আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের বিভিন্ন থানায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে: শাহজাহান চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর ও সাবেক এমপি আলহাজ¦ শাহজাহান চৌধুরী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে এদেশের মানুষ স্বাধীনতার সুখ থেকে বঞ্চিত ছিল। স্বাধীনতাকে একটি দলের লুটপাটের হাতিয়ার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে ঘরে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে যেন ভবিষ্যতে আবারও কেউ জনগণের উপরনিপীড়ন চালানোর সাহস না করে।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের উদ্যোগে ষোলশহর সুপার মার্কেট চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাসান রুমীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা মফিজুল হকের সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, পাঁচলাইশ থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তাওহীদ আজাদ, থানার কর্মপরিষদ সদস্য সোহেল রানা, ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল হোসাইন, পশ্চিম ষোলশহর আমীর অধ্যক্ষ কাজী আব্বাস আলী প্রমুখ।*এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।*

*বাকলিয়া থানা*বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাকলিয়া থানার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আমীর ওয়াহিদ মোর্শেদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন সওদাগরের সঞ্চালনায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী নায়েবে আমীর ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহ।

উক্ত সমাবেশ বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরী এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুছ, বাকলিয়া থানা জামায়াতের আমীর সুলতান আহমদ, নায়েবে আমীর আবুল মনসুর, পেশাজীবী সম্পাদক মফিজুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ নাছির ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমীর এরফানুল আজিম চৌধুরী প্রমুখ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহ বলেন, জামায়াতের কর্মীদের পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় ও ইবাদত বন্দেগীর অনুভূতি নিয়ে সমাজে সাধারণ মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের উন্নত নৈতিক চরিত্র অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে দ্বীনের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

*চকবাজার থানা*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চকবাজার থানা জামায়াতের আলোচনা সভা ও ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা ও চট্টগ্রাম মহানগরী নায়েবে আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন। থানা আমীর আহমদ খালেদুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে থানা সেক্রেটারি সাদুর রশিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জামান হেলালী, থানা নায়েবে আমীর মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান, কোতোয়ালী থানা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমেদ, থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, থানা কর্মপরিষদ সদস্য, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, এরশাদুল ইসলাম প্রমুখ।*ডবলমুরিং থানা* ডবলমুরিং থানা জামায়াতের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। থানা আমীর মো. ফারুকে আযমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মো. সালাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলনের সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ডবলমুরিং থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, থানা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মজিবুর রহমান, বেলায়েত হোসেন, হাফেজ শহিদুল্লাহ, মাকসুদুর রহমান প্রমুখ।*চান্দগাঁও থানা*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিশাল র‌্যালির আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চান্দগাঁও থানা। চান্দগাঁও থানা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ ইসমাইলের নেতৃত্বে হাজেরা তজু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সামনে থেকে শুরু করে বহদ্দারহাট মোড়ে গিয়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। এতে বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আযাদ চৌধুরী ও ওমর গনি, অফিস সেক্রেটারি আবদুল কাদের পাটওয়ারি, ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড আমীর মুজিবুর রহমান।

*সদরঘাট থানার যুব সমাবেশ*
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সদরঘাট থানার যুব বিভাগের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থানার যুব বিভাগের সভাপতি ফজলে এলাহী মুহাম্মদ শাহীনের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরী সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর শামসুজ্জামান হেলালী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরঘাট থানার আমীর মুহাম্মদ আবদুল গফুর। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদরঘাট থানার প্রশিক্ষণ সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড আমীর কবির আহমদ, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড আমীর মুহাম্মদ ইব্রাহীম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড আমীর হারুন অর রশিদ দিদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আজিজুর রহমান, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বায়তুলমাল সেক্রেটারি মুহাম্মদ আহসান প্রমুখ।

*বন্দর থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড*বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বন্দর থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড এমারতের উদ্যোগে বিকাল ৫টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওয়ার্ড আমীর ফিরোজ আহমদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন বন্দর থানা জামায়াতের আমীর মাহমুদুল আলম। আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক কাউন্সিলর ও সমাজসেবক শফিউল আলম।

*হালিশহর ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড*
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হালিশহর থানার ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড এমারতের উদ্যোগে বিকাল ৪টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুস শাকুর। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হালিশহর থানা জামায়াতের আমীর ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ। আরো বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজসেবক এডভোকেট শেখ জুবায়ের মাহমুদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল হাশেম চৌধুরী, দক্ষিণ কাট্টলী এমারতের সেক্রেটারি এবিএম সুলাইমান, মাওলানা মাকসুদুর রহমান প্রমুখ।*খুলশী ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৩ নম্বর পাহাড়তলী প্রশাসনিক ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতির বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলশী থানার আমীর অধ্যাপক আলমগীর ভূঁইয়া। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলশী থানার নায়েবে আমীর আইয়ুুব আলী হায়দার, ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহফুজুল আলম এবং সভাপতিত্ব করেন খুলশী থানা শুরা এবং কর্মপরিষদ সদস্য ও ১৩ নম্বর প্রশাসনিক ওয়ার্ডের আমীর ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলশী থানার শুরা এবং কর্মপরিষদ সদস্য ও ১৩ নম্বর প্রশাসনিক ওয়ার্ডের সেক্রেটারি অধ্যাপক মহিবউল্লাহ চৌধুরী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন কে এম জাবেদ, এরশাদ খান, নাসির উদ্দিন, মাওলানা মুমিনুল ইসলাম পাটোওয়ারী, আব্দুল্লাহিল আমান পারভেজ, জাহাঙ্গীর আলম, সুলতান আহমেদ এবং নুরুল ইসলাম।*ইপিজেড থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইপিজেড থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইপিজেড থানা আমীর আবুল মোকাররম। আরও বক্তব্য রাখেন ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল আরিফ, বাইতুলমান সম্পাদক আব্দুর রহিম বিশ্বাস, অফিস সম্পাদক মামুন খান, বিশিষ্ট সমাজসেবক এডভোকেট মো. শাহেদ। প্রোগ্রামের সভাপতিত্ব করেন এড. মোহাম্মদ শাহেদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

নাড়ির টানে বন্দর নগরী ছাড়ছে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে গন্তব্যে ছুড়ছে মানুষ। পথে পথে ভোগান্তি এড়াতে মানুষ আগ থেকে বন্দর নগরী ছাড়তে শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এর আগে শুক্রবার থেকে তাদের এই ঈদ যাত্রা শুরু হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরের এ কে খান মোড়, অলংকার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস ও ট্রেনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। কেউ যাচ্ছেন কুমিল্লা, কেউ ঢাকা, কেউ সিলেট বা রাজশাহীর দিকে। যাত্রীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।মূলত ঈদের আগমুহূর্তে বাড়তি যাত্রী চাপের ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আগেভাগে শহর ছাড়ছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দিন দিন ঈদযাত্রা আরও জমে উঠবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ছুটি শুরু হলে নগর ছাড়ার মানুষের ঢল নামতে পারে। তখন এ কে খান, অলংকার, কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের বড় ভিড় দেখা যাবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের পূর্বাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি যাত্রী পরিবহনে এসব কোচ বিভিন্ন ট্রেনে সংযোজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিশেষ ট্রেন, বাড়তি ইঞ্জিন যুক্ত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীর চাপ বাড়ায় পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হচ্ছে। চলমান ৭৫টি ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে আরও ১০টি ইঞ্জিন। এ ছাড়া চালানো হবে আটটি বিশেষ ট্রেন। এরমধ্যে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২ চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসা-যাওয়া করবে। এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ৬৬৮ জন। এছাড়া ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে এ কে খান এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রী আবুল কালামের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, তিনি নগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এবার একটু আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছেন। কারণ, বাড়িতে একজন অসুস্থ আত্মীয় রয়েছেন।

ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান বলেই আগে বেরিয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠেছিলেন সায়েরা আক্তার। দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরছেন। সায়মা বলেন, পরে গেলে খুব ভিড় থাকে। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্ট হয়। তাই আগেই চলে যাচ্ছি। তবে তাঁর স্বামী হায়দার আলী এখনই যেতে পারছেন না। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর এখনো ছুটি হয়নি। ঈদের আগের দিন তিনি বাড়ি যাবেন।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের মাঝে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চলের ১৬টি ট্রেনের ৮ হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। ৯ মার্চ শেষ হয়েছে। অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা যেতে শুরু করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ