আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

নতুন ভর্তি আরও ১৮ জন চট্টগ্রাম জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৭৬ জন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু ভর্তি হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে আরও ১৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত জেলা হাম পরিস্থিতির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে (৩১ মার্চ) মঙ্গলবারও ২৬ জন হাম আক্রান্ত সন্দেহে হাসাপাতালে ভর্তি হন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জনই চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার এবং বাকি ২ জন জেলার ১৫টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। তবে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিতভাবে কোনো হাম রোগী শনাক্ত হয়নি।এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, শিশুটির স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার জেলায়।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৭৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮ জনের ক্ষেত্রে হামের জীবাণু নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজ বুধবারও পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আরও ২০টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে যারা হাসপাতালে আসছে আমরা তাদের নমুনা ঢাকায় পাঠাচ্ছি। হামের উপসর্গ নিয়ে কঙবাজার থেকে চমেক হাসপাতালে আসা এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার নমুনার রিপোর্ট এখনো আসেনি।

চমেক হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিঞা বলেন, আমাদের হাসপাতালে আসা বেশিরভাগ শিশু টিকা নেয়নি। আবার কিছু শিশুর টিকা নেওয়ার বয়স হয়নি, কিছু শিশু এক ডোজ টিকা নিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি। আবার দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে এমন শিশুও আছে। আসলে কোনো টিকার কার্যক্ষমতা ১০০ শতাংশ না। টিকা নেওয়ার পরেও হয়তো টিকা কাজ করেনি। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি। এটি স্বাভাবিক ঘটনা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ভূটানের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কিংডম অব ভূটান এর রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন করেন। চট্টগ্রাম বন্দরে পেৌছালে মাননীয় চেয়ারম্যান চবক, রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় চেয়ারম্যান তাঁর সময়কালে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অগ্রগতির বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান আনন্দের সাথে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর কন্টেইনার, কার্গো ও জাহাজ হ্যান্ডলিং এ রের্কড গড়াসহ, জাহাজের ওয়েটিং টাইম শূন্যে নামানো, অটোমেশন এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত এবং ISPS টিম কর্তৃক জিরো অবজারভেশন অর্জনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত চবক এর সাফল্যে অভিভূত হন এবং চেয়ারম্যান, চবক কে ভূটান সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভূটানে কন্টেইনার প্রেরনের বিষয়ে সহযোগিতার জন্য চবক চেয়ারম্যানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবহার করে ভূটানের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম আরো গতিশীল করা সম্ভব হবে। পরিশেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও চেয়ারম্যান, চবক দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে দুদেশের সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্দশন করেন এবং কার্যক্রম দেখে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ