আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

৪১টি ওয়ার্ডে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে-চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর স্টেশন রোডস্থ মোটেল সৈকতে কর্ণফুলী এরিয়া প্রেগ্রাম-ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, সপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন, ডব্লিউএসইউপি, উপকূল, সিডিসি, সবুজের যাত্রা ও কর্ণফুলী কর্মজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আয়োজনে স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন নগরী গঠনে ‘নগর কথা ঃ প্রেক্ষিত চট্টগ্রাম’ বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম-ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিও’র সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম অফিসার খ্রীষ্টফার কুইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওগ্রাফি এন্ড এভাইরনমেন্টাল ষ্টাডিস বিভাগের অধ্যাপক ড. অলক পাল। সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী আলী সিকদার, উপকুল উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহী লিটন, সবুুজের যাত্রা উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহী সায়েরা বেগম, কর্ণফুলী কর্মজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি জোসনা বেগম, সিডিসি সংস্থার প্রধান নির্বাহী লুৎফুন্নেসা রূপসা, ডব্লিউএসইউপি’র প্রোগ্রাম লিডার মোঃ খোরশেদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ মুছা, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার দোনন রোজারিও, শারমিন আক্তার প্রমুখ।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন নগরী গঠনে ৪১টি ওয়ার্ডে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য একটি করে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা সকলেই আন্তরিক হলে স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়া সম্ভব। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং হানাহানির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করে সবাই মিলে একটি নিরাপদ শহর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন সিটি মেয়র। যেখানে ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সব মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। এ শহর আমার একার নয়, এটি আমাদের সবার। সবাই মিলে আমরা একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ উপহার দেব।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বিশেষ করে ডায়ালাইসিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে। যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যে কিডনি রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। ডায়ালাইসিসের পেছনে অনেক টাকা খরচ হয়। এজন্য কিডনি রোগীদের জন্য আমরা স্বল্প মূল্যে ডায়ালাইসিস প্রদানের জন্য পরিকল্পনা করছি। এছাড়াও শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি ওয়ার্ডে চালু করার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে অগ্রাধিকার দিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডকে পরিষ্কার রাখতে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে চাই। প্লাস্টিক, পলিথিন এবং ককশিটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে এগুলোর বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। কারণ, এসব উপাদান জলাবদ্ধতার প্রধান উপরণ।
কর্ণফুলী নদী এবং শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কর্ণফুলীর তলদেশে জমে থাকা পলিথিনের স্তরের দিকে ইঙ্গিত করে মেয়র বলেন, নালায় ২-৩ ফুট পলিথিন জমে আছে। এটি আমাদের জলাবদ্ধতার মূল কারণ। এগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের সচেতন হতে হবে।
সংলাপে অন্যান্য বক্তারা বলেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজ আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের প্রত্যোকের দায়িত্ব। আমরা যদি আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিস্কার রাখি তাহলে পুরো শহর নয় বরং পুরো দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের পক্ষে অসম্ভব কিছু নয়। প্রকৃত পক্ষে নগরীতে যত সমস্যা রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন নগরী এবং যার সৃষ্টি হয় আমাদের অসচেতনতা থেকে। এছাড়াও নগরীর যানজট, রাস্তায় ধুলাবালি, বিশুদ্ধ পানির সমস্যা এসব তো আছেই। যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে মশার উপদ্রপ ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব। বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে। এসব সমস্যা মোকাবেলা করার এখনই সময়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ