আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের অন্যরকম এক সমুদ্র বিলাস কক্সবাজারে

বিনোদন প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

রেলওয়ে জার্নালিস্ট এ্যসোসিয়েশন (আরজেএ) আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন উপলক্ষে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে (কক্সবাজার) নবীন-প্রবীণ সাংবাদিকদের উপস্থিতি, যেন মিলন মেলায় রুপান্তরিত হয়েছে।  কক্সবাজারের পাটোয়ার টেক সী বিচ, কলাতলী সী বিচ, লাভনী পয়েন্ট সী বিচ, সুগন্ধা বিচ ও ইনানী বিচসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দুদিনব্যাপী উৎসবে মাতিয়েছেন বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত একঝাঁক পেশাদার সাংবাদিক।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক সকালের সময়’র চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টুর নেতৃত্বে গত ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে নগরীর টাইগারপাস থেকে পিকনিক স্পটের উদ্দেশে আরজেএ’র সদস্যদের নিয়ে প্রথম গাড়িটি কক্সবাজারের উদ্দ্যেশে রওনা হয়।  ঠিক ২৫ মিনিট পরে নগরীর মুরাদপুর থেকে দ্বিতীয় গাড়িটি পিকনিক স্পটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

 

আরজেএ লঘু সম্বলিত সাদা টি-শার্ট পড়ে গল্প,কবিতা, গান আর আড্ডায় দুটি গাড়ি মাতিয়ে রাখেন সংগঠনের সদস্যরা।  তবে প্রতিটি আনন্দঘন মুহুর্তে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে মিস করেছে বনভোজন আয়োজন কমিটি ও সদস্যগণ।  সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বনভোজনের গাড়ি দুটি থামেন চকরিয়ায়। প্রথম বিরতি।  হাল্কা নাস্তা, ফটোসেশন আর ৩০ মিনিটের আড্ডা শেষে গাড়ি দুটি ফের ছুটে চলে পিকনিক স্পটের দিকে।

 

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পৌঁছে যায় গন্তব্যে।  এরপর ওয়াল্ডবিচ রিসোর্টে যার যার কক্ষ বুঝে নেন বার্ষিক বনভোজনে অংশ নেওয়া আরজেএ’র সদস্যগণ।  ফ্রেশ হয়ে দুপুর দেড়টার সময় মধ্যাহ্নভোজের জন্য সাংবাদিকরা আবারও মিলিত হন তারকামানের একটি হোটেলে।  খাবারের মেন্যু হিসেবে পছন্দের তালিকায় ছিল হরেক রকমের মজাদার ভোজ, যার যার পছন্দ অনুযায়ী মেনু নির্বাচন ।

খাওয়া দাওয়ার পালা শেষ।  এবার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শণের পালা।  দুটো গাড়ি প্রথমে ছুটে চলে বাংলাদেশের প্রথম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের দিকে।  বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গাড়ি দুটি এসে থামেন কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে।  সাংবাদিকরা দল বেঁধে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কক্সবাজার জেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় অবস্থিত ছয়তলা বিশিষ্ট রেলওয়ে স্টেশনটি ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং যে যার মতো করে সংবাদ প্রকাশের জন্য তথ্য সংগ্রহ করে ও ফটোসেশন করে স্মৃতিগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করেন।

 

এরমধ্যেই সময় হয়ে এসেছে সূর্যাস্তের।  পশ্চিম আকাশে সূর্য লাল আভা ছড়িয়ে ডুব দেওয়ার মুহূর্তটি যেন মিস না হয় সেজন্য আবারও গাড়ি দুটি ছুটলো বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।  ১৫ মিনিটের মধ্যেই পৌছে যায় গন্তব্যে।

 

এরপর বৈকালিক নাস্তা শেষে বালিপথ মাড়িয়ে সৈকতের কাছে এসে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে আনন্দ উল্লাসে সময় কাটান গণমাধ্যমকর্মীরা।

 

এক ঝাঁক পেশাদার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সৈকতও যেন প্রাণ ফিরে পায়।  বনভোজন স্পটে ছোটছোট বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে কিছু সময় ঘুরাঘুরি এবং ফটোসেশান করেন আরজেএ’র সদস্যরা।

 

এসময় তাঁরা আগত পর্যটক, কর্তৃপক্ষ ও সৈকতে দায়িত্বরত প্রশাসনের সাথে কথা বলে নিউজের জন্য ছবি তোলে, ভিডিও ধারণ করে এবং বিভিন্ন তথ্যাদী সংগ্রহ করে মোবাইলে সংরক্ষণ করেন।

 

পিকনিক স্পটে পৌঁছে সাংবাদিকরা মেতে ওঠে নানান আনন্দ আয়োজনে।  কেউ কেউ মজেছেন নানা পদের খাবার-দাবারে।  এক পর্যায়ে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে।  সকলে ফিরে যায় হোটেলে।  কিছুটা বিশ্রাম শেষে কক্সবাজারের বিখ্যাত আল গণি রেস্তোঁরায় ডিনার সেরে প্রথমদিনের আনন্দ আয়োজনের ইতি টানেন পিকনিক আয়োজক কমিটি।

পরদিন বুধবার (৮ জানুয়ারি) ঘড়ির কাঁটা যখন সকাল সাড়ে ৯টা।  তখন সবাই প্রস্তুত।  এরমধ্যেই পিকনিক আয়োজন কমিটি বনভোজনে অংশগ্রহণ করা সকল সদস্যদের হাতে তুলে দেন চমৎকার উপহার।  এরপর সকালের নাস্তা সেরে সৈকতের অন্যতম দর্শনীয় স্থান ইনানির উদ্দ্যেশে রওনা হয় রেলওয়ে জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের বহনকারী গাড়ি দুটি।

 

মেরিন ড্রাইভ রোড ধরে চলছে।  দরিয়া নগর, হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড় ও ইনানী র‍য়েল রিসোর্টসহ বিভিন্ন পিকনিক স্পটেই মাঝে মাঝে থামছে গাড়ি।  ঘুরে ঘুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাংবাদিকগণ।  কেউ কেউ দলবেঁধে পিকনিক স্পটের সীমানা পেরিয়ে চলে যাচ্ছেন সৈকতে।  ঘোরাঘুরির সঙ্গে চলতে থাকে সেলফিও।

সিনিয়ররা জড়ো হয়ে মেতে উঠেছেন খোশগল্পে।  তাদের আড্ডায় পারিবারিক বিষয়ের সঙ্গে পেশাজীবনের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা উঠে আসছে আড্ডায়।  আবার কেউ কেউ বয়সকে দূরে ঠেলে মেতে ওঠেছেন কৈশোরের দুরন্তপনায়।

 

বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সৈকতের পাটুয়ার টেক পিকনিক স্পটের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে করতেই বনভোজনের সংক্ষিপ্ত অনুভুতি প্রকাশ করেন আরজেএ’র সদস্যরা।  সংগঠনের সদস্য প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার আশিক আরেফিন ও সিএইচডি অনলাইন পোর্টালের মুন্নার সঞ্চলনায় প্রথমে অনুভুতি প্রকাশ করেন আরজেএ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম পিন্টু।


এরপর একে একে অনুভুতি প্রকাশ করেন জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক কামাল পারভেজ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের আব্দুল মতিন চৌধুরী রিপন, দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার রাজীব সেন প্রিন্স, আমাদের নতুন সময়ের এম আর আমিন,  দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের মোস্তাফা জাহেদ, সরেজমিন বার্তার গাজী লিটন, দৈনিক সাঙ্গুর জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ টুডের মাজহার রানা, আরাফাত কাদের, রাকিব উদ্দিন, আবুল হাসনাত মিনহাজ, আব্দুল আউয়াল মুন্না, মিনহাজ প্রমূখ।

সমুদ্র বিলাস যাত্রায় সঙ্গী ছিলেন সংগঠনের সদস্য ও দৈনিক সংগ্রামের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নুরুল আমিন মিন্টু, নয়া দিগন্তের সিনিয়র রিপোর্টার ওমর ফারুক।

সবশেষে ফের সমুদ্র সৈকত দর্শণ করে কক্সবাজার সদরের লালদিঘী পাড় এলাকার বার্মিজ মার্কেটে জড়ো হয় সাংবাদিকগণ।  পরিবার পরিজন ও প্রিয়জনের জন্য কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী আচার, বাদাম ও শালসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী ক্রয় করেন যে যার মতো করে।  রাত পৌণে ৮টার দিকে কক্সবাজার ছাড়েন সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি।  রাত সোয়া ১০টায় সংগঠনের সদস্যদের সৌজন্যে লোহাগাড়ায় হালাল ডাইন রেস্টুরেন্টের ভিআইপি চাইনিজ হলে ডিনার পার্টির আয়োজনে করেছের দৈনিক সকালের সময়ের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি শাহেদ ফেরদৌস হিরু ও লোহাগাড়া প্রতিনিধি মুজাহিদ হোছাইন সাগর। ডিনার সেরে মধ্যরাতে চট্টগ্রাম শহরের এসে পৌছায় পিকনিকের গাড়ি বহর।  এভাবেই রেলওয়ে জার্নালিস্ট এ্যসোসিয়েশনের বনভোজন-২০২৫ সফলতার সাথেই সম্পন্ন হয়।

এবারের সমুদ্র বিলাস যাত্রায় সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যদের জন্য স্পন্সর হিসেবে ল্যাপটপ ব্যাগ উপহার দিয়েছেন দুরন্ত বাজার সুপারশপ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম সিআরবি’র বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনে সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙা মাটির রঙে চোখ জুড়ালো, সাম্পান মাঝির গানে মন ভরালো, রুপের মধু সুরের যাদু কোন সে দেশে, মায়াবতী মধুমতি বাংলাদেশে, এই অনুভূতি বুকে ধারণ করে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করেছে “সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী” সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সুজন মজুমদার এর পরিচালনায় এ দলীয় সংগীত পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এসময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা রূপ নেয় এক মিলনমেলায়। যেখানে সকাল থেকেই গান, কবিতা, নৃত্য আর আলপনার রঙে ভরে ওঠে ছিলো পুরো সিআরবি প্রাঙ্গণ। যেখানে মিলেছে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের সুর আর গানে, কবিতায় ও নৃত্যের তালে তালে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নেয় বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা।

সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মঞ্চে একের পর এক পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান, লোকসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসময় বৈশাখী সাজে সেজে আসা মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের রঙ ছড়িয়ে ছিলো চারদিকে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই নানা বয়সী মানুষের ঢল নামে সিআরবি প্রাঙ্গণে। ঢাক-ঢোলের তাল, রবীন্দ্র-নজরুলের গান, আর রঙিন পোশাকে দর্শনার্থীর পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের শিরীষ তলা খ্যাত সিআরবি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এখানেই যেন মিলেছে উৎসব, ঐতিহ্য আর বাঙালিয়ানা।

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
বিভিন্ন পর্যটন স্পটের পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদে ট্যুরিস্ট বোট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।
রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, পর্যটকদের পদচারণায় ঝুলন্ত সেতুটি। ঝুলন্ত সেতুর পাশ থেকেই ট্যুরিস্ট বোট ভাড়া নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।

এছাড়া পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের সানরাইজ ইকো পার্কেও অবকাশযাপন করছেন ভ্রমণপ্রেমীরা। অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঝুলন্ত সেতু এলাকাটি এখন আরো বেশি মুখর হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাঙামাটির পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক, শিশু পার্ক, আসামবস্তি ব্রিজ,আসামবস্তি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে পর্যটক
ও স্থানীয়দের উপস্থিতি অনেকটা বেড়েছে।
তবে এবারের ঈদে রাঙামাটির অন্যতম নতুন আকর্ষণ সড়ক বিভাগের সওজ লেকভিউ গার্ডেন। প্রায় শত প্রজাতির ফুলের এই বাগানে পর্যটকদের থেকেও স্থানীয়রা বেশি ভিড় জমাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তায় স্থানীয় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি।

এদিকে, ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির মেঘ-পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালিতেও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। সাজেকের শতাধিক রিসোর্ট-কটেজ শতভাগ বুকিং বলছে সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি। রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই উপজেলার রিসোর্টগুলোও প্রায় শতভাগই বুকিং। ভিড় বেড়েছে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও।রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক বলেন-আমাদের মোটেলের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। ঈদের দিন থেকেই পর্যটকরা রাঙামাটি এসেছেন । ঝুলন্ত সেতুর পাশাপাশি সানরাইজ ইকো পার্কে বেড়াচ্ছেন।

ঝুলন্ত সেতুর টিকেট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক জানান- রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার পর্যটক টিকেট কেটে পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে প্রবেশ করেছেন।সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ বলেন-আজকে (রোববার) থেকে পর্যটকরা সাজেক আসা শুরু করেছেন। আমাদের রিসোর্ট কটেজগুলো ২৮ মার্চ পর্যন্ত শতভাগ বুকিং রয়েছে। আজকে প্রথম দিনে কতজন পর্যটক এসেছে তা সন্ধ্যার পরে জানাতে পারব। তবে কেউ যদি রুম না পেয়ে থাকলে তাদের জন্যও থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ