চট্টগ্রামে ফল খালাস বন্ধের হুমকি, অতিরিক্ত শুল্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানববন্ধন করেছেন ফল ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের রেলওয়ে মেনস ক্লাবস্থ ফলমন্ডির সামনে তাজা ফল আমদানিতে বর্ধিত ভ্যাট এবং অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আলী হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম।

এসময় বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফরহাদ উদ্দিন, মুহাম্মদ আলমগীর, আমদানিকারক আবুল কালাম আজাদ, নাজমুল হাসান মাহমুদ শিমুল, আবু বক্কর, জুনাইদুল হক ও ফল ব্যবসায়ী হোসেন বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে অংশ নেন চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি আলী আব্বাস খান, সহ সাধারণ সম্পাদক রাশেদ কামাল মুন্না, ধর্ম ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আবু বক্কর, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক আয়াজ মিয়া, প্রচার সম্পাদক জুনাইদুল হক, প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল লতিফ, সদস্য আবদুর রহিম, ওমর ফারুক, সমিতির সাবেক সভাপতি হাজী মালেক চৌধুরী. সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক চৌধুরী,

আলমগীর, সাবেক অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ হানিফ, শহিদুল্লাহ, সাবেক ধর্ম সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ।
বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মানববন্ধনে তাজা ফল আমদানিতে বর্ধিত ভ্যাট এবং অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার না হলে ২ ফেব্রুয়ারি এনবিআর ভবনের সামনে অবস্থান এবং ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের সকল সমুদ্র, নৌ এবং স্থল বন্দর দিয়ে একযোগে আমদানিকৃত তাজা ফল খালাস বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে আকাশ ছুঁতে চায় সবজির বাজার, দূর্ভোগ ক্রেতাদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অতিসম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে আবারও বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। সরবরাহ কমে যাওয়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচ, বেগুন, শসাসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে সবজির বাজার আকাশ ছুঁতে চায়। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা। সকল রেকর্ড ভেঙে শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা, ফুলকপি ৩০০ টাকা। করোলা ১৬০, টমেটো ১৪০, বেগুন-বাঁধাকপি-মুলা-শসা ১২০ টাকা কেজি। ঝিঙ্গে ১০০ টাকা! ১০০ টাকার নিচে বিক্রি হওয়া সবজির দাম শুনেন এবার। পটল-মিষ্টি কুমড়া ৮০ টাকা, লাউ ৭০, আলু ৩৫। এতো বেশি দামে এসব তরি-তরকারি আর কখনো বিক্রি হয়নি। অতি বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে এ অস্থিরতা।
কাজীর দেউড়ি কাঁচা বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা শেখ হাবিবা-হাসিবা ট্রেডার্সের পরিচালক শেখ মহিউদ্দিন বাবু জানালেন, বাজারের প্রায় সব সবজির দাম এখন ১০০ টাকার ওপরে। সপ্তাহের বাজার করতে আগের চেয়ে কয়েক’শ টাকা বেশি লাগছে। এভাবে সংসার চালানো খুব কষ্টকর।

জানা গেছে, ১৫ দিন আগেও এসব সবজি ২০ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি। ১০ দিন আগেও যেসব সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগই এখন ১০০ টাকার ঘর অতিক্রম করেছে। বাজারভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও সামগ্রিকভাবেই বেশি দাম এখন প্রতিটির সবজির।
বাজারে দামের এ আগুন কতদিন চলতে থাকবে কেউ কিছু বলতে পারছে না। সাধারণ ক্রেতারা বাজারে এসেই চমকে যাচ্ছেন দাম শুনে। এ দাম নিয়ে আলোচনা চলছে আড্ডায়, অফিসে, বাসায়।

এদিকে ১০০ টাকার নিচে এখন মধ্যবিত্তের জন্য বিকল্প বলতে লাউ, আলু আর পটল। একসময় যে পরিবারগুলো এক বাজারে পাঁচ-ছয় ধরনের সবজি কিনে সপ্তাহ পার করত, তারা এখন হিসাব কষে মাত্র দুই-একটি সবজি নিয়েই ফিরছে।
বাজারে আসা এক গৃহিনী বলেন, আগে পাঁচ-ছয় ধরনের সবজি কিনতাম। এখন দুই-তিন ধরনের বেশি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ভালো মানের সবজির দিকে দামের কারণে তাকানোই যাচ্ছে না।

সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ শফিক (মিন্টু) বললেন, বন্যা ও টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকার সবজির খেত নষ্ট হয়েছে। আড়তে পর্যাপ্ত সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। যা পাওয়া যাচ্ছে, সেটাও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
শহরে অধিকাংশ সবজির যোগান এসে থাকে দোহাজারী, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি, নাজিরহাটসহ বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকা থেকে। সম্প্রতি সেই সব এলাকায় বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে সবজির খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে উৎপাদন ও সরবরাহ কমে গেছে। এ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড স্থগিত থাকার পর ফের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, অনুপস্থিত ১ হাজার ৮২৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সোমবার (২৭ জুলাই) পুনরায় শুরু হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত থাকার পর সোমবার সকালে শুরু হয়। পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় মোট ৭৭ হাজার ৫৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৮২৫ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুনরায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সব কেন্দ্রেই সার্বিক পরিস্থিতি ভালো ছিল।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম দিনের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় ৫৬ হাজার ৫৮৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৮৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ২০২ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কক্সবাজারে ৯ হাজার ৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ২৬৩ জন। রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৯৬৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১০৯ জন। খাগড়াছড়িতে ৫ হাজার ২১৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৫৪ জন এবং বান্দরবানে ২ হাজার ৬৯২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৯৭ জন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ