আজঃ বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল, ২০২৬

বাঘামারায় শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউ, এন, ও

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনসেবার জন্য প্রশাসন। কথায় নয়,কাজে প্রমান করতে জনসম্পৃক্ততায় এগিয়ে যেতে চান বাঘার উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার। সরকারের নির্দেশনা মতে সকলের সহযোগিতায় নিরলস প্রচেষ্টা তার। অফিসিয়াল কাজের ফাঁকে রাতেও যাচ্ছেন নিম্ন আয়ের সুবিধা বঞ্চিতদের কাছে শীতবস্ত্র (কম্বল) নিয়ে।

 

পথচারি,ফুটপাতের সুবিধাভুগি শীতার্ত মানুষদের হাতে তুলে দিচ্ছেন শীতবস্ত্র (কম্বল)।প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ভান্ডার হতে পাওয়া শীতবস্ত্র (কম্বল), উপজেলার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও তৃতীয় লিঙ্গসহ এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম,মাদ্রাসা, গুচ্ছ গ্রাম,পথচারি,ফুটপাতের সুবিধাভুগি শীতার্ত মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার- সহকারি কমিশনার (ভ’মি) সাবিহা সুলতানা ডলিসহ উপজেলা প্রশাসনের দপ্তর প্রধানদের নিয়ে ওইসব এলাকায় গিয়ে সুবিধাবঞ্চিতদের হাতে শীত বস্ত্র তুলে দেন।

 

জানা যায়,সরকারি বরাদ্দের টাকায় কেনা কম্বল, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিতরণের ক্ষেত্রে, জেলা প্রশাসকের দিক নির্দেশনায় কখনো নিজে আবার কখনো তার উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারের তদারকির মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। চলমান প্রক্রিয়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

৭ জানুয়ারি কথা হলে তিনি জানান, শুধু শীতবস্ত্র বিতরণই নয়,জনসেবার ক্ষেত্রে উপজেলার প্রতিটি দপ্তর জনগণের আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান,প্রতি ইউনিয়নে সাড়ে ৪ শত পিচ করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

 

শীতবস্ত্র (কম্বল) পাওয়া সরেরহাট কল্যাণী শিশু সদন ও বৃদ্ধাশ্রমের খাদিজা বেওয়া বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে শীতবস্ত্র (কম্বল) দিয়ে গেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে চোলাই মদের কারখানায় অভিযানে গ্রেফতার-৬

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানা এলাকায় চোলাইমদের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রিপন চাকমা (২৬), বিপ্লব চাকমা (২৬), টুনি চাকমা (৩৯), কৌশল বিকাশ চাকমা (২৮), বাবুধন চাকমা (২৭) ও রেবিকা চাকমা (২৬)। বুধবার রাত সোয়া ২টায় থানার দক্ষিণ মোহরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

চান্দগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ জানান, রাতে দক্ষিণ মোহরা এলাকার একটি ভবনের নিচতলা থেকে ৫১০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ, ১ হাজার লিটার পানি মিশ্রিত গাঁজনকৃত শর্করা জাতীয় তরল পদার্থ ও চোলাই মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ ও সরঞ্জামাদিসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতার আসামিরা পার্বত্য জেলা থেকে চোলাইমদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে ওই ভাড়া বাসায় চোলাইমদের কারখানা স্থাপন করে। ওই কারখানায় চোলাইমদ উৎপাদন করে সেগুলো পাইকারি ও খুচরা দামে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করার চেষ্টা করছিল। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম বন্দরে ভূয়া নথিপত্র দিয়ে পাচারের চেষ্টায় কন্টেইনার জব্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভূয়া নথিপত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার পাচারের চেষ্টাকালে জব্দ করা হয়। কন্টেইনারটির এজেন্ট কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স, রোটেশন নম্বর-২৫/৩৮৭১, ভেসেল-স্বদেশী চিটাগাং, আমদানীকারক-ফাহিম এটেয়ার এন্ড কম্পোজিট লিমিটেড বলে জানা গেছে।

বুধবার চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার কন্টেইনারটি পাচারের উদ্দেশ্যে জে এস ইন্টারন্যাশানাল সিএন্ডএফ এজেন্ট এর একটি ভূয়া অন-চেসিস অনুমতিপত্র, চালান এবং গেইট পাস ব্যবহার করে এনসিটি ব্যাকআপ ইয়ার্ড থেকে ট্রেইলার নম্বর-চট্টমেট্রো-ঢ-৮১-২৩৬৪ এ লোড করে সিপিএআর গেইট ব্যবহার করে আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৪টায় কন্টেইনারটি বের করা হয়। গোপন খবরের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগ গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরু করে এবং এক পর্যায়ে কন্টেইনারটির অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে কন্টেইনারটিসহ উক্ত ট্রেইলারটি বারনীঘাট, হালিশহর, শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশে, বিএমডি সাইফুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামক একটি গ্যারেজে হতে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগ কর্তৃক বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ২৩.৩০ ঘটিকায় ট্রেইলারসহ কন্টেইনারটি আটক করা হয়। এ সময় কন্টেইনারটি পাচারের সাথে জড়িতরা পালিয়ে যায়। এদিকে এ বিষয়ে দায়ী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং বন্দর থানায় মামলা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ