চট্টগ্রাম ওয়াসার ৫,১৫২ কোটি টাকার প্রকল্পে মানুষ যুক্ত হচ্ছে উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সেবায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (ওয়াসা)’র প্রকল্পে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষ যুক্ত হবে উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সেবায়। বন্দর নগরীর কালুরঘাট ও বাকলিয়া অঞ্চলের জন্য কেন্দ্রীয় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ৫ হাজার ১৫২.৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে ওয়াসা। প্রকল্পটি সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে চট্টগ্রামে কেন্দ্রীয় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনায় শহরটিকে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়। এই প্রকল্পটি সেই মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় দ্বিতীয় বৃহৎ উদ্যোগ।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ২০৩৫ সালের মধ্যে কালুরঘাট ও বাকলিয়া এলাকার ৪ লাখ মানুষ এবং ২০৭০ সালের মধ্যে ১৮ লাখ মানুষ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি ১১ কিলোমিটার প্রধান স্যুয়ার লাইন, ৭০ কিলোমিটার শাখা স্যুয়ার লাইন, ৭০ কিলোমিটার সার্ভিস লাইন, ৯৩২টি ম্যানহোল এবং ১৪

 

হাজার গৃহসংযোগ ও ১৪ হাজার ক্যাচপিট স্থাপন করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের অধীনে কালুরঘাটের হামিদচর এলাকায় দৈনিক ৬০ হাজার ঘনমিটার সক্ষমতার একটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীতে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৪০০ মিলিয়ন লিটার পয়ঃবর্জ্য উৎপন্ন হয়। নালা-খাল গড়িয়ে এসব বর্জ্য যায় কর্ণফুলী ও হালদা নদীতে, জোয়ার-ভাটার টানে যার শেষ ঠিকানা হয় বঙ্গোপসাগর। বর্তমানে দৈনিক ৫৩৯ ঘনমিটার ফিক্যাল স্লাজ (মানব বর্জ্য) জমা হয়

সেপটিক ট্যাংকে। এর মধ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও এনজিওর মাধ্যমে মাত্র ৩৫ ঘনমিটার পরিশোধনের ব্যবস্থা রয়েছে। বাকিগুলো নদী ও সাগরে গিয়ে পড়ে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, চট্টগ্রাম শহরের মানুষের সুপেয় পানির উৎস কর্ণফুলী ও হালদা নদীকে বাঁচাতে হলে সব এলাকাকে স্যুয়ারেজ ব্যবস্থাপনায় আওতায় আনতে হবে।

ওয়াসা সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের মধ্যে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ সহায়তা দেবে প্রায় ৪ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ঋণ দেবে প্রায় ৫৮১.৫৬ কোটি টাকা, সরকার অনুদান দেবে ৩৮৭.৭১ কোটি টাকা এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার নিজস্ব অর্থ রয়েছে ৩৯ কোটি টাকা।

এদিকে প্রকল্পটির ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নের জন্য ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট এলাকায় পয়ঃশোধনাগার নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ’ শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। ২ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির অধীনে কালুরঘাট এলাকায় ৭৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ১ হাজার ২৯২ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারের ঋণ ও বাকি ৮৬২ কোটি টাকা অনুদান।

ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্পটির অধীনে জলাশয় বা নিচু ভূমি প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু করা হবে। প্রকল্পটি মূল্যায়ন কমিটি ও প্রি-একনেক সভার অনুমোদন পেয়ে বর্তমানে একনেকে ওঠার অপেক্ষায় আছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল আমিন বলেন, প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথম তিন বছর ডিজাইন, ড্রইং ও দরপত্র আহ্ববান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চতুর্থ বছর থেকে পুরোদমে নির্মাণ কাজ করা হবে।

এদিকে শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার জন্য ২০১৭ সালে স্যুয়ারেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় চট্টগ্রাম শহরকে ছয়টি ক্যাচমেন্ট এলাকায় ভাগ করা হয়।
প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের নভেম্বরে প্রথম ক্যাচমেন্ট প্রকল্প অনুমোদন পায়। কিন্তু প্রকল্পটি বড় বিলম্বের মুখে পড়েছে। শুরুতে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। সেই ব্যয় বেড়ে এখন দাঁড়াচ্ছে ৪ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। তবে ব্যয় বাড়ানোর চূড়ান্ত অনুমোদন এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পটির অধীনে দৈনিক ১০ কোটি লিটার বর্জ্য

 

পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং দৈনিক ৩০০ ঘনমিটার পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ফিক্যাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন ও ২০০ কিলোমিটার পয়ঃনালা নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, নগরীর ২২টি ওয়ার্ডের ৩৬ বর্গকিলোমিটার এলাকার ২০ লাখ মানুষ উন্নত পয়ঃনিষ্কাশনব্যবস্থার সুফল পাবে। ২০২৩ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দুই দফা মেয়াদ বাড়িয়েও প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি ৫১ শতাংশ।

এছাড়া চট্টগ্রাম ওয়াসা তাদের ছয়টি অঞ্চলের পয়ঃনিষ্কাশন মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আরও তিনটি ক্যাচমেন্ট বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে নগরীর ৮৯ লাখ বাসিন্দাকে একটি সমন্বিত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা ফতেহাবাদ ক্যাচমেন্টে (এসটিপি-৩) প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়ার ডেভলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ডও (ইডিসিএফ) সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছে। এ প্রকল্পের অধীনে দৈনিক ৬০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য

 

পরিশোধন করা যাবে। এর আওতাভুক্ত হবে নগরী ও হাটহাজারী উপজেলার প্রায় ৩০ লাখ মানুষ।
২,৮৩৫ কোটি টাকা প্রাক্কলন ব্যয় ধরা উত্তর কাট্টলি ক্যাচমেন্টের (এসটিপি-৫) প্রকল্পের অর্থায়নে আগ্রহী ফ্রান্স ডেভলপমেন্ট এজেন্সি (এএফডি) সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করছে। ব্যয়ের মধ্যে ১ হাজার ৯১২ কোটি এএফডির ঋণ সহায়তা ও ৯১৩ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন। প্রকল্পটির আওতায় দৈনিক ৫০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য পরিশোধন করা যাবে। এর আওতাভুক্ত হবে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ মানুষ।

 

৯ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পতেঙ্গা ক্যাচমেন্ট (এসটিপি-৬) প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে করতে আগ্রহী মারুবিনি কর্পোরেশন। প্রকল্পটির আওতায় দৈনিক ৫০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য পরিশোধন করা যাবে। এর আওতাভুক্ত হবে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ মানুষ।এই প্রকল্পগুলো বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশন ও অন্যান্য সরকারি কমিটির পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

চট্টগ্রামে এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর দুইদিন পর এবার সিরাজুল মনিরা (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সিরাজুল মনিরা সীতাকুণ্ড পৌরসভার আমিরাবাদ এলাকার নুরুন্নবীর মেয়ে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তির একদিন না পেরোতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রাফসান মোহাম্মদ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাদের কাছে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত রাফসান মোহাম্মদ প্রাচুর্য সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট তুলাতলি এলাকার সাত নম্বর ওয়ার্ডের মৃত নুরুল আলমের ছেলে। পরিবারের তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে রাফসান বড় ছেলে ছিলেন। রাফসান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

মনিরার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বরসহ নানান শারীরিক অসুস্থতায় খুব দুর্বল হয়ে পড়ে সে। অবস্থার অবনতি হতে দেখে অভিভাবকরা তাকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড পৌরসদরের মেডিকেয়ার ল্যাবে নিয়ে আসলে চিকিৎসক এনএসওয়ান পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করাতে বলেন চিকিৎসক। সেখানে বুধবার তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে রাফসানের ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন জানান, রাফসান গত পাঁচদিন আগ থেকে জ্বরে ভুগছিলেন। পরে ১০ সেপ্টেম্বর তাকে চট্টগ্রাম নগরীর মেরনসিটি নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তার স্বজনরা তাকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। পরে রাফসানকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দুইটার সময় তার মৃত্যু হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার সময় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করালাম দুই দুইটার সময় রাফসান মারা যান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করেছে। যা অতিরিক্ত।
পরিবারের অভিযোগ, অল্প সময়ের চিকিৎসার বিপরীতে এত বেশি বিল হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে চাপে পড়েছেন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ