আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

জাপান থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বা অস্ত্র কিনতে চুক্তি করতে যাচ্ছে ঢাকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাপান থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বা অস্ত্র কিনতে চুক্তি করতে যাচ্ছে ঢাকা। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন বলে জানা গেছে।জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব পাঠিয়েছে জাপান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জাপানের পাঠানো প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে চুক্তিটির ওপর মতামত দেওয়াসহ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে অনুরোধ করে চিঠি পাঠিয়েছে— যার একটি অনুলিপি দেখেছে গণমাধ্যম।বাংলাদেশের আর্থিক সংগতি বাড়তে থাকায় অস্ত্র বিক্রি করতে আগ্রহী দেশের সংখ্যাও বাড়ছে।

এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনাপত্তি দিয়েছে। বাংলাদেশের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে চুক্তির খসড়া সংশোধন করে পাঠিয়েছে জাপান।প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে— যা দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যেও বিদ্যমান।

দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমন্বিত অংশীদারিত্বকে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ২৬ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের সময় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যকার সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।

কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে সমরাস্ত্র বিক্রির আগ্রহ প্রকাশ করছে জাপানের সামরিক সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এরই মধ্যে জাপানের একাধিক সামরিক সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। গত জুনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে এই চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাংলাদেশকে অনুরোধ করে জাপান।

যুক্তরাষ্ট্রও বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশেষায়িত প্রতিরক্ষা চুক্তি জিসোমিয়া (দ্য জেনারেল সিকিউরিটি অফ মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট) ও আকসা (অ্যাকুইজিশন ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট) সইয়ের বিষয়ে আলোচনা করছে। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত জিসোমিয়া সইয়ে আগ্রহের কথা জানিয়েছে।বাংলাদেশের অস্ত্রের প্রধান সরবরাহকারী চীন ও রাশিয়া। প্রতিবেশী ভারত থেকেও বাংলাদেশ অস্ত্র আমদানি করে থাকে। ইতোমধ্যে ইতালি, তুরস্ক, সুইডেন, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র বিক্রি করার প্রস্তাব আসছে।জাপান থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বা অস্ত্র কিনতে চুক্তি করতে যাচ্ছে ঢাকা। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে ৫৫ লিটার মদসহ আটক এক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সেনাবাহিনীর টহল অভিযানে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি বুধবার ভোর ৩টা থেকে ৬টার সময় বিজেও-৭৭৭৯১ ওয়াঃ অফিসার মশিউর (৪৮ এডি), টাস্ক ফোর্স-২ স্যারের নেতৃত্বে কদুরখীল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ৫৫ লিটার মদসহ মোঃ আলমগীর (৪৫) নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় বোয়ালখালী থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক ব্যবসায় প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা- মির্জা ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনী প্রতিপক্ষের উদ্দেশে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অনেক অত্যাচার করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোল পাম্প-ট্যাংক সবই নিয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাদের কারা সহযোগিতা করেছিল, আমরা তা জানি।

আগে একাত্তর সালের জন্য মাফ চান, তারপর ভোট চান।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, হাসিনার আমলে আমরা কাজ করতে পারিনি। পরে আমরা উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। আগে ১০০ টাকা আয় হতো, এখন ২০০ টাকা আয় করাকে উন্নয়ন বলা হচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন মানুষের কর্মসংস্থান ও কৃষির উন্নতি হবে।তিনি আগামী নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে বলেন, ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভুল করব।

বিএনপি আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে, আর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক জিয়াকে দেশে আসতে দেয়নি ১৮ বছর। দেশে ফিরেই তিনি জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বীজ এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ