট প্রধান জনাব মাজারুল ইসলাম টিটু, সাউথ আফ্রিকান প্রবাসী আব্দুল কুদ্দুস, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল হাসেম লিটন এবং গুনবতী হাইস্কুল মাঠ উন্নয়ন পরিষদের যুগ্ন আহবায়ক ইকবাল হোসেন লিটন, জোবারুল ইসলাম পলাশ, নাজমুল হুদা চৌধুরী, এনামুল হক নয়ন(জিকো), আশরাফুর রহমান বাবলু, রহমত উল্লাহ রুমি, আবদুর রহমান ফরহাদ, সদস্য সচিব মোবারক হোসেন, যুগ্ন সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম তুহিন, মোঃ উজ্জ্বল, আরিফুল ইসলাম, আবু নসর। এছাড়াও মোঃ হানিফ, আরিফ জিয়া, সুজন সহ ২৭ টি ক্লাবের সদস্যরা এবং গুনবতীর আপামর ক্রীড়াপ্রেমি জনতা।

সভায় ২৭ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি, ১৮ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি, ৩৪ টি এসএসসি ব্যাচের প্রতিনিধি, টি ক্লাবের প্রতিনিধি, ২১ জন সদস্য বিশিষ্ট প্রবাসী প্রতিনিধি গঠন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কোস্ট গার্ডের সাড়ে তিন হাজার সদস্য উপকূলীয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকবে : মহাপরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেছেন, কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্দ্বীপের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে বশিরিয়া আহমদিয়া আবু বকর সিদ্দিক ফাজিল মাদরাসা মাঠে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সুবিশাল সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।পাশাপাশি জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

গত ১৮ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২৮ দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্যের ১০০টি প্লাটুন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।

এই প্লাটুনগুলো স্থলভাগ ও জলভাগে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি উৎসব মুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, জনকল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অন্তর্বতীকালীন সরকার একই দিনে গণভোটের আয়োজন করেছে। আমরা আমাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সব বয়স ও শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষদের নিকট গণভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যবস্থা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।নির্বাচনকালীন অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

বোয়ালখালীতে ৫৫ লিটার মদসহ আটক এক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সেনাবাহিনীর টহল অভিযানে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি বুধবার ভোর ৩টা থেকে ৬টার সময় বিজেও-৭৭৭৯১ ওয়াঃ অফিসার মশিউর (৪৮ এডি), টাস্ক ফোর্স-২ স্যারের নেতৃত্বে কদুরখীল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ৫৫ লিটার মদসহ মোঃ আলমগীর (৪৫) নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় বোয়ালখালী থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক ব্যবসায় প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ