আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সবকিছু হারালেন ২ যাত্রী

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন বাসযাত্রী দুই ব্যক্তি। বুধবার দিনগত রাতে ঢাকা থেকে বাসযোগে রাজশাহী ফেরার পথে তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। নগরীর সিরোইল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে উদ্ধার করে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৮টায় তাদের একজনের জ্ঞান ফিরলে অপরজনের ফেরেনি।

আরএমপির বোয়ালিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছেন, আক্রান্ত দুই ব্যক্তি বুধবার দিনগত রাতে ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী শিশির এন্টারপ্রাইজ নামের একটি বাসে উঠেন। পথে তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। বাসের মধ্যে তাদের কিছু খাওয়ানো হয়। বাসের ড্রাইভার ও সুপারভাইজার বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞান অবস্থায় দুই ব্যক্তিকে সিরোইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। রাজশাহীর সাংবাদিক শাহাজাদা মিলন অজ্ঞান দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাধীন এক যুবকের নাম তানজিউল ইসলাম শুভ। তার বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কোটালিপাড়ায়। শিশির এন্টারপ্রাইজের বাসের ভেতর তারা অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। শুভ ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন।

অপর আক্রান্ত ব্যক্তির নাম আব্দুর রাজ্জাক (৩৪)। তবে তার বিস্তারিত ঠিকানা জানা যায়নি। আব্দুর রাজ্জাক চোখ খুললেও কথা বলতে পারছেন না বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। রাজ্জাক মাঝে মধ্যেই বমি করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার এএসআই হিমাংশু কুমার জানান, গাড়ির মধ্যে অজ্ঞান পার্টির লোকেরা তাদের কিছু খাইয়েছে। এরপর তারা জ্ঞান হারান। ক্রিমিনালরা তাদের ব্যাগ ও টাকাসহ জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। আক্রান্ত দুই ব্যক্তির অবস্থা উন্নতির দিকে। তবে গাড়ির ড্রাইভার ও সুপারভাইজারের উচিৎ ছিল অজ্ঞান দুই ব্যক্তির বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা। বাসে ভ্রমণরত অবস্থায় কারো কাছ থেকে কিছু খাওয়া খুব বিপজ্জনক বিষয়। এ বিষয়ে যাত্রীদের সচেতন হতে হবে। সুস্থ হলে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে অভিযোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ