আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছুরিকাঘাতে দুইজন নিহত 

বদিউজ্জামান রাজাবাবু  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মল্লিকপুরে বিজয় দিবসের পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে দুই কিশোর দলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে মারামারির একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে দুই কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সুমন, আরমান, রজব ও ইমন নামে ৪জন আহত হয়েছে। আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রাতেই তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে নাচোল উপজেলার মল্লিকপুর বাজারে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের খোলসী গ্রামের মৃত এজাবুলের ছেলে মাসুদ (১৬) ও একই ইউনিয়নের চাঁদপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে রায়হান (১৩)।

স্থানীয়রা জানান,, নিহত মাসুদ রানা (১৬) নাচোল উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ছিলেন ও  চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। নিহত মাসুদ রানা ইলেকট্রিকাল ডিপার্টমেন্টের ছাএ ও নিহত রায়হান (১৩) পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র।  নিহত মাসুদ রানা গত রবিবার রাতে নাচোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  দেয়ালে দেয়ালে জয় বাংলা স্লোগান লিখেন।

নিহত মাসুদ ও রায়হানের পরিবার জানায়, কি কারণে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। খবর পেয়ে তারা ছুটে আসেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাহাদ আকিদ রেহমান জানান, আমাদের কাছে আসার পূর্বেই মাসুদ ও রায়হান মারা যায়। ইসিজি করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। আহত দুই জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে স্থানীয় একটি ক্লাবের উদ্যোগে বিজয় দিবসের পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে দুই দল কিশোরের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে এই ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানস্থলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি ঘটনা ঘটলে স্থানীয় লোকজন তাদের থামিয়ে দেয়। পরে তারা অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে এখন পর্যন্ত প্রকৃত কারণ জানা যায়নি।

দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে রয়েছে এবং হত্যাকান্ডে জড়িত দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ