আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রামে বিজয় দিবস উদযাপিত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস ২০২৪ উদযাপিত হয়েছে।

বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ডিসি পার্ক এর দক্ষিণ পাশের্^ অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে। তোপধ্বনি শেষে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন প্রথমে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান তাদের নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

পরে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

সকাল ৮টায় বিভাগীয় কমিশনার নগরীর সার্কিট হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্পস্তবক প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন”। লক্ষ প্রাণের তাজা রক্ত ও মা, বোনের সম্ভ্রমহানির মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা হয়েছিল। যে লক্ষ নিয়ে ৭১ সালে বিজয় অর্জিত হয়েছিল তার ধারাবাহিকতা আমরা রক্ষা করতে পারিনি। যার কারণে গণতন্ত্রের স্বাধীন যাত্রাপথে বার বার আমরা হোঁচট খেয়েছি এখনো খাচ্ছি। বিজয়ের ৫৩ বছর পার হয়েছে তবুও দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে এখনো সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সে সংগ্রামের ফসল হচ্ছে ২০২৪ সালে জুলাইয়ের গণঅভ্যূত্থান। সুতরাং সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশিত বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত এবং সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে রূপান্তর করবো এই হোক আজকের প্রত্যাশা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আজকের এই বিজয় অর্জিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বৈষম্যমুক্ত চেতনায় ২০২৪ সালের এ গণঅভ্যূত্থান। সুতরাং বৈষম্য ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়া আজকের এ দিনে আমাদের প্রত্যাশা।

=০০=

————————–
সুব্রত/বাপ্পী/বাবুল/রাজ্জাক, ১১.৫৪টা ঘন্টা, ২০২৪।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিশুরাই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ হতে সাহায্য করে না, তা কুশিক্ষা। জে.এম সেন হল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।

তারা আরো বলেন, শিক্ষার বিস্তার ও সংস্কৃতির প্রসার একটি জাতিকে সভ্য জাতিতে পরিনত করে। বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতন এই গুরু দায়িত্ব পালন করছে। স্কুল পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দুলাল কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন ও সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজসেবী অজয়কৃষ্ণ দাশ মজুমদার, বিশেষ অতিথি শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত, শিক্ষানুরাগী মিহির কান্তি নাথ।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান সম্পাদক তাপস হোড়, অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নারায়ন চৌধুরী। প্রিয়ম কৃষ্ণ দে’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে ছিল চিত্রপ্রদর্শনী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও শিশু শিল্পীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্যানুষ্ঠান।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াডে অংশ নিল ৩৪৫ শিক্ষার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: তৃতীয়বারের মতো দেশব্যাপী লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট। এরই ধারাবাহিকতায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো এই প্রতিযোগিতা। শনিবার চট্টগ্রামের জামালখানের ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বর্ণাঢ্য এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।পরবর্তীকালে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড চট্টগ্রাম অঞ্চল পর্বের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক, মাতৃভাষা গবেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক (উপসচিব) আবুল কালাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াডের সদস্যসচিব ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর ড. খিলফাত জাহান যুবাইরাহ্। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক হাবিবুর রহমান ও ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহেদা আক্তার।

এ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম অঞ্চল ষষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি (ক) ক্যাটাগরিতে ২৩৩ জন এবং দশম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি (খ) ক্যাটাগরিতে ১১২ জন শিক্ষার্থী এবং সর্বমোট ৩৪৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াডের নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড-এর মূল্যায়ন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফলাফল ঘোষণা পর্বে ভাষাবিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, মাতৃভাষা চর্চার মধ্য দিয়েই একটি জনগোষ্ঠী তার মনন, মেধা ও চিন্তা প্রকাশ করে। পৃথিবীতে অনেক মাতৃভাষা বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে এসব ভাষা সঠিকভাবে চর্চা না করলে তা মৃত্যুমুখে পতিত হবে। মাতৃভাষা হারিয়ে যাওয়া মানে ওই ভাষার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও সভ্যতা বিলীন হয়ে যাওয়া। কাজেই বিপন্ন ভাষা চর্চা, অনুশীলন, পুনরুজ্জীবন, নথিবদ্ধকরণ আবশ্যক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এ কাজটি করে যাচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তরপর্বে অংশগ্রহণ করে। আমন্ত্রিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে ফলাফল ঘোষণা করেন এবং সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ২০২৪ সালে প্রথমবার লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড আয়োজন করে। লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড দুটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয় ক-ক্যাটাগরি: ষষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি এবং খ-ক্যাটাগরি: ১০ম থেকে ১২শ শ্রেণি। লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড-২০২৬ অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট িি.িরসষর.মড়া.নফ-এ প্রবেশ করে লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড ২০২৬ সেবাবক্স থেকে রেজিস্ট্রেশন লিংকে ক্লিক করে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে।

এ বছর লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা অঞ্চলসহ মোট ১০টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি অঞ্চল থেকে ক-ক্যাটাগরিতে ১০ জন করে মোট ১০০ জন এবং খ-ক্যাটাগরিতে ১০ জন করে মোট ১০০ জন চূড়ান্ত পর্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকায় অনুষ্ঠেয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। চূড়ান্ত পর্বে ২ ক্যাটাগরিতে ৩ জন করে মোট ৬ জন প্রধান উপদেষ্টার নিকট থেকে একুশের অনুষ্ঠানমালায় পুরস্কার গ্রহণ করবে এবং ক ও খ ক্যাটাগরি থেকে প্রথম স্থান অধিকারী ২ জন এ বছর অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ