আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহে কমিটি গঠন

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদ খানের নির্দেশে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি শামীম তালুকদার ও ময়মনসিংহ জেলার সাধারণ সম্পাদক সজীব রাজভর বিপিনের স্বাক্ষরিত সারাদেশের ন্যায় জেলা ও উপজেলায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠনের ধারাবাহিকতায় গফরগাঁও উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে সাংবাদিক বেলাল হোসেন বেলালকে সভাপতি ও মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি শামীম তালুকদার । ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন বেলাল হোসেন বেলাল, সভাপত্বিত করেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ও জেলার সভাপতি খালেদ হাসান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোনা জেলার সহ-সভাপতি মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল , বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ জেলার অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, মহানগর সাধারন সম্পাদক আমিনুর প্রমুখ।

গফরগাঁও উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুমোদনপ্রাপ্ত কমিটির অন্যরা হলেন লিমা আক্তার জুই সিনিয়র সহ-সভাপতি এশিয়ান টিভি, মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম সহ-সভাপতি দৈনিক আজকের দর্পন, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক দৈনিক দেশ বর্তমান, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম কাঞ্চন সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক আমার কাগজ, মোহাম্মদ সারোয়ার ফরাজী সম্মানিত সদস্য, দৈনিক আজকালের খবর, মোহাম্মদ কামাল মন্ডল সদস্য দৈনিক দেশ।আলোচনায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নেতারা।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ