আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

৪৮ ঘন্টার মধ্যে শাস্তি মূলক ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন-বিএইচআরএফ

বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিমানবন্দরে ৫ প্রবাসীকে নিরাপত্তারক্ষীদের মা’র ধরের ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে শাস্তি মূলক ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন-বিএইচআরএফ

মানবাধিকার প্রেস রিলিজ :- গতকল্য ৮/১/২৫ বুধবার রাতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে ৫ প্রবাসী শারীরিক নির্যাতন ও আহত ব্যক্তিকে উল্টো সামারী ট্রায়েল করে পাঁচজাজার টাকা জরিমানার ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতি দৃষ্টিগোচর হলে এতে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন। বিএইচআরএফ চেয়ারপার্সন এডভোকেট এলিনা খান ও মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান মানবাধিকার লংঘনের এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান ও দায়ী ব্যাক্তিদের বিলম্ব না করে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে এবং আহত ভিকটিমদের সূচিকিৎসা ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরন দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।হেনস্থার শিকার যাত্রীরা অপরাধ করলে তাদের আইের কাছে সোপর্দ না করে তাদের শারীরিক মানসিক নির্যাতন একটি গুরুত্বর শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়ের চারজন এবং বাংলাদেশের এক নাগরিককে হেনস্তা করা হয়েছে এবং এর মধ্যে নরওয়ের একজনকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে এবং সামারী ট্রায়েল করে তাদের ৫০০০/- টাকা জরিমানা মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিএইচআরএফ এ ব্যাপারে আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের ঘোষনা দেয় এবং এ ব্যাপারে আইনী পদক্ষেপ নিতে সরকারকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করে । বিমানবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার রাত আটটার দিকে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানপি-২ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।বিমানবন্দরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর একটি সূত্র জানায়, মারধরের শিকার যাত্রীর নাম মোহাম্মদ সাইদ উদ্দিন। অন্য চারজন হলেন সাইদের বাবা গিয়াস উদ্দিন, মা বেগম মনোয়ারা, ভাই মোহাম্মদ মহি উদ্দিন এবং গিয়াস উদ্দিনের পুত্রবধূ ইপসা জান্নাতুল নাঈম। এই পাঁচজনকেই হেনস্তা করা হয়েছে। নরওয়ের নাগরিকদের হেনস্তা, একজনকে মারধরের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লংঘন। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাঁকে আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। শারীরিক নির্যাতন মারাত্মক শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়েজিয়ান নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি নাগরিকের প্রতি হেনস্তা এবং শারীরিক হামলার ঘটনায় ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিচার দাবী করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অভিযোগে জানা গেছে , বিমানবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যার ফলে মোহাম্মদ সাইদ উদ্দিন নামক একজন যাত্রী মারধরের শিকার হয়ে রক্তাক্ত হন।এই ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১-এর লঙ্ঘন, যা আইনের সুরক্ষা এবং আইনের অধীনে সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে। একইভাবে, এই ঘটনা অনুচ্ছেদ ৩৫-এর অধীনে নিষ্ঠুর, অমানবিক বা লাঞ্ছনাকর আচরণ নিষিদ্ধ করার বিধানও ভঙ্গ করেছে। এছাড়া, এই ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেরও বিরোধী, যেমন বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণা (UDHR) এর অনুচ্ছেদ ৫ এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক ও রাজনৈতিক অধিকার কনভেনশন (ICCPR) এর অনুচ্ছেদ ৭, যা বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র হিসাবে মান্য করতে বাধ্য।এই অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাদের ক্ষতির জন্য পূর্ণ এবং সুবিচারমূলক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী। উপরন্তু, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত এবং শাস্তি প্রদান করা উচিত।
এই লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএইচআরএফ সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে:
১.৪৮ ঘন্টার মধ্যে দায়ী রক্ষীদের প্রত্যাহার,সাময়িক বরখাস্ত করা।
২. একটি স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত চালানো, যাতে সমস্ত অপরাধীকে, তাদের পদমর্যাদা বা সংস্থার সদস্য পরিচয় যাই হোক না কেন, যথাযথভাবে দণ্ডিত করা হয়।
৩. ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন প্রদান করা, যা বাংলাদেশের সংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাসমূহের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
৪. বিমানবন্দর নিরাপত্তা কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে মানবাধিকার, পেশাদার আচরণ এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করা।
৫. সরকারি দুঃখ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীদের সম্মান পুনরুদ্ধার করা এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী সম্প্রদায়ের আস্থার পুনর্স্থাপন করা।

বিএইচআরএফ বাংলাদেশে সকল ব্যক্তির, বিশেষ করে প্রবাসী সম্প্রদায়ের, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতি ক্ষুন্ন করে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা কমিয়ে দেয়। এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ