আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

বিশ্বের প্রায় ১৭৬টি দেশে ১ কোটি ৩০ লাখের অধিক বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মী কর্মরত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম মেরুদন্ড। প্রবাসী কর্তৃক প্রেরিত রেমিটেন্স দেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একমাত্র খাত। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স দিন দিন দেশের অর্থনীতিকে অধিকতর শক্তিশালী করছে। তাই দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে প্রবাসীদের ভূমিকা অপরিসীম।
বুধবার চট্টগ্রাম মহানগরীর সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এবং জেলা কর্মসং¯’ান ও জনশক্তি অফিস আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপ¯ি’ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে “প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার – বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার”
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মহেন্দ্র চাকমার সভাপতিত্বে এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ কোরিয়া টেকনিকেল ট্রেনিং সেন্টার (বিকেটিটিসি) অধ্যক্ষ প্রকৌশলী পলাশ কুমার বড়ুয়া, মহিলা টেকনিকেল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আশরিফা তানজীম বক্তব্য রাখেন। এসময় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, প্রবাসীরা আমাদের অমূল্য সম্পদ। কোন এলাকায় একজন প্রবাসী থাকলে সে এলাকার যুবক ছেলেদেরকে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়। এতে দেশের বেকার সমস্যা যেমন সমাধান হয় তেমনি অর্থনীতি হয় আরো শক্তিশালী। তিনি বলেন, প্রবাসীরা যেরূপ তাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়ে এই দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেরূপ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। তাই প্রবাসীদের বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া উচিত। দেশে ও বিদেশে কোন প্রবাসী যাতে কোনরকম হয়রানির শিকার না হন, তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় সে ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকতে হবে।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক বলেন, প্রবাসী বল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৬৮ টি দেশে বৈধভাবে কর্মী প্রেরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশে^ প্রায় ১৭৬ টি দেশে ১ কোটি ৩০ লাখের অধিক বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মী কর্মরত আছেন এবং তাদের প্রেরিত রেমিটেন্স আমাদের জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ।
তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস হতে পহেলা জানুয়ারি ২০২৪ হতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বমোট ৬১ হাজার ২শ ৪৯জন অভিবাসন প্রত্যাশী কর্মীর নাম কেন্দ্রীয় ডাটা ব্যাংকে নিবন্ধন এবং ফিঙ্গার প্রিন্ট গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলায় বিকেটিটিসি, মহিলা টিটিসি, টিটিসি রাউজান ও সন্ধীপ অভিবাস প্রত্যাশী কর্মীদের প্রাক-বর্হিগমন প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী পরিবারের মেধাবী সন্তান, মৃত প্রবাসী পরিবার, প্রতিবন্ধী, সর্বো”চ রেমিটেন্স প্রদানকারী পরিবারের সদস্যদের চেক প্রদান করা হয়। এছাড়াও এ উপলক্ষে আগ্রাবাদস্থ জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসে দিনব্যাপী জব ফেয়ার এর আয়োজন করা হয়েছে।
আলোচনা সভার শুরুতে সার্কিট হাউস চত্বরে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে বিভাগীয় কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, বাংলাদেশ কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শিক্ষনবিশি প্রশিক্ষণ দপ্তর, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওয়েল ফেয়ার সেন্টার, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত অংশ নেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিক্ষিত রাজনীতিবীদ সাংসদ এরশাদ উল্লাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাজ্জাদ হোসেন খাঁন : আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আস্তা-বিশ্বাস ও ধৈর্য শব্দটির তাজ্জবতা অতি গুরুত্বপূর্ণ, যা আমার নিজের দু চোখ এই ৩টি শব্দ সমূহের বাস্তব স্বাক্ষী। যাকে নিয়ে কথা গুলো বলছিলাম, আমাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বর্তমান আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম ৮ -সংসদীয় আসনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের প্রতি আস্তাশীল যেমন-তেমনি শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আর্দশের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস ও নিজের ধৈর্য শক্তির পরিক্ষাতেও উত্তির্ণ রাজনীতিবীদ পরিক্ষিত থেকে ভাগ্য প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অন্যন দৃষ্টান্ত এমপি এরশাদ উল্লাহ।

২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর পরর্বতী বিস্ময় এর এক রাজনৈতিক আচমকা সংকটের মূখে প্রিয় স্বদেশ যার সংকেপে বলতে গেলে তৎকালীন ১/১১ “ওয়ান ইলেভেন”। ঠিক সেই রাজনৈতিক কঠিন সংকটময় মূর্হতে বীর চট্টলার গুটি কয়েকজন মধ্যম সারির নেতাদের মধ্যে নীতিনির্ধারকের ভূমিকায় নানান কৈাশলে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে এরশাদ উল্লাহর আবির্ভাব যেন দিশেহারা তৃণমূল কর্মীদের জাগিয়ে ছিল আশার আলো আর এ আলোকে আরো আলোকিত করেছিল ডা: শাহাদাত, নাজিমুর রহমান, শ্রমিক নেতা নাজিম উদ্দিন, কমিশনার শামসুল আলম, এডভোকেট আব্দুস সত্তার সহ আমরা অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের জুনিয়র কিছু সহযোগি কর্মী হিসেবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সীমিত আকারে দলীয় কর্মকান্ড শুরু করি অতি গোপনীয়তা রক্ষা করে এরি মাঝে চলমান ছিল মঈন-ফখরুদ্দীনের জারী করা জরুরী অবস্থায় এবং তাদের শাসন ব্যবস্থা।

এরশাদ উল্লাহর মূল শক্তি বিএনপির তৃণমূল কর্মীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। আমি একজন যা নিজের দু চোখ কখনো ভুল বলতে পারেনা তারপর শুরু হয়ে গেল কিছুটা জরুরী অবস্থার শিথিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনীয় ডামা-ঢোল প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকান্ড ঘরোয়া পরিবেশের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম, এরশাদ উল্লাহ বিএনপির মনোনিত তৎকালীন চারদলীয় জোট প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশনেন আর সেই নীল নকশার ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে পরাজিত হয়েও মানুষ এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি রেখে দিয়েছেন আস্তা বিশ্বাস ও পরিপূর্ণ ভালোবাসা যেন পিছু ছাড়েনি এরশাদ উল্লাহর তারপর আবারো দৃঢ় অবস্থান ব্যাক্তিগত সদিচ্ছা অনিশ্চায়তাকে হার মানিয়ে নানান ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে পথচলার তার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিজের উপর আস্তা-বিশ্বাস এরশাদ উল্লাহর আজকের সফলতা ২০২৬ সালের সধ্য সমাপ্ত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ