আজঃ মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রামে পোল্ট্রি খাতে অস্থিরতা উৎপাদন কমিয়ে আনছে খামারিরা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রাম পোল্ট্রি খাতে অস্থিরতার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গেল দুই সপ্তাহে খুচরায় সবচেয়ে সহজলভ্য ‘ব্রয়লার’ মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। ৩০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে সোনালি ও লেয়ার মুরগির দামও।

খামারিদের দাবি, গেল কয়েক বছরে মুরগির খাবার, ওষুধ ও বাচ্চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি মুরগি লালন-পালন শুরু করেছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান সরাসরি মুরগি লালন-পালন ছাড়াও পছন্দের খামারির সঙ্গে ‘চুক্তিভিত্তিক’ খামার শুরু করেছে। এতে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছেন না স্বল্প পুঁজির প্রন্তিক খামারিরা। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে লোকসানে পড়ে খামার গুটিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ খামারি। আবার এখনও যারা টিকে আছেন তারাও নিঃস্ব হওয়ার পথে। তাই প্রান্তিক খামারিদের অস্তিত্ব রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কিছু দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। তাদের দাবিতে কর্ণপাত না করায় জানুয়ারি থেকে মুরগি ও ডিম উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এদিকে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে চুক্তিভিত্তিক খামার বন্ধ, করপোরেট সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ ১০ দফা দাবিতে ডিম ও মুরগি উৎপাদন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল খামারিরা। দাবি আদায় না হলে নতুন বছরের শুরু থেকে সারাদেশে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। এরপর প্রায় ২ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি সমাধানে এগিয়ে আসেনি কেউ। অগত্যা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় খামারিরা। এখন থেকেই মুরগি ও ডিম উৎপাদন কমিয়ে আনতে শুরু করেছেন কেউ কেউ। এরমধ্যে লাফিয়ে বাড়ছে মুরগির দাম।
জানা গেছে, খামারিদের ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে করপোরেট কোম্পানিগুলোকে শুধু ফিড ও মুরগির বাচ্চা উৎপাদনে সীমাবদ্ধ রাখা; বাণিজ্যিকভাবে ডিম ও মুরগি উৎপাদন বন্ধ করা, ফিড ও মুরগির বাচ্চার সিন্ডিকেট বন্ধ করা; প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা; ক্ষুদ্র খামারিদের সহজ শর্তে ঋণ ও ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা করা; ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা; প্রান্তিক খামারিদের জন্য পৃথক বাজার সুবিধা তৈরি করা; করপোরেট সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ; কন্ট্রাক্ট ফার্মিং বন্ধ করা এবং প্রান্তিক খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া।
পোাল্ট্রি শিল্পে প্রান্তিক খামারিদের সঙ্গে গেল প্রায় এক যুগ ধরে যুক্ত ফটিকছড়ির হেঁয়াকো এলাকার ডিলার মো. ইদ্রীস। তিনি বলেন, গেল কয়েক বছরে উত্তর ফটিকছড়িতে যারা খামার করতো তাদের অধিকাংশই লোকসান দিতে দিতে নিঃস্ব হয়ে গেছে। শুরুর দিকে অনেক শিক্ষিত তরুণ এই খাতে আগ্রহী হয়ে উঠেছিল, কিন্তু এখন অবস্থা খুবই খারাপ। ভাগ্য ফেরানোর আশায় এই খাতে এসে এখন নিঃস্ব হয়ে ফিরছে সবাই। এর পেছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী করপোরেট খামারিরা।
এই বিষয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রাম পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিটন প্রসাদ চৌধুরী বলেন, প্রান্তিক খামারিদের পুঁজি কম। অল্প পুঁজি নিয়ে ছোট ছোট খামার করেন সবাই। তাই করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর হাজার কোটি টাকার কার্যক্রমের সঙ্গে আমরা পেরে উঠছি না। আমি নিজেই সম্প্রতি টানা চারবার লোকসানে পড়েছি। আমরা কয়েকবছর ধরে এটা নিয়ে কথা বলছি, কিন্তু কেউ কর্ণপাত করছে না।
তিনি বলেন, শুরুতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু মুরগির খাবার, ওষুধ আর বাচ্চা উৎপাদন করলেও পরে মুরগি লালন-পালন শুরু করে। এতে তারাই বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। আমরা লাখ লাখ প্রান্তিক খামারি তাদের সামনে কিছুই না, এই ‘জনা বিশেক’ মোড়লের হাতে আমাদের সবার ভাগ্য বন্দী। চুক্তিভিত্তিক খামার বন্ধ এবং বাচ্চা আর খাবারের দাম কমানো না গেলে প্রান্তিক খামারিদের বাঁচানো সম্ভব না।
প্রাণিসম্পদ দপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান বলেন, খামারিরা খামার বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে। ইচ্ছে করলেই তো আর সবকিছু হয়ে যায় না। এখন ১ জানুয়ারি আসুক, দেখা যাক কী হয়।
করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর চুক্তিভিত্তিক খামার ও প্রান্তিক খামারিদের অন্যান্য দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের সুযোগ আমরা দিয়েছি নাকি? রাষ্ট্র দিয়েছে। রাষ্ট্র যদি চিন্তা করে তাহলে বন্ধ করবে। দুই পক্ষেরই স্বার্থ ঠিক রাখতে হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চবি প্রশাসনিক ভবনে তালা প্রো-ভিসির ‘বিতর্কিত’ বক্তব্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছে ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন। সোমবার বেলা ১২টার দিকে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে চবি উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে সংহতি জানিয়ে এসময় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জশদ জাকির, প্রচার সম্পাদক মুশরেফুল হক রাকিব, সদস্য ও অতীশ দীপংকর হল সংসদের ভিপি রিপুল চাকমা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদ শাহরিয়ার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক চন্দনা রানী, ছাত্র ইউনিয়নের দফতর সম্পাদক শেখ জুনায়েদ কবির ও নারী অঙ্গনের সংগঠক সুমাইয়া শিকদার উপস্থিত ছিলেন।

ভবনে তালা লাগানো শেষে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় চলে সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। জামাতিদের টাকায় নয়। বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনায় সভায় উপ-উপাচার্য শামীম উদ্দিন খান স্যার পাকিস্তানিদের যোদ্ধা বলেছে। অথচ এই পাকিস্তানি বাহিনী এদেশের জনগণকে হত্যা করেছে। আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তার এ বক্তব্যর জন্য ক্ষমা চেয়ে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া আমরা তালা খুলব না।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি ধ্রুব বড়ুয়া বলেন, শামীম স্যারের বক্তব্যকে আমরা ঘৃণাভরের প্রত্যাখ্যান করেছি। তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে বুঝা যায় তিনি ১৯৭১ সালে যদি তিনি থাকতেন, তাহলে রাজাকারের ভূমিকায় পালন করতেন। আমরা অবশ্যই তার পদত্যাগ দাবি করছি।

এর আগে, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে গত রোববার চবি প্রশাসনের আলোচনা সভায় অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খান বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের দিন নির্ধারিত ছিল। তারা (পাকিস্তান সেনাবাহিনী) ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তারা জীবিত না মৃত অবস্থায় ফিরবে- সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা ছিল না।

এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করবে- এই ধারণা রীতিমতো অবান্তর। এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। এই দেশকে অন্য একটি দেশের করদরাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্যেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। অনুষ্ঠানে মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহ আনিস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জামাল উদ্দিন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আরিফের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, গ্রন্থগার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল পাশা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ফিরে এসেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন ঘটে। পরে অর্ন্তর্র্বতী সরকারের নেতৃত্বে জাতি নতুন এক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে সকল পেশার, সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে এই ঐক্যের আলোকে আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণের আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ