আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

নিউজগার্ডেন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কলম হাতে যুদ্ধ করেছিল

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর নায়েবে আমীর ও বিশিষ্ট পরিবেশ বিজ্ঞানী নজরুল ইসলাম বলেছেন, সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজ ও গণমানুষের দর্পণ। সংবাদপত্রের ওপর হস্তক্ষেপ জাতির বিবেকের ওপরই হস্তক্ষেপ। সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে ফ্যাসিবাদীদের শেষ রক্ষা হয়নি। ১৫ বছর তারা মিডিয়ার কন্ঠরোধ করে রেখেছিল। তারা অতীতে মাত্র ৪টি সংবাদপত্র রেখে সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করে গণমাধ্যমের টুটি চেপে হত্যা করেছিল এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পরিবর্তে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করেছিল। আওয়ামীলীগ গণতন্ত্রকে চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি রেখে আর মিডিয়ার কণ্ঠরোধ করে তাদের ব্যর্থতা আড়াল করার অপচেষ্টা করছিল। নিউজগার্ডেন সেখানে ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বৈষম্যের বিরুদ্ধে কলম হাতে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করেছিল।

তিনি বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর সদরঘাটস্থ জুঁই কমিউনিটি সেন্টারে অনলাইন পোর্টাল নিউজগার্ডেন এর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ফ্যাসিবাদী আমলে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে নিউজগার্ডেনের সাহসী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন এবং জুলাই বিপ্লবের এই পত্রিকার অবদান তুলে ধরেন।

নিউজগার্ডেনের সম্পাদক কামরুল হুদার সভাপতিত্বে ও বার্তা প্রধান এবিএম ইমরানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী অধ্যক্ষ নরুল আমিন, চট্টগ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক নিউজগার্ডেনের প্রধান সম্পাদক ইস্কান্দার আলী চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী মোহাম্মদ উল্লাহ, ফুলকলির জেনারেল ম্যানেজার এম এ সবুর, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ ইদ্রিস আলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক পরিচালক নুরুল হাদি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুন নাঈম চৌধুরী রিকু, এস এ ট্রেডার্সের ম্যানেজিং পার্টনার মনসুর আলী, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি কামরুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ এমরান চৌধুরী, মাওলানা ভাসানি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন মোবারক হোসাইন, আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী অধ্যক্ষ নরুল আমিন বলেন, পতিত সরকার সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহতভাবে চাপ প্রয়োগ করেছে, অপপ্রচারে বাধ্য করেছে। এর সঙ্গে ছিল করপোরেটদের প্রভাব; বাণিজ্যের স্বার্থে তারাও গণমাধ্যমকে স্বাধীন হতে দেয়নি।

বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম পেয়ারু চৌধুরী, ইউছুপ শিকদার, বিএনপি নেতা সাদেকুর রহমান রিপন, মোরশেদুল আলম, আনিসুদৌলাহ সোহেল, মহানগর মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব ও এপিপি এডভোকেট আব্দুল আজীজ, মহানগর জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিকদলের আহবায়ক ফরহাদ উদ্দিন সোহাগ, চসিক অপর্নাচরণ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, চসিক মিউনিসিপাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাহেদুল কবির চৌধুরী, এলডিপির চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আজগর চৌধুরী, পূর্বদেশ পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক এম এ হোসাইন, চিটাগাং টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদক ইলিয়াস রিপন, বাংলাদেশ মেইলের উপদেষ্টা সম্পাদক এবি জিয়া উদ্দিন, চিত্র শিল্পী শওকত জাহান, সারাবান তাহুরা ফেরদৌসী কলি, সারমিন সরকার, এডভোকেট উম্মে ফেরদৌস, জহিরুল ইসলাম জহির, মো. জসিম উদ্দিন, এনডিএমের নুরুল ইসলাম, সাংবাদিক কিরন শর্মা, ফটোগ্রাফার দিপক চৌধুরী কালু, আব্দুর নুর চৌধুরী, সাংবাদিক এস এম পিন্টু, এম আর আমিন, মো: তৌহিদ, মো: এমরান, মো. সাজ্জাদ হোসেন, আমিনুল হক লিটন, চ্যানেল আইয়ের নির্বাচিত শিল্পী জুয়েল দ্বীপ, মোস্তফা কামাল, রোকন উদ্দীন আহমেদ, মোজাফ্ফর হোসাইন সিকদার, কাজী সফিকুল ইসলাম, সারওয়ার কামাল, মো. আরিফ, এম এস এইচ সাঈদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ