আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের বিভিন্ন থানায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে: শাহজাহান চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর ও সাবেক এমপি আলহাজ¦ শাহজাহান চৌধুরী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে এদেশের মানুষ স্বাধীনতার সুখ থেকে বঞ্চিত ছিল। স্বাধীনতাকে একটি দলের লুটপাটের হাতিয়ার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে ঘরে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে যেন ভবিষ্যতে আবারও কেউ জনগণের উপরনিপীড়ন চালানোর সাহস না করে।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের উদ্যোগে ষোলশহর সুপার মার্কেট চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাসান রুমীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা মফিজুল হকের সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, পাঁচলাইশ থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তাওহীদ আজাদ, থানার কর্মপরিষদ সদস্য সোহেল রানা, ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল হোসাইন, পশ্চিম ষোলশহর আমীর অধ্যক্ষ কাজী আব্বাস আলী প্রমুখ।*এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।*

*বাকলিয়া থানা*বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাকলিয়া থানার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আমীর ওয়াহিদ মোর্শেদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন সওদাগরের সঞ্চালনায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী নায়েবে আমীর ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহ।

উক্ত সমাবেশ বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরী এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুছ, বাকলিয়া থানা জামায়াতের আমীর সুলতান আহমদ, নায়েবে আমীর আবুল মনসুর, পেশাজীবী সম্পাদক মফিজুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ নাছির ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমীর এরফানুল আজিম চৌধুরী প্রমুখ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহ বলেন, জামায়াতের কর্মীদের পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় ও ইবাদত বন্দেগীর অনুভূতি নিয়ে সমাজে সাধারণ মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের উন্নত নৈতিক চরিত্র অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে দ্বীনের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

*চকবাজার থানা*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চকবাজার থানা জামায়াতের আলোচনা সভা ও ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা ও চট্টগ্রাম মহানগরী নায়েবে আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন। থানা আমীর আহমদ খালেদুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে থানা সেক্রেটারি সাদুর রশিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জামান হেলালী, থানা নায়েবে আমীর মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান, কোতোয়ালী থানা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমেদ, থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, থানা কর্মপরিষদ সদস্য, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, এরশাদুল ইসলাম প্রমুখ।*ডবলমুরিং থানা* ডবলমুরিং থানা জামায়াতের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। থানা আমীর মো. ফারুকে আযমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মো. সালাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলনের সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ডবলমুরিং থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, থানা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মজিবুর রহমান, বেলায়েত হোসেন, হাফেজ শহিদুল্লাহ, মাকসুদুর রহমান প্রমুখ।*চান্দগাঁও থানা*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিশাল র‌্যালির আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চান্দগাঁও থানা। চান্দগাঁও থানা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ ইসমাইলের নেতৃত্বে হাজেরা তজু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সামনে থেকে শুরু করে বহদ্দারহাট মোড়ে গিয়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। এতে বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আযাদ চৌধুরী ও ওমর গনি, অফিস সেক্রেটারি আবদুল কাদের পাটওয়ারি, ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড আমীর মুজিবুর রহমান।

*সদরঘাট থানার যুব সমাবেশ*
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সদরঘাট থানার যুব বিভাগের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থানার যুব বিভাগের সভাপতি ফজলে এলাহী মুহাম্মদ শাহীনের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরী সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর শামসুজ্জামান হেলালী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরঘাট থানার আমীর মুহাম্মদ আবদুল গফুর। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদরঘাট থানার প্রশিক্ষণ সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড আমীর কবির আহমদ, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড আমীর মুহাম্মদ ইব্রাহীম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড আমীর হারুন অর রশিদ দিদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আজিজুর রহমান, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বায়তুলমাল সেক্রেটারি মুহাম্মদ আহসান প্রমুখ।

*বন্দর থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড*বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বন্দর থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড এমারতের উদ্যোগে বিকাল ৫টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওয়ার্ড আমীর ফিরোজ আহমদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন বন্দর থানা জামায়াতের আমীর মাহমুদুল আলম। আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক কাউন্সিলর ও সমাজসেবক শফিউল আলম।

*হালিশহর ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড*
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হালিশহর থানার ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড এমারতের উদ্যোগে বিকাল ৪টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুস শাকুর। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হালিশহর থানা জামায়াতের আমীর ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ। আরো বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজসেবক এডভোকেট শেখ জুবায়ের মাহমুদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল হাশেম চৌধুরী, দক্ষিণ কাট্টলী এমারতের সেক্রেটারি এবিএম সুলাইমান, মাওলানা মাকসুদুর রহমান প্রমুখ।*খুলশী ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৩ নম্বর পাহাড়তলী প্রশাসনিক ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতির বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলশী থানার আমীর অধ্যাপক আলমগীর ভূঁইয়া। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলশী থানার নায়েবে আমীর আইয়ুুব আলী হায়দার, ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহফুজুল আলম এবং সভাপতিত্ব করেন খুলশী থানা শুরা এবং কর্মপরিষদ সদস্য ও ১৩ নম্বর প্রশাসনিক ওয়ার্ডের আমীর ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলশী থানার শুরা এবং কর্মপরিষদ সদস্য ও ১৩ নম্বর প্রশাসনিক ওয়ার্ডের সেক্রেটারি অধ্যাপক মহিবউল্লাহ চৌধুরী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন কে এম জাবেদ, এরশাদ খান, নাসির উদ্দিন, মাওলানা মুমিনুল ইসলাম পাটোওয়ারী, আব্দুল্লাহিল আমান পারভেজ, জাহাঙ্গীর আলম, সুলতান আহমেদ এবং নুরুল ইসলাম।*ইপিজেড থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড*মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইপিজেড থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইপিজেড থানা আমীর আবুল মোকাররম। আরও বক্তব্য রাখেন ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল আরিফ, বাইতুলমান সম্পাদক আব্দুর রহিম বিশ্বাস, অফিস সম্পাদক মামুন খান, বিশিষ্ট সমাজসেবক এডভোকেট মো. শাহেদ। প্রোগ্রামের সভাপতিত্ব করেন এড. মোহাম্মদ শাহেদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

বিএসএফের টাকার টোপে সীমান্তের দরিদ্ররা সহযোগিতা করছেন পুশ-ইনে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীমান্তজুড়ে পুশ-ইন ইস্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা দিয়ে নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে কড়া নজরদারির কারণে অনেক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও এ কাজে সীমান্ত এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে অর্থের প্রলোভনে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্তে গিয়ে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নদীপথগুলো এখন নতুন কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে। আগে যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কিংবা স্থলপথে কড়াকড়ি ছিল, এখন সেখানে নদীপথকে ব্যবহার করে রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরের সময় পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন একাধিক ঘটনার তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র কিছু বাংলাদেশিকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে ব্যবহার করছে বিএসএফ।

সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিএসএফের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এসব পুশইনে সহায়তা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একজনকে পুশ-ইন করতে পারলে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে।

তবে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং যেকোনো পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ