আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সবকিছু হারালেন ২ যাত্রী

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন বাসযাত্রী দুই ব্যক্তি। বুধবার দিনগত রাতে ঢাকা থেকে বাসযোগে রাজশাহী ফেরার পথে তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। নগরীর সিরোইল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে উদ্ধার করে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৮টায় তাদের একজনের জ্ঞান ফিরলে অপরজনের ফেরেনি।

আরএমপির বোয়ালিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছেন, আক্রান্ত দুই ব্যক্তি বুধবার দিনগত রাতে ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী শিশির এন্টারপ্রাইজ নামের একটি বাসে উঠেন। পথে তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। বাসের মধ্যে তাদের কিছু খাওয়ানো হয়। বাসের ড্রাইভার ও সুপারভাইজার বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞান অবস্থায় দুই ব্যক্তিকে সিরোইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। রাজশাহীর সাংবাদিক শাহাজাদা মিলন অজ্ঞান দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাধীন এক যুবকের নাম তানজিউল ইসলাম শুভ। তার বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কোটালিপাড়ায়। শিশির এন্টারপ্রাইজের বাসের ভেতর তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। শুভ ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন।

অপর আক্রান্ত ব্যক্তির নাম আব্দুর রাজ্জাক (৩৪)। তবে তার বিস্তারিত ঠিকানা জানা যায়নি। আব্দুর রাজ্জাক চোখ খুললেও কথা বলতে পারছেন না বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। রাজ্জাক মাঝে মধ্যেই বমি করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার এএসআই হিমাংশু কুমার জানান, গাড়ির মধ্যে অজ্ঞান পার্টির লোকেরা তাদের কিছু খাইয়েছে। এরপর তারা জ্ঞান হারান। ক্রিমিনালরা তাদের ব্যাগ ও টাকাসহ জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। আক্রান্ত দুই ব্যক্তির অবস্থা উন্নতির দিকে। তবে গাড়ির ড্রাইভার ও সুপারভাইজারের উচিৎ ছিল অজ্ঞান দুই ব্যক্তির বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা। বাসে ভ্রমণরত অবস্থায় কারো কাছ থেকে কিছু খাওয়া খুব বিপজ্জনক বিষয়। এ বিষয়ে যাত্রীদের সচেতন হতে হবে। সুস্থ হলে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে অভিযোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ