এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু ভর্তি হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে আরও ১৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত জেলা হাম পরিস্থিতির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে (৩১ মার্চ) মঙ্গলবারও ২৬ জন হাম আক্রান্ত সন্দেহে হাসাপাতালে ভর্তি হন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জনই চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার এবং বাকি ২ জন জেলার ১৫টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। তবে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিতভাবে কোনো হাম রোগী শনাক্ত হয়নি।এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, শিশুটির স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার জেলায়।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৭৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮ জনের ক্ষেত্রে হামের জীবাণু নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজ বুধবারও পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আরও ২০টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে যারা হাসপাতালে আসছে আমরা তাদের নমুনা ঢাকায় পাঠাচ্ছি। হামের উপসর্গ নিয়ে কঙবাজার থেকে চমেক হাসপাতালে আসা এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার নমুনার রিপোর্ট এখনো আসেনি।

চমেক হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিঞা বলেন, আমাদের হাসপাতালে আসা বেশিরভাগ শিশু টিকা নেয়নি। আবার কিছু শিশুর টিকা নেওয়ার বয়স হয়নি, কিছু শিশু এক ডোজ টিকা নিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি। আবার দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে এমন শিশুও আছে। আসলে কোনো টিকার কার্যক্ষমতা ১০০ শতাংশ না। টিকা নেওয়ার পরেও হয়তো টিকা কাজ করেনি। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি। এটি স্বাভাবিক ঘটনা।








