আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেডের নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চিকিৎসা সেবার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেড-এর BMRE (Balancing, Modernization, Rehabilitation & Expansion) project আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে গতকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের জিইসি কনভেনশন হলে।

হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা: এ কিউ এম মোহসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েব আমীর ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো : তাহের, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট এস এম মোরশেদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের ব্যবস্হাপনা পরিচালক প্রফেসর ডা: এ কে এম ফজলুল হক।
বক্তারা বলেন, হাসপাতালের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন একটি নতুন মাইলফলক, যা আধুনিক চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়িয়ে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেবার মান উন্নত করতে ও রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার জন্য ২০ তলা বিশিষ্ট মেডিকেল গ্রেড একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়, যা আধুনিক প্রযুক্তি ও সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে তৈরি। নতুন ভবনটি শুধু স্থাপত্যগত দিক থেকে নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের দিক থেকেও এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এর মাধ্যমে হাসপাতালের বেডসংখ্যা ১৩৫ বেড থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০ বেডে উন্নিত হল।
তারা আরও বলেন, এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিশ্বমানের ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে যা আধুনিক চিকিৎসা সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, বিশ্বমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই সেন্টারটি রোগ নির্ণয় ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে প্রস্তুত।
4th Generation 3 Tesla MRI Machine, 128 Slice Spiral CT Scan Machine, Modular OT, Modular System ICU, HDU, CCU, PCCU, CICU, World Standard Diagniostic Laboratory সহ সর্বাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন করা হয়েছে।
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ, এবং স্বাস্থ্যসেবাও তার ব্যতিক্রম নয়।এই হাসপাতাল ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও স্মার্ট’ হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে রোগীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদান করবে চট্টগ্রামে।
তারা আরও বলেন, হাসপাতালের মূল লক্ষ্য হলো রোগীদের দ্রুত, নির্ভুল ও মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করা। এর জন্য হাসপাতালে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড (EHR), যা রোগীর সম্পূর্ণ চিকিৎসা তথ্য একটি নিরাপদ ডাটাবেজে সংরক্ষণ করবে, যাতে যে কোনো সময় ডাক্তার সহজেই রোগীর পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করতে পারেন।
এছাড়া, স্মার্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে রোগীদের অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়ার কাজও চলমান রয়েছে, যা তাদের সময় ও ভোগান্তি কমাবে। টেলিমেডিসিন সেবা রোগীদের ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ দেবে। আধুনিক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে, যা চিকিৎসা প্রদান, ওষুধ সরবরাহ, রোগীর বিলিং ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজ ও স্বচ্ছ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ইন্টারনেট অফ থিংস প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। এটি শুধু একটি হাসপাতাল নয়, বরং একটি ভবিষ্যৎমুখী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যেখানে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তারা আরও বলেন, আজ থেকে কোম্পানির নতুন নাম চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ এ রূপান্তিত হল। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ সংযোজনগুলো হলঃ
• Metropolitan Specialty Heart Center,
• Metropolitan Specialty Center for Kidney Diseases,
• Metropolitan Specialty Women’s Hospital Center with Neonatology & Pediatrics with Most Modern NICU & PICU,
• Metropolitan Specialty Center for Gastroenterology,
Metropolitan Specialty Center for Orthopaedics & Trauma,
Metropolitan Specialty Center for Neuroscience,
Metropolitan Specialty Center for Physical Medicine & Rehabilitation
• Metropolitan Specialty Center for Diabetes & Endrocrine Diseases
World Standard Cathlab
World Standard Cardiac Surgery
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ ইতোমধ্যে এর সুদীর্ঘ-৩৬ বছরের ঐতিহ্য, অবস্থান, বিশ্বমানের আধুনিক প্রযুক্তি, সুপরিসর রুম, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি, Sound Administration, Fair Financial Management এবং Personnel Management ইত্যাদির মাধ্যমে বৃহত্তর চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালীর একটা বৃহৎ জনগোষ্টির কাছে স্বাস্থ্যসেবায় আস্থা ও নির্ভরতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রথম বেসরকারী পর্যায়ে CCU, ICU, HDU, Cardiac Surgery এবং Cathlab সহ, Complete Heart Center চালু করেছে। BMRE তে আমরা ২টি Cathlab এর provision রেখেছে, experienced cardiac team এর Slogan হচ্ছে “Opening the Door to a New Life”
উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে মেজবানি অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যাল

ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: “একসাথে হাত ধরি, গ্লুকোমা মুক্ত বিশ্ব গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ-২০২৬’ উদ্যাপন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল প্রাঙ্গনে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় র‌্যালীর উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম। তিনি বলেন, গ্লুুকোমা চোখের নীরব ঘাতক রোগ। বিরাট জনগোষ্ঠী গ্লুুকোমা রোগের নামই শোনেননি। গ্লুকোমা চোখের এমন একটি জটিল রোগ, ধীরে ধীরে দৃষ্টি কমে যায়। এমনকি এক সময় রোগী অন্ধত্ববরণ করতে বাধ্য হয়। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা না নিলে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে। তাই গ্লুকোমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, প্রফেসর ডা. জেসমিন আহমেদ, কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন, ডা. কাজী তাহমিনা আক্তার. ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, ডা. এ এস এম মাহাবুবুল আলম, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া,ডা. সুইটি বড়ুয়া, ডা. আমিনুর রহমান, ডা. শেলী বিশ্বাস, ডা. মো. ইফতেখার শামীম, ডা. মৌসুমী চৌধুরী প্রমূখ।

এর আগে সকাল ৮টায় ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে চোখের গ্লুকোমা নির্ণয় ও প্রতিরোধের বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম, মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন প্রমূখ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসপাতালের ডিপার্টমেন্ট অব গ্লুকোমা বিভাগের প্রধান কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর। সেমিনারে বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের দ্বিতীয় কারণ মারাত্মক দৃষ্টিনাশী রোগ গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত চোখ পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়। শতকরা ৫০ জন লোক জানেন না তার গ্লুকোমা রোগ আছে। বিশেষ করে উপসর্গ থাকে না বলে বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগীই বুঝতে পারেন না এর উপস্থিতি। তুষের আগুনের মতো ভেতরে ভেতরে নষ্ট করে দেয় স্নায়ুতন্ত্র। বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগী আসেন অন্ধত্বের কাছাকাছি সময়ে। তখন বেশি কিছু করার থাকে না। প্রাথমিক পর্যায়ে গ্লুকোমা শনাক্ত করা গেলে অন্ধত্বের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গ্লুকোমাকে নীরব ঘাতক বা ‘সাইলেন্ট কিলার’ উল্লেখ করে সেমিনারে আরো বলা হয়, গ্লুকোমা রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব; কিন্তু নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রোগীর মতো সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে গ্লুকোমা রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। গ্লুুুকোমা রোগ সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে। এছাড়া সাপ্তাহব্যাপী কর্মসূচীতে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের গ্লুুকোমা রোগ সম্পর্কে অবগত করছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ