রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের অন্যরকম এক সমুদ্র বিলাস কক্সবাজারে

বিনোদন প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

রেলওয়ে জার্নালিস্ট এ্যসোসিয়েশন (আরজেএ) আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন উপলক্ষে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে (কক্সবাজার) নবীন-প্রবীণ সাংবাদিকদের উপস্থিতি, যেন মিলন মেলায় রুপান্তরিত হয়েছে।  কক্সবাজারের পাটোয়ার টেক সী বিচ, কলাতলী সী বিচ, লাভনী পয়েন্ট সী বিচ, সুগন্ধা বিচ ও ইনানী বিচসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দুদিনব্যাপী উৎসবে মাতিয়েছেন বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত একঝাঁক পেশাদার সাংবাদিক।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক সকালের সময়’র চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টুর নেতৃত্বে গত ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে নগরীর টাইগারপাস থেকে পিকনিক স্পটের উদ্দেশে আরজেএ’র সদস্যদের নিয়ে প্রথম গাড়িটি কক্সবাজারের উদ্দ্যেশে রওনা হয়।  ঠিক ২৫ মিনিট পরে নগরীর মুরাদপুর থেকে দ্বিতীয় গাড়িটি পিকনিক স্পটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

 

আরজেএ লঘু সম্বলিত সাদা টি-শার্ট পড়ে গল্প,কবিতা, গান আর আড্ডায় দুটি গাড়ি মাতিয়ে রাখেন সংগঠনের সদস্যরা।  তবে প্রতিটি আনন্দঘন মুহুর্তে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে মিস করেছে বনভোজন আয়োজন কমিটি ও সদস্যগণ।  সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বনভোজনের গাড়ি দুটি থামেন চকরিয়ায়। প্রথম বিরতি।  হাল্কা নাস্তা, ফটোসেশন আর ৩০ মিনিটের আড্ডা শেষে গাড়ি দুটি ফের ছুটে চলে পিকনিক স্পটের দিকে।

 

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পৌঁছে যায় গন্তব্যে।  এরপর ওয়াল্ডবিচ রিসোর্টে যার যার কক্ষ বুঝে নেন বার্ষিক বনভোজনে অংশ নেওয়া আরজেএ’র সদস্যগণ।  ফ্রেশ হয়ে দুপুর দেড়টার সময় মধ্যাহ্নভোজের জন্য সাংবাদিকরা আবারও মিলিত হন তারকামানের একটি হোটেলে।  খাবারের মেন্যু হিসেবে পছন্দের তালিকায় ছিল হরেক রকমের মজাদার ভোজ, যার যার পছন্দ অনুযায়ী মেনু নির্বাচন ।

খাওয়া দাওয়ার পালা শেষ।  এবার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শণের পালা।  দুটো গাড়ি প্রথমে ছুটে চলে বাংলাদেশের প্রথম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের দিকে।  বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গাড়ি দুটি এসে থামেন কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে।  সাংবাদিকরা দল বেঁধে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কক্সবাজার জেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় অবস্থিত ছয়তলা বিশিষ্ট রেলওয়ে স্টেশনটি ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং যে যার মতো করে সংবাদ প্রকাশের জন্য তথ্য সংগ্রহ করে ও ফটোসেশন করে স্মৃতিগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করেন।

 

এরমধ্যেই সময় হয়ে এসেছে সূর্যাস্তের।  পশ্চিম আকাশে সূর্য লাল আভা ছড়িয়ে ডুব দেওয়ার মুহূর্তটি যেন মিস না হয় সেজন্য আবারও গাড়ি দুটি ছুটলো বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।  ১৫ মিনিটের মধ্যেই পৌছে যায় গন্তব্যে।

 

এরপর বৈকালিক নাস্তা শেষে বালিপথ মাড়িয়ে সৈকতের কাছে এসে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে আনন্দ উল্লাসে সময় কাটান গণমাধ্যমকর্মীরা।

 

এক ঝাঁক পেশাদার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সৈকতও যেন প্রাণ ফিরে পায়।  বনভোজন স্পটে ছোটছোট বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে কিছু সময় ঘুরাঘুরি এবং ফটোসেশান করেন আরজেএ’র সদস্যরা।

 

এসময় তাঁরা আগত পর্যটক, কর্তৃপক্ষ ও সৈকতে দায়িত্বরত প্রশাসনের সাথে কথা বলে নিউজের জন্য ছবি তোলে, ভিডিও ধারণ করে এবং বিভিন্ন তথ্যাদী সংগ্রহ করে মোবাইলে সংরক্ষণ করেন।

 

পিকনিক স্পটে পৌঁছে সাংবাদিকরা মেতে ওঠে নানান আনন্দ আয়োজনে।  কেউ কেউ মজেছেন নানা পদের খাবার-দাবারে।  এক পর্যায়ে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে।  সকলে ফিরে যায় হোটেলে।  কিছুটা বিশ্রাম শেষে কক্সবাজারের বিখ্যাত আল গণি রেস্তোঁরায় ডিনার সেরে প্রথমদিনের আনন্দ আয়োজনের ইতি টানেন পিকনিক আয়োজক কমিটি।

পরদিন বুধবার (৮ জানুয়ারি) ঘড়ির কাঁটা যখন সকাল সাড়ে ৯টা।  তখন সবাই প্রস্তুত।  এরমধ্যেই পিকনিক আয়োজন কমিটি বনভোজনে অংশগ্রহণ করা সকল সদস্যদের হাতে তুলে দেন চমৎকার উপহার।  এরপর সকালের নাস্তা সেরে সৈকতের অন্যতম দর্শনীয় স্থান ইনানির উদ্দ্যেশে রওনা হয় রেলওয়ে জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের বহনকারী গাড়ি দুটি।

 

মেরিন ড্রাইভ রোড ধরে চলছে।  দরিয়া নগর, হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড় ও ইনানী র‍য়েল রিসোর্টসহ বিভিন্ন পিকনিক স্পটেই মাঝে মাঝে থামছে গাড়ি।  ঘুরে ঘুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাংবাদিকগণ।  কেউ কেউ দলবেঁধে পিকনিক স্পটের সীমানা পেরিয়ে চলে যাচ্ছেন সৈকতে।  ঘোরাঘুরির সঙ্গে চলতে থাকে সেলফিও।

সিনিয়ররা জড়ো হয়ে মেতে উঠেছেন খোশগল্পে।  তাদের আড্ডায় পারিবারিক বিষয়ের সঙ্গে পেশাজীবনের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা উঠে আসছে আড্ডায়।  আবার কেউ কেউ বয়সকে দূরে ঠেলে মেতে ওঠেছেন কৈশোরের দুরন্তপনায়।

 

বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সৈকতের পাটুয়ার টেক পিকনিক স্পটের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে করতেই বনভোজনের সংক্ষিপ্ত অনুভুতি প্রকাশ করেন আরজেএ’র সদস্যরা।  সংগঠনের সদস্য প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার আশিক আরেফিন ও সিএইচডি অনলাইন পোর্টালের মুন্নার সঞ্চলনায় প্রথমে অনুভুতি প্রকাশ করেন আরজেএ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম পিন্টু।


এরপর একে একে অনুভুতি প্রকাশ করেন জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক কামাল পারভেজ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের আব্দুল মতিন চৌধুরী রিপন, দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার রাজীব সেন প্রিন্স, আমাদের নতুন সময়ের এম আর আমিন,  দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের মোস্তাফা জাহেদ, সরেজমিন বার্তার গাজী লিটন, দৈনিক সাঙ্গুর জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ টুডের মাজহার রানা, আরাফাত কাদের, রাকিব উদ্দিন, আবুল হাসনাত মিনহাজ, আব্দুল আউয়াল মুন্না, মিনহাজ প্রমূখ।

সমুদ্র বিলাস যাত্রায় সঙ্গী ছিলেন সংগঠনের সদস্য ও দৈনিক সংগ্রামের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নুরুল আমিন মিন্টু, নয়া দিগন্তের সিনিয়র রিপোর্টার ওমর ফারুক।

সবশেষে ফের সমুদ্র সৈকত দর্শণ করে কক্সবাজার সদরের লালদিঘী পাড় এলাকার বার্মিজ মার্কেটে জড়ো হয় সাংবাদিকগণ।  পরিবার পরিজন ও প্রিয়জনের জন্য কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী আচার, বাদাম ও শালসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী ক্রয় করেন যে যার মতো করে।  রাত পৌণে ৮টার দিকে কক্সবাজার ছাড়েন সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি।  রাত সোয়া ১০টায় সংগঠনের সদস্যদের সৌজন্যে লোহাগাড়ায় হালাল ডাইন রেস্টুরেন্টের ভিআইপি চাইনিজ হলে ডিনার পার্টির আয়োজনে করেছের দৈনিক সকালের সময়ের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি শাহেদ ফেরদৌস হিরু ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি মুজাহিদ হোছাইন সাগর। ডিনার সেরে মধ্যরাতে চট্টগ্রাম শহরের এসে পৌছায় পিকনিকের গাড়ি বহর।  এভাবেই রেলওয়ে জার্নালিস্ট এ্যসোসিয়েশনের বনভোজন-২০২৫ সফলতার সাথেই সম্পন্ন হয়।

এবারের সমুদ্র বিলাস যাত্রায় সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যদের জন্য স্পন্সর হিসেবে ল্যাপটপ ব্যাগ উপহার দিয়েছেন দুরন্ত বাজার সুপারশপ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে সমৃদ্ধ করার এক নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে
সমৃদ্ধ করেছে।চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারে এসংঠনের অগ্রযাত্রা সংস্কৃতি জগতের জন্য আনন্দলোক।
বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ৩১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তাগনের বক্তব্যে এক উঠে আস। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টিভি ও বেতার শিল্পী বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা সুব্রত দাশ অনুজ।

বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান -কিরন শর্মা, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক উৎপল বড়ুয়া, তবলা শিল্পী লিটন মিত্র।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের উপদেষ্টা লিটন সরকার, অঞ্জনা পারিয়াল, প্রণব দাশ গুপ্ত,সুবর্না দাশ,পরিষদের কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানান গৌরী ললিত কলা একাডেমির পরিচালক নাসরিন সুলতানা খানম, উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ বলেন সুর,তাল প্রতিটি মানুষের আছে কেউ উপলব্ধি করতে পারে কেউ পারে না। সুরের ছোঁয়ায় মানব জীবনে পরিবর্তন হয়।

সম্মানিত অতিথি সাংবাদিক কিরণ শর্মা তাঁর বক্তব্য বলেন – সঙ্গীত বাঙ্গালি সংস্কৃতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সঙ্গীত মানুষের মনকে বিকশিত করে।
চট্টগ্রামের শিল্প ও সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বৈচিত্র্যময় লোকসংগীত, মাইজভাণ্ডারী গান, কবিয়াল গান জনপদের অনন্য ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদ সেধারার সাথে সংযোজিত হয়ে চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করবে।তিনি সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদের সাফল্য কামনা করে পাশে সবসময় থাকবেন ব্যক্ত করেন।


ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক সংস্কৃতি প্রেমী উৎপল বড়ুয়া বলেন শুদ্ধ সংগীতের বিকল্প নেই, সঙ্গীতর চর্চা মানুষের মন পরিশুদ্ধ করে তোলে। সভাপতির সমাপনি বক্তব্যে সাংবাদিক অরুণ নাথ বলেন চরাউৎরায় দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে সংস্কৃতি কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে যারা সহযোগিতা করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের পরিবেশনায় দলীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় এর পর দেশের গান পরিবেশন করেন নরেন্দ্র বিশ্বাস ,

দ্বৈত গান পরিবেশন করেন কান্তা বিশ্বাস ও টুম্পা দাশ, লিজা দাশ ও সজীব চৌধুরী, একক গান পরিবেশন করেন কৌশিক দত্ত, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, উর্বশী চক্রবর্তী, তন্দ্রা সিংহ মৌ,জয়শ্রী ধর,মো: লোকমান হোসেন, রুবেল চৌধুরী, আনিকা দাশ, নীলাদ্রি সেন গুপ্ত, প্রণয় ধর,আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিক শিল্পী লিটন সরকার, নৃত্য পরিবেশন করেন হিতৈষী দাশ কৃতি, এর পর গান পরিবেশন করেন কৃষ্ণ চৌধুরী, দীপান্ত ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদ্বীপ সরকার,অভ্রনীল দে,

অর্চিতা দে,অণ্বেষা ধর,স্মৃতি দে, প্রিয়ম বিশ্বাস, প্রমা অবন্তী বিশ্বাস, ঋতু সাহা,আশিষ চৌধুরী, প্রমুখ। দর্শক শ্রোতাদের উপস্থিতি কানায় কানায় হল ভর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়েছে। সঙ্গীত প্রেমীদের অনুরোধে গানে গানে রাত দশটা অবধি চলে অনুষ্ঠান। যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন কী বোর্ডে পঙ্কজ নাথ, তবলায় রাজু দাশ,সানি দে, সায়ন দে, অক্টোপেডে প্রণব দাশ,গিটারে মো: সেলিম।

ঢালিউড তারকা পূর্ণিমার জন্মদিন আজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌন্দর্য আর নিখুঁত অভিনয় পূর্ণিমা এখনো জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন ঢালিউড জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। বয়স বাড়ার পরও তার সৌন্দর্য ভক্তদের মুখ শুধু একই কথা—পূর্ণিমার বয়স বাড়ছে, সৌন্দর্যও বাড়ছে।
আজ এই নন্দিত অভিনেত্রীর শুভ জন্মদিন। তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে । সেই হিসেবে আজ তিনি ৪৫ বছরে পা রাখলেন (৪৪ বছর পূর্ণ করলেন)।

‘এ জীবন তোমার আমার’এসিনেমার মধ্যদিয়ে
১৯৯৮ সালে ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু পূর্ণিমার। জাকির হোসেন রাজু‘ পরিচালিত এসিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।
প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে প্রায় ৮০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা।দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চলচ্চিত্রের ধারা ও সময়ের পরিবর্তন ঘটলেও পূর্ণিমার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ